প্রভাষক
২৩ মার্চ, ২০২৬ ০৮:১৪ পূর্বাহ্ণ
ক্লাউড কম্পিউটিং (Cloud Computing)
ক্লাউড কম্পিউটিং হলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে কম্পিউটার সেবা—যেমন সার্ভার, স্টোরেজ, ডাটাবেস, সফটওয়্যার ইত্যাদি—চাহিদা অনুযায়ী ব্যবহার করার প্রযুক্তি। এর ফলে নিজস্ব হার্ডওয়্যার বা সফটওয়্যার না কিনেও দূরবর্তী সার্ভারে ডেটা সংরক্ষণ ও পরিচালনা করা যায়, যা খরচ ও রক্ষণাবেক্ষণ কমায় ।গুগল ড্রাইভ বা ড্রপবক্স এর জনপ্রিয় উদাহরণ।
ক্লাউড কম্পিউটিং-এর মূল বিষয়সমূহ:
• ইন্টারনেট নির্ভরতা: এটি ইন্টারনেটের মাধ্যমে পরিচালিত হয়।
• চাহিদা অনুযায়ী সেবা (On-demand): প্রয়োজন অনুযায়ী যখন ইচ্ছা রিসোর্স ব্যবহার করা যায় ।
• পেমেন্ট: যতটুকু ব্যবহার করবেন, ঠিক ততটুকুর জন্যই মূল্য পরিশোধ করতে হবে।
• সহজলভ্যতা: বিশ্বের যেকোনো স্থান থেকে, যেকোনো ডিভাইস ব্যবহার করে ডেটা এক্সেস করা যায় ।
ক্লাউড কম্পিউটিং-এর প্রধান সেবাসমূহ (Types):
1. IaaS (Infrastructure as a Service): ভার্চুয়াল মেশিন বা স্টোরেজ ভাড়া নেওয়া (যেমন- AWS, Azure)।
2. PaaS (Platform as a Service): অ্যাপ্লিকেশন তৈরি ও টেস্ট করার প্ল্যাটফর্ম।
3. SaaS (Software as a Service): ইন্টারনেটের মাধ্যমে সরাসরি সফটওয়্যার ব্যবহার করা (যেমন- জিমেইল, ড্রপবক্স)।
সুবিধাসমূহ:
• কম খরচ: হার্ডওয়্যার কেনার প্রয়োজন নেই।
• উচ্চ নিরাপত্তা: তথ্য হারানোর ঝুঁকি কম।
• সহজ স্কেলেবিলিটি: প্রয়োজন অনুযায়ী স্টোরেজ বা পাওয়ার বাড়ানো বা কমানো যায় ।
ব্যবহারের উদাহরণ:
গুগল ড্রাইভ বা ড্রপবক্সে ফাইল ব্যাকআপ রাখা, Netflix দেখা, বা Google Docs এ একসাথে কাজ করা সবই ক্লাউড কম্পিউটিং-এর উদাহরণ।
৫৩
৯১ মন্তব্য