Loading..

ব্লগ

রিসেট

০৮ জুন, ২০২৬ ০২:১২ পূর্বাহ্ণ

শিষ্যের সাধনা গল্পটির মূল বিষয়বস্তু
                                                                                 শিষ্যের সাধনা গল্পটির মূল বিষয়বস্তু
একলব্য গুরু দ্রোণাচার্যের শিষ্য হওয়ার প্রবল ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও যখন সরাসরি তাঁর শিষ্যত্ব পাননি, কারণ দ্রোণ শুধু,মাত্র রাজপুত্রদেরকে শেখান। তারপর থেকে সে নিজেই মনে মনে দ্রোণকে  গুরু মেনে একনিষ্ঠভাবে ধনুর্বিদ্যা চর্চা করে। বিনা শিক্ষকের সাহায্যে, কেবল নিজের সাধনা ও একাগ্রতার জোরে একলব্য একসময় অসাধারণ ধনুর্বিদ হন। দ্রোণ একদিন তাঁর তিন দক্ষ শিষ্যকে নিয়ে তির চালনা পরীক্ষা করার জন্য বনে নিয়ে গেলেন তাদের সাথে ছিল একটি কুকুর। তখন একলব্যও বনে সাধনা করছিল। কুকুরের চিৎকারে একলব্যের ব্যাঘাত ঘটেছে তাই সে কুকুরের মুখে এমনভাবে পাঁচটি তির মেরেছে যাতে কুকুর ব্যাথা না পায় কিন্তু চিৎকার বন্ধ হয়ে যাবে। এদিকে তৃতীয় রাজপুত্র কুকুরটিকে দেখতে না পেয়ে খুঁজতে গিয়ে এ অবস্থায় পেল। পরে অনুসন্ধান করতে লাগল এমন পারদর্শী  তিরন্দাজ কে? অবশেষে একলব্যকে খুঁজে পাওয়া গেলো এবং জানতে চেয়েছে কোন গুরু থেকে সে এতো পারদর্শীতা অর্জন করেছে?  সে উত্তর দিলো ‘গুরু দ্রোণের কাছে।’এবার তৃতীয় রাজপুত্রের রাগ হলো গুরু তাঁদের এ বিদ্যা শেখাননি। সে দ্রোনের কাছে রেগেমেগে গেলো। রাগের কারণ গুরু জানতে চাইলেন। রাজপুত্র কুকুরটাকে দেখিয়ে বললেন এ বিদ্যা আমাদেরকে শেখাননি কেন? গুরু আশ্চর্য হয়ে বললেন এ বিদ্যা আমি নিজেও জানি না। তৃতীয় রাজপুত্র এবার গুরুকে একলব্যের কাছে নিয়ে গেলেন। একলব্য দ্রোণকে দেখামাত্র তিরধনুক ফেলে দ্রোণের পায়ের ধুলা নিলো এবং বলল আমি একলব্য আপনার শিষ্য। নাম শুনে গুরুর মনে পড়ে গেলো আগের কথা। তিনি বললেন আমিতো তোমাকে ফিরিয়ে দিয়েছিলাম। যুবকটি বলল দিন থেকে আমি আপনাকে গুরু হিসেবেই জানি। নিবিড় অনুশীলন তাকে সেরা তিরন্দাজ বানিয়ে দিল।  গল্প থেকে আমরা শিখি যে, প্রবল ইচ্ছা এবং কঠোর পরিশ্রম থাকলে যেকোনো কঠিন কাজও জয় করা সম্ভব। শেখাননি।  
মন্তব্য করুন

ব্লগ