Loading..

ব্লগ

রিসেট

০৯ মার্চ, ২০২৬ ০৮:১৮ পূর্বাহ্ণ

সংখ্যা পদ্ধতি (Number System)

নির্দিষ্ট প্রতীক বা চিহ্ন ব্যবহার করে সংখ্যা প্রকাশ ও গণনার পদ্ধতিই হলো সংখ্যা পদ্ধতি (Number System)। এর প্রধান ভিত্তি হলো 'বেস' (Base) বা ভিত্তি, যা নির্দেশ করে ওই পদ্ধতিতে কয়টি অংক ব্যবহৃত হবে। সংখ্যা পদ্ধতি প্রধানত দুই প্রকার: পজিশনাল (স্থানিক) ও নন-পজিশনাল (অস্থানিক)। বর্তমানে পজিশনাল পদ্ধতি—ডেসিমাল, বাইনারি, অক্টাল ও হেক্সাডেসিমাল—বেশি ব্যবহৃত হয়। 
সংখ্যা পদ্ধতির বিস্তারিত ধরনসমূহ:
ডেসিমাল বা দশমিক পদ্ধতি (Decimal System): এতে ১০টি অংক (০-৯) ব্যবহৃত হয় এবং এর বেস বা ভিত্তি ১০। মানুষের দৈনন্দিন গণনায় এটি বহুল ব্যবহৃত।
বাইনারি বা দ্বিমিক পদ্ধতি (Binary System): কম্পিউটার বা ডিজিটাল যন্ত্রে ব্যবহৃত এই পদ্ধতিতে মাত্র দুইটি অংক—০ (off) ও ১ (on)—ব্যবহৃত হয়। এর বেস বা ভিত্তি ২।
অক্টাল বা অষ্টাঙ্গিক পদ্ধতি (Octal System): এই পদ্ধতিতে ০ থেকে ৭ পর্যন্ত মোট ৮টি অংক ব্যবহৃত হয়। এর বেস বা ভিত্তি হলো ৮।
হেক্সাডেসিমাল বা ষোড়শিক পদ্ধতি (Hexadecimal System): ১৬-ভিত্তিক এই পদ্ধতিতে ০-৯ অংক এবং A-F পর্যন্ত বর্ণ ব্যবহৃত হয় [১৩]। কম্পিউটার মেমোরি অ্যাড্রেস ও রঙের কোড প্রকাশে এটি ব্যবহৃত হয়। 
পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতির বৈশিষ্ট্য:
১. অংকগুলোর নির্দিষ্ট স্থানীয় মান থাকে (যেমন- একক, দশক, শতক)।
২. বেস বা ভিত্তি থাকে।
৩. রেডিক্স পয়েন্ট বা দশমিক বিন্দু ব্যবহৃত হয়। 
এই পদ্ধতিগুলো গাণিতিক হিসাব, কম্পিউটার বিজ্ঞান, ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্স এবং প্রকৌশল খাতে তথ্য সংরক্ষণের জন্য অপরিহার্য।

মন্তব্য করুন