প্রভাষক
১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০৭:৩৮ অপরাহ্ণ
মোবাইল কমিউনিকেশন - তারবিহীন (wireless)
মোবাইল কমিউনিকেশন হলো তারবিহীন (wireless) প্রযুক্তির মাধ্যমে দূরবর্তী স্থানে থাকা ব্যবহারকারীদের মধ্যে ভয়েস, ডেটা এবং তথ্য আদান-প্রদান ব্যবস্থা, যা রেডিও তরঙ্গের মাধ্যমে কাজ করে।
এটি সেলুলার নেটওয়ার্ক (cell-based) ব্যবহার করে, যেখানে ছোট ভৌগোলিক এলাকাকে 'সেল' (cell) বলা হয় এবং প্রতিটি সেলে একটি বেস স্টেশন থাকে। এই ব্যবস্থা ব্যবহারকারীকে স্থান পরিবর্তন করেও নিরবচ্ছিন্ন সংযোগ নিশ্চিত করে।
মোবাইল কমিউনিকেশনের মূল দিকসমূহ:
কার্যপদ্ধতি: মোবাইল ফোন (Mobile Terminals) রেডিও তরঙ্গের মাধ্যমে নিকটস্থ বেইস ট্রান্সসিভার স্টেশনের (BTS) সাথে সংযুক্ত হয়। এই স্টেশনগুলো আবার মূল নেটওয়ার্কের সাথে সংযুক্ত থেকে কল ও ডেটা আদান-প্রদান করে।
নেটওয়ার্ক প্রজন্ম (Generations):
1G: শুধুমাত্র ভয়েস কল (অ্যানালগ)।
2G (GSM/CDMA): ডিজিটাল ভয়েস এবং টেক্সট মেসেজ।
3G: উচ্চগতির ইন্টারনেট এবং ডেটা ট্রান্সফার (UMTS)।
4G (LTE): উচ্চমানের ভিডিও এবং দ্রুততম ইন্টারনেট।
5G: অতি দ্রুত গতির ইন্টারনেট, ইন্টারনেট অফ থিংস (IoT) এবং স্মার্ট প্রযুক্তি [২]।
প্রযুক্তি: প্রধানত GSM (Global System for Mobile Communication) এবং CDMA (Code Division Multiple Access) ব্যবহৃত হয়।
উপাদান: মোবাইল হ্যান্ডসেট, বেস স্টেশন (BTS/NodeB/eNodeB), মোবাইল সুইচিং সেন্টার (MSC) এবং ডেটা নেটওয়ার্ক।
সুবিধা: নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগ, দ্রুত ডেটা আদান-প্রদান, এবং অবস্থান-ভিত্তিক সেবা।
ব্যবহার: মোবাইল কমিউনিকেশন বর্তমানে ভয়েস কল, এসএমএস, ইন্টারনেট ব্রাউজিং, ভিডিও স্ট্রিমিং, এবং অনলাইন পেমেন্ট বা ব্যাংকিংয়ের প্রধান মাধ্যম হিসেবে কাজ করে।
৩
৩ মন্তব্য