Loading..

ব্লগ

রিসেট

০৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১০:৩৩ অপরাহ্ণ

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (ICT) এবং বিশ্বগ্রাম (Global Village)

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (ICT) এবং বিশ্বগ্রাম (Global Village) একে অপরের পরিপূরক। আধুনিক বিশ্বে তথ্য প্রযুক্তির অভাবনীয় উন্নতির ফলেই পৃথিবী আজ একটি ছোট গ্রামের মতো হয়ে উঠেছে। 
বিশ্বগ্রাম (Global Village)
বিশ্বগ্রাম হলো এমন একটি সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ব্যবস্থা যেখানে ইন্টারনেটের মাধ্যমে পৃথিবীর সকল মানুষ একটি একক সমাজের মতো বসবাস করে এবং খুব সহজে তথ্য, কৃষ্টি ও সংস্কৃতি একে অপরের সাথে বিনিময় করতে পারে। 
উদ্ভাবক: কানাডিয়ান দার্শনিক মার্শাল ম্যাকলুহান ১৯৬২ ও ১৯৬৪ সালে প্রকাশিত তার দুটি গ্রন্থে প্রথম এই ধারণা দেন।
মূল বৈশিষ্ট্য: ভৌগোলিক দূরত্ব থাকলেও মানুষ রিয়েল-টাইমে যোগাযোগ করতে পারে, ফলে পৃথিবী আজ মানুষের হাতের মুঠোয়। 
বিশ্বগ্রাম প্রতিষ্ঠার প্রধান উপাদানসমূহ 
বিশ্বগ্রাম বা গ্লোবাল ভিলেজ তৈরির জন্য নিচের উপাদানগুলো অপরিহার্য: 
হার্ডওয়্যার (Hardware): কম্পিউটার, স্মার্টফোন, রাউটার এবং অন্যান্য ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি।
সফটওয়্যার (Software): অপারেটিং সিস্টেম ও বিভিন্ন অ্যাপলিকেশন প্রোগ্রাম।
কানেক্টিভিটি বা নেটওয়ার্ক: বিশ্বগ্রামের মেরুদণ্ড হলো এই ইন্টারনেট সংযোগ, যার মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদান করা হয়।
ডেটা বা তথ্য (Data): যা প্রক্রিয়াকরণ করে তথ্যে রূপান্তর করা হয়।
মানুষের সক্ষমতা (Capacity): আইসিটি ব্যবহারের জ্ঞান ও দক্ষতা। 
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির প্রভাব (সুবিধা)
যোগাযোগ: মুহূর্তের মধ্যে ই-মেইল বা ভিডিও কলের মাধ্যমে বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে কথা বলা সম্ভব।
শিক্ষা: ঘরে বসেই অনলাইন কোর্স বা দূরশিক্ষণ (E-learning) এর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক শিক্ষা গ্রহণ।
চিকিৎসা: টেলিমেডিসিন ব্যবহারের মাধ্যমে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ পাওয়া সম্ভব।
ব্যবসা: ই-কমার্সের ফলে কেনাবেচা এখন অনলাইন ভিত্তিক হয়ে গেছে।
কর্মসংস্থান: ফ্রিল্যান্সিং বা আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে যুক্ত হওয়ার সুযোগ। 
ICT-র অসুবিধা: অতিরিক্ত প্রযুক্তি নির্ভরতার ফলে ব্যক্তিগত গোপনীয়তা বিঘ্নিত হতে পারে এবং সামাজিক দূরত্ব ও সাইবার অপরাধ বৃদ্ধি পাওয়ার ঝুঁকি থাকে। 

মন্তব্য করুন