Loading..

ব্লগ

রিসেট

২৮ মার্চ, ২০২৬ ১১:৫৯ অপরাহ্ণ

উপনির্বাচনে শিক্ষক-কর্মকর্তাদের জন্য কঠোর নির্দেশনা

উপনির্বাচনে শিক্ষক-কর্মকর্তাদের জন্য কঠোর নির্দেশনা

সম্প্রতি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক পরিপত্রে জানানো হয়, ৯ এপ্রিল (বৃহস্পতিবার) অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ৪১ বগুড়া-৬ এবং ১৪৫ শেরপুর-৩ নির্বাচনি এলাকার নির্বাচন পরিচালনা ও সম্পাদনের দায়িত্বে নিয়োজিত সব কর্মকর্তা, কর্মচারীকে সততা, নিষ্ঠা ও নিরপেক্ষতার সঙ্গে নির্বাচনি দায়িত্ব পালন করতে এবং এই দায়িত্ব পালনে কোনোরূপ শৈথিল্য প্রদর্শন না করার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সহযোগিতা দেয়ার জন্য অনুরোধ করেছে।

#মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ #উপনির্বাচন #শিক্ষক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বগুড়া-৬ ও শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচন সামনে রেখে নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সব শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীকে নির্বাচন কর্মকর্তা (বিশেষ বিধান) আইন কঠোরভাবে অনুসরণের নির্দেশ দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। একই সঙ্গে দায়িত্ব পালনে কোনো ধরনের শৈথিল্য না দেখানোর বিষয়ে সবাইকে সহযোগিতা করতে হবে। এমন অসদাচরণের অভিযোগে সংশ্লিষ্ট নির্বাচন কর্মকর্তা শিক্ষকদের অভিযুক্ত করা হবে এবং তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়। সম্প্রতি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক পরিপত্রে জানানো হয়, ৯ এপ্রিল (বৃহস্পতিবার) অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ৪১ বগুড়া-৬ এবং ১৪৫ শেরপুর-৩ নির্বাচনি এলাকার নির্বাচন পরিচালনা ও সম্পাদনের দায়িত্বে নিয়োজিত সব কর্মকর্তা, কর্মচারীকে সততা, নিষ্ঠা ও নিরপেক্ষতার সঙ্গে নির্বাচনি দায়িত্ব পালন করতে এবং এই দায়িত্ব পালনে কোনোরূপ শৈথিল্য প্রদর্শন না করার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সহযোগিতা দেয়ার জন্য অনুরোধ করেছে। নির্বাচন কর্মকর্তাদের শৃঙ্খলা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য নির্বাচন কর্মকর্তা (বিশেষ বিধান) আইন, ১৯৯১-এর বিধানাবলির প্রতি সংশ্লিষ্ট সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করা যাচ্ছে। এই আইনের ৪ ধারায় নির্বাচন কর্মকর্তার চাকরি এবং ৫ ধারায় শৃঙ্খলামূলক বিধানাবলি বিধৃত রয়েছে। নির্বাচন সংক্রান্ত কোনো দায়িত্ব-সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিক্ষক বা অন্য যেকোনো ব্যক্তি নির্বাচন কর্মকর্তা (বিশেষ বিধান) আইন, ১৯৯১-এর ২(ঘ) ধারায় বর্ণিত সংজ্ঞা অনুযায়ী নির্বাচন কর্মকর্তা হিসেবে গণ্য হবেন এবং তিনি এই দায়িত্ব পালনের জন্য নির্বাচন কমিশনের কাছে দায়ী থাকবেন। এমন দায়িত্ব ও কর্তব্যে নিযুক্তির জন্য নির্বাচন কর্মকর্তা হিসেবে কোনো আনুষ্ঠানিক নিয়োগপত্র নাও থাকতে পারে। নির্বাচন কমিশন কোনো সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও আধাস্বায়ত্তশাসিত অফিস, প্রতিষ্ঠানএমনকি বেসরকারি অফিস, প্রতিষ্ঠানের কাছে লিখিতভাবে কোনো তথ্য সরবরাহ, কর্মসম্পাদন ইত্যাদির জন্য কোনো নির্দেশ দিলেই সেই অফিস, প্রতিষ্ঠান প্রধান ও অন্যান্য কর্মকর্তা, কর্মচারী (যারা সংশ্লিষ্ট তথ্য দেয়া ও কর্মসম্পাদনের দায়িত্বে নিয়োজিত) নির্বাচন সংক্রান্ত দায়িত্বে নিযুক্ত হয়েছেন বলে গণ্য হবেন। নির্বাচন সংক্রান্ত কোনো দায়িত্ব পালনে অনীহা, অসহযোগিতা, শৈথিল্য বা ভুল তথ্য দেয়া ইত্যাদির জন্য অসদাচরণের অভিযোগে সংশ্লিষ্ট নির্বাচন কর্মকর্তাকে অভিযুক্ত করা যাবে এবং শৃঙ্খলামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এমন পরিস্থিতিতে সব মন্ত্রণালয়, বিভাগ এবং সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধাস্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি অফিস, প্রতিষ্ঠান, সংস্থার কর্মকর্তা, কর্মচারী, শিক্ষককে সংশ্লিষ্ট আইনের বিধান সম্পর্কে সজাগ থেকে অর্পিত নির্বাচনি দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের জন্য অনুরোধ করা হলো।


মন্তব্য করুন