Loading..

ব্লগ

রিসেট

১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০৫:৪৪ অপরাহ্ণ

ইফতারের অন্যতম ফজিলত হলো সূর্যস্তের পরপরই দ্রুত ইফতার করা সুন্নাত
ইফতারের অন্যতম ফজিলত হলো, সূর্যাস্তের পরপরই দ্রুত ইফতার করা সুন্নাত, যা উম্মতের জন্য কল্যাণের প্রতীক [৬, ৯]। ইফতারের সময় রোজাদারের দোয়া কবুল হয়, এটি আল্লাহর সন্তুষ্টির সময় এবং এর মাধ্যমে রোজাদার দুটি আনন্দ (ইফতার ও সাক্ষাৎ) লাভ করেন [৬, ১২]। এছাড়া, অন্য রোজাদারকে ইফতার করালে সমপরিমাণ সওয়াব পাওয়া যায় [৪, ১১]। 
ইফতারের ফজিলতগুলো নিচে বিস্তারিত দেওয়া হলো:
  • সুনড়বাতের অনুসরণ: সূর্যাস্তের সঙ্গে সঙ্গে দেরি না করে ইফতার করা সুন্নাত এবং এটি কল্যাণের অন্যতম লক্ষণ [৬, ৯]।
  • দোয়া কবুল: ইফতারের সময় রোজাদারের দোয়া আল্লাহর কাছে অত্যন্ত গ্রহণযোগ্য, যা কবুল হওয়ার বিশেষ সময় [৬, ১২]।
  • রোজাদারকে ইফতার করানোর সওয়াব
    :
     রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি কোনো রোজাদারকে ইফতার করাবে, সে তার সমপরিমাণ সওয়াব পাবে, অথচ রোজাদারের সওয়াবে কোনো কমতি হবে না [৪, ১১]।
গুনাহ মাফ ও জাহান্নাম থেকে মুক্তি: রমজানে হালাল খাবার দিয়ে ইফতার করালে গুনাহ মাফ হয় এবং জাহান্নামের আগুন থেকে মুক্তি পাওয়া যায় [৫]।
রোজাদারের জন্য আনন্দ: রোজাদারের জন্য দুটি বিশেষ আনন্দ রয়েছে—একটি ইফতারের সময়, অন্যটি আল্লাহর সঙ্গে সাক্ষাতের সময় [৬]।
শোকরিয়া আদায়: ইফতারের মাধ্যমে আল্লাহর দেওয়া নিয়ামতের ওপর শুকরিয়া ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয় [১, ২]। 
খেজুর, খোরমা বা পানি দিয়ে ইফতার করা উত্তম [৬]। 
মন্তব্য করুন