Loading..

ব্লগ

রিসেট

০৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১০:৩৬ অপরাহ্ণ

প্রেষণা (Motivation)

প্রেষণা (Motivation) হলো এমন একটি অভ্যন্তরীণ বা বাহ্যিক মানসিক চালিকাশক্তি, যা কোনো লক্ষ্য অর্জনের জন্য মানুষকে কাজ করতে, সক্রিয় থাকতে এবং আচরণের ধারা বজায় রাখতে উদ্বুদ্ধ করে। এটি অভাববোধ থেকে তৈরি চাহিদা পূরণের প্রক্রিয়া, যা কাজের গতি ও তীব্রতা বৃদ্ধি করে। চাহিদা, আবেগ ও আকাঙ্ক্ষা হলো প্রেষণার মূল উৎস।

প্রেষণার বিস্তারিত দিকসমূহ:

সংজ্ঞা ও স্বরূপ: ল্যাটিন শব্দ 'Moveo' থেকে মোটিভেশন এসেছে, যার অর্থ 'চলমান করা'। এটি একটি ধারাবাহিক মানসিক প্রক্রিয়া যা মানুষকে লক্ষ্য অর্জনে বাধ্য করে।প্রেষণা চক্র (Motivation Cycle): অভাববোধ চাহিদা  উত্তেজনা কার্যপ্রবণতা  লক্ষ্য অর্জন চাহিদা হ্রাস।

প্রেষণার প্রকারভেদ: অভ্যন্তরীণ প্রেষণা (Intrinsic): নিজস্ব আগ্রহ বা আনন্দ থেকে সৃষ্ট (যেমন: শখ, জ্ঞান অর্জন)।

বাহ্যিক প্রেষণা (Extrinsic): পুরস্কার বা শাস্তি থেকে সৃষ্ট (যেমন: বেতন, প্রশংসা, পুরস্কার)।

জৈবিক ও সামাজিক প্রেষণা: ক্ষুধা, তৃষ্ণা (জৈবিক) এবং স্বীকৃতি বা ক্ষমতা (সামাজিক)।প্রধান নির্ধারকসমূহ: স্পষ্ট লক্ষ্য, পুরস্কার, কাজের পরিবেশ, আবেগ ও মানসিক অবস্থা প্রেষণা নিয়ন্ত্রণ করে।

গুরুত্বপূর্ণ তত্ত্ব: আব্রাহাম মাসলোর চাহিদার সোপান তত্ত্ব (Maslow's Hierarchy of Needs) সবচেয়ে জনপ্রিয়।

গুরুত্ব: কর্মক্ষেত্রে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, শিক্ষার গুণমান উন্নয়ন এবং আচরণের ইতিবাচক পরিবর্তন। প্রেষণা কমে গেলে কাজের গতি কমে যায় এবং কাজের প্রতি অনীহা তৈরি হয়, যা প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য অর্জনে বাধা দেয়। 

মন্তব্য করুন