সহকারী অধ্যাপক
২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১০:৫০ অপরাহ্ণ
“ অমর একুশে ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস”
“ অমর একুশে ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস”
চরিত্র:
রাহাত, নীলা, শিক্ষক
স্থান: বিদ্যালয়ের প্রাঙ্গণ, শহীদ মিনারের সামনে
রাহাত: নীলা, আজ চারপাশে এত মানুষের ভিড় কেন বলতো?
নীলা: আজ যে অমর একুশে ফেব্রুয়ারি! ভাষা শহীদদের স্মরণে সবাই শ্রদ্ধা জানাতে এসেছে।
রাহাত: আচ্ছা, এই দিনটাকে আমরা “অমর একুশে” বলি কেন?
নীলা: কারণ ১৯৫২ সালের এই দিনে আমাদের দেশের ছাত্ররা বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে জীবন উৎসর্গ করেছিলেন। তাঁদের রক্তে রঞ্জিত হয়েছিল পথঘাট।
রাহাত: সত্যিই কত বড় ত্যাগ! তাই তো এই দিনটি আমাদের কাছে চির অমর।
শিক্ষক: তোমরা ঠিকই বলছ। এই একুশের চেতনার ফলেই বাংলা আজ আমাদের রাষ্ট্রভাষা।
নীলা: স্যার, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতি কীভাবে এলো?
শিক্ষক: বাংলাদেশের প্রস্তাবনায় ১৯৯৯ সালে ইউনেস্কো একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। এরপর থেকে সারা বিশ্বে দিনটি পালিত হচ্ছে।
রাহাত: তাহলে আমাদের ভাষা আন্দোলন শুধু বাংলাদেশের নয়, সারা বিশ্বের জন্যই অনুপ্রেরণা!
শিক্ষক: অবশ্যই। ভাষার অধিকার রক্ষায় এটি এক অনন্য দৃষ্টান্ত।
নীলা: আজ আমরা শহীদ মিনার-এ ফুল দিয়ে ভাষা শহীদদের শ্রদ্ধা জানাবো।
রাহাত: আর প্রতিজ্ঞা করবো—বাংলা ভাষাকে ভালোবাসবো, শুদ্ধভাবে ব্যবহার করবো।
শিক্ষক: এটাই হোক একুশের প্রকৃত শিক্ষা।
✨ উপসংহার
অমর একুশে ফেব্রুয়ারি আমাদের ভাষা, সংস্কৃতি ও আত্মপরিচয়ের প্রতীক। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে এর স্বীকৃতি বিশ্ববাসীকে ভাষার মর্যাদা রক্ষায় সচেতন করে তোলে।
১৩
১৮ মন্তব্য