সহকারী শিক্ষক
০৩ মার্চ, ২০২৬ ১১:৪৬ পূর্বাহ্ণ
বয়সন্ধিকালে সুস্থ থাকা
***** বয়সন্ধিকাল , সবার জীবনেই এক গুরুত্বপূর্ণ সময়। *****
বয়সন্ধিকালে (১০-১৯ বছর) শারীরিক ও মানসিক পরিবর্তনের সাথে খাপ খাওয়াতে কিশোর-কিশোরীদের সুষম পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ, দৈনিক অন্তত ১ ঘণ্টা ব্যায়াম বা খেলাধুলা, ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং পর্যাপ্ত ঘুমানো প্রয়োজন। মানসিক স্বাস্থ্যের যত্নে আবেগ নিয়ন্ত্রণ, গঠনমূলক শখ, এবং বাবা-মা বা বিশ্বস্ত কারো সাথে খোলাখুলি কথা বলা জরুরি ।
বিস্তারিত করণীয়গুলো নিচে দেওয়া হলো:
শারীরিক স্বাস্থ্য ও পুষ্টি:
শরীর দ্রুত বৃদ্ধি পায় বলে আয়রন, ক্যালসিয়াম ও ভিটামিনযুক্ত সুষম খাবার খেতে হবে।
মেয়েদের ঋতুস্রাব বা মাসিক স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতন থাকতে হবে এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন প্যাড বা কাপড় ব্যবহার করতে হবে।
নিয়মিত ব্যায়াম, দৌড়ঝাঁপ, সাঁতার বা খেলাধুলা করতে হবে ।
দৈনিক অন্তত ৮-১০ ঘণ্টা পরিমিত ঘুম নিশ্চিত করতে হবে ।
মানসিক ও আবেগীয় স্বাস্থ্য:
হরমোনের প্রভাবে মেজাজ খিটখিটে হওয়া স্বাভাবিক, তাই আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে হবে এবং প্রয়োজনে বড়দের সাথে কথা বলতে হবে ।
পড়াশোনার পাশাপাশি সৃজনশীল কাজে (যেমন- আঁকা, গান, খেলাধুলা) সময় দিতে হবে।
নেতিবাচক চিন্তা থেকে দূরে থাকতে হবে এবং আত্মবিশ্বাস বাড়াতে হবে ।
ব্যক্তিগত আচরণ ও সতর্কতা:
বয়সন্ধিকালের শারীরিক ও মানসিক পরিবর্তন স্বাভাবিক, তাই কুসংস্কার বা ভয়ে আতঙ্কিত না হয়ে সঠিক তথ্য জানতে হবে।
শরীরের গঠন ও চেহারা নিয়ে অযথা সচেতন না হয়ে স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনে মনোযোগ দিতে হবে।
ধূমপান, মাদক বা ক্ষতিকর সঙ্গী থেকে দূরে থাকতে হবে।
সামাজিক ও অন্যান্য:
সৎ বন্ধু তৈরি করতে হবে এবং বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে হবে।
পারিবারিক ও সামাজিক রীতিনীতির প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে হবে।
যেকোনো সমস্যায় বাবা-মা, শিক্ষক বা বড় ভাই-বোনের সাথে পরামর্শ করতে হবে।
১৩
১৯ মন্তব্য