প্রভাষক
১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১১:৩৮ পূর্বাহ্ণ
রহমতের মাস - মাহে রমজান
রহমতের মাস বলতে পবিত্র রমজান মাসকে বোঝানো হয়। ইসলামি বর্ষপঞ্জির এই নবম মাসটি আল্লাহর অফুরন্ত করুণা, ক্ষমা ও জাহান্নাম থেকে মুক্তির বারতা নিয়ে আসে। আজকের তারিখ অনুযায়ী (১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬), আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ বুধবার থেকে রমজান শুরু হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে।
পবিত্র রমজান মাসের বিস্তারিত নিচে তুলে ধরা হলো:
১. রমজানের তিনটি ভাগ (দশক)
রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর একটি হাদিস অনুযায়ী রমজান মাসকে তিনটি বিশেষ ভাগে বিভক্ত করা হয়েছে :
রহমত (প্রথম ১০ দিন): এই সময়ে আল্লাহ তাঁর বান্দাদের ওপর অঝোর ধারায় রহমত বা দয়া বর্ষণ করেন।
মাগফিরাত (দ্বিতীয় ১০ দিন): এই সময়ে ইবাদতের মাধ্যমে বান্দা তার পূর্বের গুনাহর জন্য আল্লাহর কাছে ক্ষমা লাভ করে।
নাজাত (শেষ ১০ দিন): এই শেষ দশকে ইবাদতকারীকে জাহান্নামের আগুন থেকে মুক্তির নিশ্চয়তা দেওয়া হয়।
২. রমজানের বিশেষ তাৎপর্য ও ফজিলত
কুরআন নাজিল: এই মাসেই মহান আল্লাহ মানবজাতির হিদায়াতের জন্য পবিত্র কুরআন নাজিল করেছেন।
লাইলাতুল কদর: রমজানের শেষ দশকের বিজোড় রাতে 'লাইলাতুল কদর' রয়েছে, যা হাজার মাসের চেয়েও উত্তম।
গুনাহ মাফ: বিশ্বাস ও সওয়াবের আশায় যারা রোজা রাখে, তাদের পূর্বের সকল গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হয়।
দোয়ার কবুলিয়ত: ইফতারের আগের সময় এবং সিয়াম পালনকারীর দোয়া মহান আল্লাহ ফিরিয়ে দেন না।
৩. রমজানে মুমিনের করণীয়
সিয়াম (রোজা) পালন: সুবহে সাদিক থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহার ও পাপাচার থেকে বিরত থাকা।
তারাবিহ ও তাহাজ্জুদ: ফরজ নামাজের পাশাপাশি অতিরিক্ত নফল ইবাদতে মশগুল থাকা।
দান-সদকা: এই মাসে দানের সওয়াব বহুগুণ বৃদ্ধি পায়, তাই অভাবীদের সহায়তা করা।
কুরআন তিলাওয়াত: অর্থসহ কুরআন পাঠ এবং জিকির-আজকারের মাধ্যমে সময় কাটানো।
১
১ মন্তব্য