সহকারী শিক্ষক
২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০৯:০৩ অপরাহ্ণ
গ্রামীণ বাংলার ঐতিহ্য কুড়েঘর।
গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী কুঁড়েঘর, যা বাঁশ, ছন ও খড়ের তৈরি, এককালে গ্রামীণ জনপদের প্রধান বাসস্থান ছিল [১, ২]। বাঁশ-খড়ের বিশেষ গঠনশৈলীর কারণে এগুলো গ্রীষ্মে শীতল ও শীতে আরামদায়ক থাকে, যাকে ‘গরিবের এসি’ বলা হতো [৩, ৪]। আধুনিক ইটের বাড়ি ও টিনের ছাউনির দাপটে এই নান্দনিক ও পরিবেশবান্ধব ঘরগুলো আজ বিলুপ্তির পথে [১২, ১৪]।
কুঁড়েঘরের ঐতিহ্য ও বৈশিষ্ট্য
উপকরণ: প্রধানত বাঁশ, ধানের খড়, ছন, শোলা, গোলপাতা ও মাটি দিয়ে এসব ঘর তৈরি হতো [২, ৩]।
কাঠামো: দোচালা বা চারচালা বিশিষ্ট, যা ‘বাংলা ঘর’ নামেও পরিচিত ছিল [২]।
আরামদায়ক: এগুলো গরমের সময় বেশ আরামদায়ক এবং শীতল থাকে [১২]।
ব্যবহার: নিম্নবিত্ত থেকে ধনী—সবাই একসময় এই ঘর ব্যবহার করত [১]।
পরিবেশবান্ধব: পুরোপুরি প্রাকৃতিক উপাদান দিয়ে তৈরি, যা পরিবেশের কোনো ক্ষতি করে না [৭]।
বিলুপ্তির কারণ
আধুনিকায়ন: রড, সিমেন্ট ও টিনের ব্যবহার বৃদ্ধি [১২]।
উপকরণের অভাব: খড় ও ছনের দুষ্প্রাপ্যতা [১৩]।
স্থায়িত্ব: কুঁড়েঘর ঘনঘন মেরামতের প্রয়োজন হয়, যা আধুনিক ইটের বাড়িতে নেই [১২, ১৪]।
কালের বিবর্তনে আজ বাংলার গ্রামীণ দৃশ্যপট থেকে এই ঐতিহ্যবাহী ঘরগুলো হারিয়ে যাচ্ছে, যা এখন কেবল গল্প, নাটক বা পাঠ্যবইয়ে দৃশ্যমান।
৭
৭ মন্তব্য