ওযু কেবল ইবাদতের পূর্বশর্ত বা বাহ্যিক পবিত্রতা নয়, এটি আধ্যাত্মিক মুক্তি, গুনাহ মাফ এবং পরকালে মুক্তির এক অন্যতম উপায়。হাদীসের আলোকে ওযুর প্রধান ফজিলত ও উপকারিতাগুলো নিচে দেওয়া হলো:
- গুনাহ মোচন: ওযুর পানির ফোটার সাথে সাথে বান্দার গুনাহ ঝরে যায়。হাদীসে বর্ণিত আছে, ওযু করে মুখমণ্ডল ধোয়ার সময় চোখের, হাত ধোয়ার সময় হাতের এবং পা ধোয়ার সময় পায়ের গুনাহ (সগীরা গুনাহ) ঝরে যায়。 এমনকি নখের নিচ থেকেও গুনাহ বের হয়ে যায়।
- মর্যাদা বৃদ্ধি: কষ্ট ও অসুবিধা সত্ত্বেও পরিপূর্ণরূপে ওযু করলে আল্লাহ বান্দার মর্যাদা বৃদ্ধি করেন এবং পাপরাশি দূর করে দেন।
- কিয়ামতের দিবসে উজ্জ্বলতা: কিয়ামতের ময়দানে ওযুর বদৌলতে মুমিনদের হাত, পা ও মুখমণ্ডলের স্থানগুলো উজ্জ্বল নূরের মতো ঝলমল করতে থাকবে。 এই চিহ্নের মাধ্যমেই প্রিয় নবী (সা.) তাঁর উম্মতকে চিনতে পারবেন।
- জান্নাতের পথ সুগম: উত্তমরূপে ওযু করার পর কালেমা পাঠ করলে জান্নাতের আটটি দরজাই তার জন্য খুলে দেওয়া হয় এবং সে যেকোনো দরজা দিয়ে ইচ্ছা প্রবেশ করতে পারে।
- শয়তানের প্রভাব থেকে মুক্তি: ওযু অবস্থায় থাকলে মানুষ শয়তানের ধোঁকা ও কুমন্ত্রণা থেকে নিরাপদে থাকে।
৫৩
৯২ মন্তব্য