প্রধান শিক্ষক
২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০৯:০৮ অপরাহ্ণ
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় বাংলাদেশ কতটা প্রস্তুত?
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় বাংলাদেশ কতটা প্রস্তুত?
- জান্নাতুল তানভী
- Role,বিবিসি নিউজ বাংলা
- ৬ জুলাই ২০২৫
- পড়ার সময়: ৭ মিনিট
গত বছর অগাস্টে যখন বাংলাদেশের আটটি জেলায় বন্যা হয়, তখন তিন বা চার বছর বয়সী এক শিশুর প্রায় কাঁধ পর্যন্ত বন্যার পানিতে ডুবে থাকার সাদা - কালো একটি ছবি তোলপাড় তোলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। এই ছবিটি ফেসবুকে শেয়ার করেছিলেন আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল ও নায়িকা পরিমনিও।
আবার অনেকেই ফেসবুকে শিশুটির পরিচয় ও সন্ধান জানতে চায়। কিন্তু পরে দেখা গেল সাড়া জাগানো ওই ছবিটি আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এ আই) বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে তৈরি করা। বন্যায় মানুষের মানবেতর জীবন - যাপনের এমন সময়ে ভীত - সন্ত্রস্ত শিশুর ওই ছবি মানুষের হৃদয়ে নাড়া দিয়েছিল, অথচ সেটি আসল ছবি ছিলো না। শুধু বাংলাদেশই নয় বরং বিশ্বের প্রায় সব দেশেই এআই প্রযুক্তির প্রসারের সাথে সাথে এর ব্যবহার ও অপব্যবহার দুইই বাড়ছে। বিশ্বের অনেক দেশেই এই প্রযুক্তির অপব্যবহার রোধে বিভিন্ন আইনি কাঠামো রয়েছে। দেশগুলোর পূর্ণাঙ্গ আইন, এক্সিকিউটিভ আদেশ, নীতিমালা, পলিসি বা স্ট্রাটেজি, বিল এমন নানা ধরনের আইনি পরিকাঠামো রয়েছে। ফলে সেসব দেশে এআই বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে কোন ছবি, ভিডিও বা কনটেন্ট তৈরির সীমা যেমন রয়েছে তেমনি অপব্যবহার রোধের ব্যবস্থাও রয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহারের সীমা বা অপব্যবহার রোধে এখনও আইনি কোনও কাঠামো নেই। অর্থাৎ কোনও সমন্বিত গাইডলাইন বা বিধিমালা, পলিসি বা নীতিমালা এমনকি স্ট্র্যাটেজিও নেই বাংলাদেশে।
১
১ মন্তব্য