যেসব প্রাণীর জিনোমে কৃত্রিম উপায়ে অন্য প্রজাতি থেকে কাঙ্ক্ষিত জিন (Foreign gene বা Transgene) প্রবেশ করিয়ে তাদের ডিএনএ গঠন পরিবর্তিত ও উন্নত করা হয়, তাদের ট্রান্সজেনিক প্রাণী (Transgenic Animals) বলে । এই জিনগত পরিবর্তনের ফলে প্রাণীরা নতুন কোনো বৈশিষ্ট্য প্রদর্শন করে, যা গবেষণা, রোগ প্রতিরোধ বা ঔষধি প্রোটিন উৎপাদনের কাজে লাগে । সাধারণত নিষিক্ত ডিম্বাণুতে ডিএনএ মাইক্রোইনজেকশনের মাধ্যমে এগুলো তৈরি করা হয় ।
ট্রান্সজেনিক প্রাণীর প্রধান বৈশিষ্ট্য ও উদাহরণ:
- জিনগত পরিবর্তন: এদের কোষে ভিনদেশী ডিএনএ স্থায়ীভাবে সংযুক্ত থাকে।
- বংশানুক্রমিক: এই নতুন বৈশিষ্ট্যগুলো পরবর্তী বংশধরেও স্থানান্তরিত হয়।
- উদাহরণ: ট্রান্সজেনিক ইঁদুর (গবেষণায় সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত), উন্নত দুধ উৎপাদনকারী গরু, রোগ প্রতিরোধী শূকর, এবং মানুষের প্রোটিন উৎপাদনকারী ভেড়া বা মুরগি।
- উদ্দেশ্য: মূলত চিকিৎসাবিজ্ঞান, কৃষি ও গবেষণার জন্য নির্দিষ্ট গুণসম্পন্ন প্রাণী তৈরির লক্ষ্যে এই প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়।
১
১ মন্তব্য