ইরান-ইসরায়েল সংঘাতের মূল কারণ ইরানের পারমানবিক কর্মসূচি, আঞ্চলিক আধিপত্য বিস্তার এবং ইসরায়েলকে অস্তিত্বের সংকট হিসেবে বিবেচনা করা। এরই ধারাবাহিকতায় উত্তেজনা বাড়তে বাড়তে ২০২৫-২০২৬ সালের দিকে এই ছায়া যুদ্ধ চূড়ান্ত রূপ নেয়, যার ফলে হাজার হাজার মানুষ নিহত, ব্যাপক অবকাঠামোগত ক্ষতি এবং বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের তৈরি হয়েছে।
যুদ্ধের প্রধান কারণসমূহ:
পারমাণবিক কর্মসূচি: ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করছে বলে ইসরায়েলের আশঙ্কা, যা ঠেকাতে ইসরায়েলের ধারাবাহিক হামলা।
ভূ-রাজনৈতিক আধিপত্য: মধ্যপ্রাচ্যে প্রভাব বিস্তার নিয়ে দুই দেশের দীর্ঘদিনের দ্বন্দ্ব, যেখানে ইরান হিজবুল্লাহ ও হামাসের মতো প্রক্সি গোষ্ঠী ব্যবহার করে।
আদর্শিক বিরোধ: ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর ইরান ইসরায়েলকে অবৈধ রাষ্ট্র মনে করে, অন্যদিকে ইসরায়েল ইরানকে অস্তিত্বের হুমকি মনে করে।
২০২৫-এর 'বারো দিনের যুদ্ধ': পারমাণবিক চুক্তির অকার্যকারিতা এবং পারস্পরিক হামলার প্রতিক্রিয়ায় সরাসরি সামরিক সংঘাত।
যুদ্ধের ফলাফল ও প্রভাব:
ব্যাপক প্রাণহানি ও বাস্তুচ্যুতি: হাজার হাজার মানুষ নিহত এবং লাখ লাখ মানুষ ঘরছাড়া, বিশেষ করে লেবানন ও ইরানে।
অবকাঠামোগত ধ্বংস: ইরানের পারমাণবিক স্থাপনা (নাতানজ, ফোরদৌ), সামরিক ঘাঁটি এবং বেসামরিক ঘরবাড়িতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি।
ইরানের রাজনৈতিক অস্থিরতা: সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনেইয়ের মত ব্যক্তিদের মৃত্যু এবং নেতৃত্ব সংকট ।
অর্থনৈতিক অস্থিরতা: হরমুজ প্রণালী বন্ধ হওয়ার উপক্রম হওয়ায় বিশ্বজুড়ে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি এবং ইসরায়েলের প্রযুক্তি খাতে কর্মী সংকট।
আন্তর্জাতিক মেরুকরণ: যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমা দেশগুলোর ইসরায়েলকে সমর্থন এবং যুক্তরাষ্ট্রের সরাসরি যুদ্ধে অংশগ্রহনের ফলে নতুন রাজনৈতিক মেরুকরণ তৈরি হয়েছে।
অনতিবিলম্বে এই যুদ্ধ বন্ধ হোক।আমরা একটি মানবিক পৃথিবীতে বসবাস করতে চাই।
৩
৩ মন্তব্য