প্রভাষক
৩০ মার্চ, ২০২৬ ১০:৪১ পূর্বাহ্ণ
বাংলাদেশের স্বাধীনতা
বাংলাদেশের স্বাধীনতা ১৯৭১ সালে ৯ মাসের এক রক্তক্ষয়ী সশস্ত্র সংগ্রামের মাধ্যমে অর্জিত হয়েছিল। এর মূল ভিত্তি ছিল বাঙালির আত্মনিয়ন্ত্রণাধিকার ও গণতান্ত্রিক ম্যান্ডেট, যা ১৯৭০ সালের নির্বাচনে জয়লাভের পরও তৎকালীন পাকিস্তান সরকার মেনে নেয়নি।
স্বাধীনতার মূল পর্যায়গুলো:
ঘোষণা (২৬ মার্চ): ২৫শে মার্চ রাতে পাকিস্তানি বাহিনীর 'অপারেশন সার্চলাইট' নামক গণহত্যার প্রেক্ষাপটে, ২৬শে মার্চ কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে মেজর জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করেন।
যুদ্ধ পরিচালনা: ১০ই এপ্রিল অস্থায়ী সরকার গঠিত হয় এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি করা হয়। এম এ জি ওসমানীর নেতৃত্বে মুক্তিবাহিনী ও সাধারণ জনগণ ৯ মাস গেরিলা ও সম্মুখ যুদ্ধে অংশ নেয়।
বিজয় (১৬ ডিসেম্বর): ১৬ই ডিসেম্বর রেসকোর্স ময়দানে পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পণের মাধ্যমে বাংলাদেশ একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে, যা বর্তমানে বিজয় দিবস হিসেবে পালিত হয়।
সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশে স্বাধীনতার ইতিহাস ও তাৎপর্য নতুন রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে আলোচিত হচ্ছে, বিশেষ করে ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান এবং ২০২৬ সালের সাধারণ নির্বাচনের পর গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও মানবাধিকারের ভিত্তিতে দেশের পুনর্গঠনের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।
৭১
১৪৫ মন্তব্য