সহকারী শিক্ষক
০৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১০:৫৯ অপরাহ্ণ
হাওয়ার্ড গার্নারের বহুমুখী বুদ্ধিমত্তা!
হাওয়ার্ড গার্নারের বহুমুখী বুদ্ধিমত্তা
একটি শিশু শুধু একভাবে শিখে না—সে বহুভাবে শিখে। সত্যিই শিশুরা নানা বিষয়ে বিভিন্নভাবে জানতে চায়। জানার প্রতি তাদের আগ্রহ স্বাভাবিক। এই বিষয়টি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞানী প্রফেসর হাওয়ার্ড গার্ডনার বহুমুখী শিখন তত্ত্ব উদ্ভাবন করেন।
তিনিই প্রথম বলেন, শেখানোর বহুমুখী কৌশল শিশুর বহুমুখী বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত। তাঁর মতে, মানুষের কমপক্ষে আট ধরনের বুদ্ধিমত্তা রয়েছে। অর্থাৎ মানুষ অন্তত আটভাবে শিখতে পারে। এ ছাড়া আরও নানা উপায়ে শেখার সুযোগ রয়েছে।
প্রথমত হলো ভাষাবৃত্তিক বা মৌখিক বুদ্ধিমত্তা। এটি মূলত বিভিন্ন ধরনের বই, গল্প, ম্যাগাজিন ইত্যাদি পড়ার মাধ্যমে বিকশিত হয়। এ ক্ষেত্রে শিশুকে পাঠে উৎসাহিত করা যেতে পারে এবং একটি পাঠকোণ (Reading Corner) তৈরি করে সেখানে বিভিন্ন পাঠ উপকরণ রাখা যেতে পারে।
এরপর রয়েছে যুক্তিক বা গণিতিক বুদ্ধিমত্তা।শারীরিক-চলনমূলক বুদ্ধিমত্তা। স্থানিক বা দৃশ্যগত বুদ্ধিমত্তা, সঙ্গীতমূলক বুদ্ধিমত্তা, আন্তর্ব্যক্তিক বুদ্ধিমত্তা, অন্তর্ব্যক্তিক বুদ্ধিমত্তা এবং প্রাকৃতিক বুদ্ধিমত্তা।
অর্থাৎ বহুমুখী শিখন পদ্ধতির মাধ্যমে শিশু তার স্বাভাবিক সক্ষমতা ও সম্ভাবনাকে ব্যবহার করে বিষয়বস্তু জানতে শেখে, কাজ করতে শেখে, চিন্তা করতে শেখে এবং বিভিন্ন বিষয়ের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করতে শুরু করে। তাই বাস্তবে শিশুর আচরণ ও কর্মকাণ্ডে যখন শেখার প্রতিফলন দেখা যায়, তখনই বলা যায়—শিখন কার্যকরভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
৭
৬ মন্তব্য