Loading..

ব্লগ

রিসেট

১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০৭:০২ অপরাহ্ণ

নবাব স্যার সলিমুল্লাহর জীবনী

খাজা সলিমুল্লাহ বা নবাব সলিমুল্লাহ (৭ জুন ১৮৭১-১৬ জানুয়ারি ১৯১৫) ঢাকার চতুর্থ নবাব ছিলেন। তার পিতা নবাব খাজা আহসানউল্লাহ ও পিতামহ নবাব খাজা আব্দুল গনি। তিনি নিখিল ভারত মুসলিম লীগের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য তিনি বিশেষ ভূমিকা পালন করেন। যদিও তিনি জীবদ্দশায় এই বিশ্ববিদ্যালয় দেখে যেতে পারেননি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় যে স্থানে অবস্থিত তার একটি বড় অংশের জমি নবাবের প্রদান করা।

স্যার খাজা সলিমুল্লাহ বাহাদুর
ঢাকার নবাব
250px-Salimullah.jpg
নবাব স্যার খাজা সলিমুল্লাহ বাহাদুর GCSI
ঢাকার নবাব
রাজত্ব১৯০১ - ১৯১৫
পূর্বসূরিখাজা আহসানউল্লাহ
উত্তরসূরিখাজা হাবিবুল্লাহ
নিখিল ভারত মুসলিম লীগের প্রতিষ্ঠাতা ও ১ম প্রেসিডেন্ট
পূর্বসূরিপদ সৃষ্টি
উত্তরসূরিসুলতান মুহাম্মদ শাহ আগা খান
ব্যক্তিগত বিবরণ
জন্ম৭ জুন ১৮৭১
আহসান মঞ্জিল, ঢাকা, বেঙ্গল প্রেসিডেন্সি, ব্রিটিশ ভারত
মৃত্যু১৬ জানুয়ারি ১৯১৫ (বয়স ৪৩)
চৌরঙ্গী, কলকাতা, বেঙ্গল প্রেসিডেন্সি, ব্রিটিশ ভারত
সমাধি
বেগম বাজার, ঢাকা
দাম্পত্য সঙ্গীনবাব বেগম আস্মাতুন্নেসা
নবাব বেগম আলিমা বিবি
নবাব বেগম রওশন আক্তার
নবাব বেগম নাজনীজান
নবাব বেগম আয়েশা
নবাব বেগম আজিজুন্নেসা
বংশধরখাজা হাবিবুল্লাহ
প্রাসাদঢাকা নবাব পরিবার
পিতাখাজা আহসানুল্লাহ
মাতানবাব বেগম ওয়াহিদুন্

১৯০৩ সালে বড় লাট লর্ড কার্জন ঢাকায় সফরে এলে নওয়াব সলিমুল্লাহ পূর্ব বাংলার সমস্যাগুলো তুলে ধরেন। ওদিকে আসামের উৎপাদিত চা ও অন্যান্য পণ্য বিদেশে রপ্তানীর ব্যাপারে পরিবহন ব্যয় হ্রাসের উদ্দেশ্যে কলকাতার বদলে চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবহারের চিন্তা করে ব্রিটিশরা, এই সাথে বেঙ্গল প্রেসিডেন্সির প্রশাসন বিকেন্দ্রীকরণের ভাবনাও চলতে থাকে। ব্রিটিশদের বাণিজ্যিক স্বার্থ এবং নবাবের আবেদন যুক্ত হয়ে খুব অল্প সময়ের ব্যবধানে বাংলা বিভাজনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এর প্রেক্ষিতে কলকাতা কেন্দ্রিক বুদ্ধিজীবী ব্যবসায়ীদের তীব্র প্রতিবাদ সত্ত্বেও ১৯০৫ সালে পূর্ব বঙ্গ ও আসাম নিয়ে একটি স্বতন্ত্র প্রদেশ গঠন করা হয়। বঙ্গভঙ্গ নিয়ে বাঙ্গালি হিন্দুদের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয় এবং পরবর্তীতে ১৯১১ সালে বঙ্গভঙ্গ রদ হয়ে যায়।

মন্তব্য করুন

ব্লগ