Loading..

ব্লগ

রিসেট

১১ জুন, ২০২৬ ০৬:০৩ অপরাহ্ণ

স্বামী-স্ত্রীর পারস্পরিক অধিকার ও কর্তব্য - মোঃ মুজিবুর রহমান

স্বামী-স্ত্রীর পারস্পরিক অধিকার কর্তব্য

মোঃ মুজিবুর রহমান

সহকারী অধ্যাপক

মোজাদ্দেদীয়া ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসা,কালিয়াকৈর, গাজীপুর।

আল্লাহর নামে শুরু করি হৃদয় ছোঁয়া বাণী,

সংসার নামে গড়ে ওঠে জীবনের একখানি।

দুটো প্রাণের মিলন যেখানে ভালোবাসার সেতু,

দ্বীনের পথে চলার জন্য বাঁধা হয় পবিত্র রীতু।

আল্লাহ তাআলা সৃষ্টি করে যুগল জীবনের ধারা,

স্বামী-স্ত্রী একে অপরের শান্তি, সুখের সাড়া।

একজন ছাড়া অন্যজনের জীবন থাকে অপূর্ণ,

পরস্পরের ভালোবাসায় হৃদয় হয় সম্পূর্ণ।

বিবাহ কোনো চুক্তি শুধু নয় দুনিয়ার রীতি,

এটি রবের মহা নেয়ামত, রহমতেরই স্মৃতি।

যেখানে থাকে ভালোবাসা, দয়া আর সম্মান,

সেখানে নেমে আসে সুখের অফুরন্ত বরকত দান।

স্বামী যেমন স্ত্রীর জন্য আশ্রয়ের প্রাচীর,

স্ত্রীও তেমনি স্বামীর জীবনে প্রশান্তির নীড়।

একজন অন্যজনের পোশাক কুরআনের ভাষায়,

লজ্জা ঢাকে, দোষ গোপন রাখে ভালোবাসার ছায়ায়।

স্বামীর রয়েছে দায়িত্ব বহু স্ত্রীর অধিকারে,

খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান দিতে হবে আন্তরিকতার দ্বারে।

সামর্থ্য অনুযায়ী ভরণপোষণ করবে সদা,

অবহেলা বা কৃপণতায় করবে না হৃদয় ক্ষতবিদ্ধ।

স্ত্রীর সাথে সদাচরণ হবে তার জীবনের রীতি,

কঠোরতা নয়, কোমলতায় ফুটবে মধুর প্রীতি।

হাসিমুখে কথা বলবে, রাখবে হৃদয়ের মান,

সুন্দর আচরণেই ফুটে মুমিন হওয়ার প্রমাণ।

রাগের বশে কটু বাক্য নয়, নয় কোনো অবিচার,

ন্যায়ের পথে চলাই হবে একজন মুমিনের অঙ্গীকার।

দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে করবে না নির্যাতন,

বরং ভালোবাসায় গড়বে শান্তিময় বন্ধন।

স্ত্রীরও রয়েছে দায়িত্ব দ্বীনের বিধান মতে,

স্বামীর প্রতি আনুগত্য করবে শরীয়তের পথে।

যেখানে নেই রবের নাফরমানি কিংবা অন্যায়,

সেখানে স্বামীর নির্দেশ মানাই উত্তম উপায়।

অহংকার বা অবাধ্যতায় ভাঙবে না সংসার,

সম্মান দিয়ে রক্ষা করবে ভালোবাসার দ্বার।

বিনয়ের আলো ছড়িয়ে দেবে সংসারের প্রতিক্ষণ,

যাতে ঘরটি হয়ে ওঠে জান্নাতেরই উদ্যান।

স্বামী যখন বাইরে থাকে জীবিকার সন্ধানে,

স্ত্রী তখন বিশ্বস্ত থাকে সততার ঠিকানায়।

নিজের সতীত্ব রক্ষা করে সম্মানের প্রহরী,

পবিত্রতার দীপ জ্বালিয়ে রাখে নিরন্তর জারি।

স্বামীর ধন-সম্পদ রক্ষা করে আমানতের মতো,

অযথা অপচয় না করে চলে হিসাবের পথে যত।

গোপন কথা গোপন রাখে, ভাঙে না বিশ্বাস,

এভাবেই দৃঢ় হয় সংসারের শুভ সুবাস।

সংসারের কাজকর্মে থাকে দায়িত্বশীল মন,

অলসতা নয়, যত্নে গড়ে সুখের আয়োজন।

সন্তানদের শিক্ষা দেয় আদব আর দ্বীন,

মায়ের হাতে গড়ে ওঠে ভবিষ্যতের মুমিন।

স্বামীর অনুমতি ছাড়া ঘরে আনে না তাকে,

যাকে নিয়ে স্বামী অস্বস্তি অনুভব করে মনে।

পরিবারের মর্যাদা রক্ষায় থাকে সদা সচেতন,

এভাবেই গড়ে ওঠে সৌহার্দ্যের বন্ধন।

তবে শুধু স্ত্রীর উপর নয় দায়িত্বের ভার,

স্বামীরও আছে কর্তব্য অসংখ্য অপরিসীম আর।

পরামর্শে শুনবে স্ত্রীর কথা, দেবে তার মূল্য,

পারস্পরিক শ্রদ্ধা ছাড়া সংসার থাকে শূন্য।

দাম্পত্য জীবনের মূল ভিত্তি বিশ্বাস আর ভরসা,

সন্দেহের আগুন জ্বাললে মুছে যায় সব আশা।

তাই উভয়ে রক্ষা করবে হৃদয়ের পবিত্রতা,

বিশ্বস্ততার মাঝেই লুকায় সম্পর্কের সফলতা।

খিয়ানত কখনো নয় মুমিনের পরিচয়,

গোপনে প্রতারণা করা বড়ই লজ্জার বিষয়।

স্বামী-স্ত্রী উভয়ে হবে আমানতের পাহারাদার,

তবেই তাদের সম্পর্ক হবে দৃঢ় অটল ভিত্তির।

কখনো যদি আসে জীবনে দুঃখের কালো মেঘ,

একজন অন্যজনকে দেবে সাহসেরই রেশ।

অভাব এলে ধৈর্য ধরবে, সুখে করবে শুকরিয়া,

এভাবেই সংসার ভরে ওঠে রহমতেরই দিয়া।

কুরআন বলে নারীদের যেমন রয়েছে অধিকার,

তেমনি তাদের উপরও রয়েছে দায়িত্বের ভার।

অধিকার আর কর্তব্য যখন চলে পাশাপাশি,

তখনই সুখের আলো জ্বলে প্রতিটি ঘরের বাতি।

সংসার কোনো প্রতিযোগিতা নয় জয়ের মঞ্চখানি,

এটি পরস্পরের সহযোগিতার মহামূল্য বাণী।

কে বড়, কে ছোটএই হিসাব নয় প্রয়োজন,

একসাথে চলাই হলো সফলতার কারণ।

স্বামী যদি ক্লান্ত হয়ে ফেরে দিনের শেষে,

স্ত্রী তার হৃদয় জুড়ায় মমতার পরশে।

স্ত্রী যদি দুঃখ পায় জীবনের কোনো ক্ষণে,

স্বামী তার পাশে দাঁড়ায় ভালোবাসার সনে।

একজন অন্যজনের শক্তি, একজন অন্যজনের ঢাল,

দুঃখের দিনে সঙ্গী হয়ে কাটায় সকল জ্বাল।

পরিপূরক হয়ে চলে তারা জীবনের প্রতিক্ষণ,

এভাবেই পূর্ণতা পায় দাম্পত্যের বন্ধন।

ঘরে যদি থাকে ঈমান, তাকওয়া আর আদব,

সেখানে নেমে আসে রবের অশেষ রহমত।

সন্তান দেখে শেখে তখন ভালোবাসার পাঠ,

সুন্দর পরিবার গড়ে উঠে দৃঢ় হয় সমাজের ঘাট।

স্বামী-স্ত্রীর এই সম্পর্ক নয় কেবল ক্ষণিকের,

এটি জান্নাতের পথেরও একটি পবিত্র সেতুর।

দ্বীনের আলোয় চললে তারা হাতে হাত রেখে,

রবের সন্তুষ্টি খুঁজে নেয় জীবনের প্রতিক্ষণে।

হে আল্লাহ! দাও আমাদের এমন ঘর পরিবার,

যেখানে থাকবে ঈমান, ভালোবাসা অপরিসীম আর।

স্বামী-স্ত্রী উভয়কে দাও দায়িত্ব পালনের তাওফীক,

বিশ্বস্ততা, দয়া আর ন্যায় হোক জীবনের সাথীক।

ভালোবাসা হোক ইবাদত, আনুগত্য হোক দ্বীনের তরে,

সহযোগিতা আর মমতা ফুটুক সংসারের ঘরে ঘরে।

কুরআন-সুন্নাহর আলোয় চলুক জীবনের পথচলা,

এভাবেই সফল হোক দাম্পত্য, পূর্ণ হোক সব আশা-ভরা।

 

 

 

 

***

স্বামী-স্ত্রীর পারস্পরিক অধিকার কর্তব্য

আল্লাহর নামে শুরু করি হৃদয় ছোঁয়া বাণী,

সংসার নামে গড়ে ওঠে জীবনের একখানি।

দুটি প্রাণের মিলন যেখানে ভালোবাসার সেতু,

দ্বীনের পথে চলার জন্য বাঁধা হয় পবিত্র রীতু।

আল্লাহ তাআলা সৃষ্টি করে যুগল জীবনের ধারা,

স্বামী-স্ত্রী একে অপরের শান্তি, সুখের সাড়া।

একজন ছাড়া অন্যজনের জীবন থাকে অপূর্ণ,

পরস্পরের ভালোবাসায় হৃদয় হয় সম্পূর্ণ।

বিবাহ কোনো চুক্তি শুধু নয় দুনিয়ার রীতি,

এটি রবের মহা নেয়ামত, রহমতেরই স্মৃতি।

যেখানে থাকে ভালোবাসা, দয়া আর সম্মান,

সেখানে নেমে আসে সুখের অফুরন্ত বরকত দান।

স্বামী যেমন স্ত্রীর জন্য আশ্রয়ের প্রাচীর,

স্ত্রীও তেমনি স্বামীর জীবনে প্রশান্তির নীড়।

একজন অন্যজনের পোশাক কুরআনের ভাষায়,

লজ্জা ঢাকে, দোষ গোপন রাখে ভালোবাসার ছায়ায়।

স্বামীর রয়েছে দায়িত্ব বহু স্ত্রীর অধিকারে,

খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান দিতে হবে আন্তরিকতার দ্বারে।

সামর্থ্য অনুযায়ী ভরণপোষণ করবে সদা,

অবহেলা বা কৃপণতায় করবে না হৃদয় ক্ষতবিদ্ধ।

স্ত্রীর সাথে সদাচরণ হবে তার জীবনের রীতি,

কঠোরতা নয়, কোমলতায় ফুটবে মধুর প্রীতি।

হাসিমুখে কথা বলবে, রাখবে হৃদয়ের মান,

সুন্দর আচরণেই ফুটে মুমিন হওয়ার প্রমাণ।

রাগের বশে কটু বাক্য নয়, নয় কোনো অবিচার,

ন্যায়ের পথে চলাই হবে একজন মুমিনের অঙ্গীকার।

দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে করবে না নির্যাতন,

বরং ভালোবাসায় গড়বে শান্তিময় বন্ধন।

স্ত্রীরও রয়েছে দায়িত্ব দ্বীনের বিধান মতে,

স্বামীর প্রতি আনুগত্য করবে শরীয়তের পথে।

যেখানে নেই রবের নাফরমানি কিংবা অন্যায়,

সেখানে স্বামীর নির্দেশ মানাই উত্তম উপায়।

অহংকার বা অবাধ্যতায় ভাঙবে না সংসার,

সম্মান দিয়ে রক্ষা করবে ভালোবাসার দ্বার।

বিনয়ের আলো ছড়িয়ে দেবে সংসারের প্রতিক্ষণ,

যাতে ঘরটি হয়ে ওঠে জান্নাতেরই উদ্যান।

স্বামী যখন বাইরে থাকে জীবিকার সন্ধানে,

স্ত্রী তখন বিশ্বস্ত থাকে সততার ঠিকানায়।

নিজের সতীত্ব রক্ষা করে সম্মানের প্রহরী,

পবিত্রতার দীপ জ্বালিয়ে রাখে নিরন্তর জারি।

স্বামীর ধন-সম্পদ রক্ষা করে আমানতের মতো,

অযথা অপচয় না করে চলে হিসাবের পথে যত।

গোপন কথা গোপন রাখে, ভাঙে না বিশ্বাস,

এভাবেই দৃঢ় হয় সংসারের শুভ সুবাস।

সংসারের কাজকর্মে থাকে দায়িত্বশীল মন,

অলসতা নয়, যত্নে গড়ে সুখের আয়োজন।

সন্তানদের শিক্ষা দেয় আদব আর দ্বীন,

মায়ের হাতে গড়ে ওঠে ভবিষ্যতের মুমিন।

স্বামীর অনুমতি ছাড়া ঘরে আনে না তাকে,

যাকে নিয়ে স্বামী অস্বস্তি অনুভব করে মনে।

পরিবারের মর্যাদা রক্ষায় থাকে সদা সচেতন,

এভাবেই গড়ে ওঠে সৌহার্দ্যের বন্ধন।

তবে শুধু স্ত্রীর উপর নয় দায়িত্বের ভার,

স্বামীরও আছে কর্তব্য অসংখ্য অপরিসীম আর।

পরামর্শে শুনবে স্ত্রীর কথা, দেবে তার মূল্য,

পারস্পরিক শ্রদ্ধা ছাড়া সংসার থাকে শূন্য।

দাম্পত্য জীবনের মূল ভিত্তি বিশ্বাস আর ভরসা,

সন্দেহের আগুন জ্বাললে মুছে যায় সব আশা।

তাই উভয়ে রক্ষা করবে হৃদয়ের পবিত্রতা,

বিশ্বস্ততার মাঝেই লুকায় সম্পর্কের সফলতা।

খিয়ানত কখনো নয় মুমিনের পরিচয়,

গোপনে প্রতারণা করা বড়ই লজ্জার বিষয়।

স্বামী-স্ত্রী উভয়ে হবে আমানতের পাহারাদার,

তবেই তাদের সম্পর্ক হবে দৃঢ় অটল ভিত্তির।

কখনো যদি আসে জীবনে দুঃখের কালো মেঘ,

একজন অন্যজনকে দেবে সাহসেরই রেশ।

অভাব এলে ধৈর্য ধরবে, সুখে করবে শুকরিয়া,

এভাবেই সংসার ভরে ওঠে রহমতেরই দিয়া।

কুরআন বলে নারীদের যেমন রয়েছে অধিকার,

তেমনি তাদের উপরও রয়েছে দায়িত্বের ভার।

অধিকার আর কর্তব্য যখন চলে পাশাপাশি,

তখনই সুখের আলো জ্বলে প্রতিটি ঘরের বাতি।

সংসার কোনো প্রতিযোগিতা নয় জয়ের মঞ্চখানি,

এটি পরস্পরের সহযোগিতার মহামূল্য বাণী।

কে বড়, কে ছোটএই হিসাব নয় প্রয়োজন,

একসাথে চলাই হলো সফলতার কারণ।

স্বামী যদি ক্লান্ত হয়ে ফেরে দিনের শেষে,

স্ত্রী তার হৃদয় জুড়ায় মমতার পরশে।

স্ত্রী যদি দুঃখ পায় জীবনের কোনো ক্ষণে,

স্বামী তার পাশে দাঁড়ায় ভালোবাসার সনে।

একজন অন্যজনের শক্তি, একজন অন্যজনের ঢাল,

দুঃখের দিনে সঙ্গী হয়ে কাটায় সকল জ্বাল।

পরিপূরক হয়ে চলে তারা জীবনের প্রতিক্ষণ,

এভাবেই পূর্ণতা পায় দাম্পত্যের বন্ধন।

ঘরে যদি থাকে ঈমান, তাকওয়া আর আদব,

সেখানে নেমে আসে রবের অশেষ রহমত।

সন্তান দেখে শেখে তখন ভালোবাসার পাঠ,

সুন্দর পরিবার গড়ে উঠে দৃঢ় হয় সমাজের ঘাট।

স্বামী-স্ত্রীর এই সম্পর্ক নয় কেবল ক্ষণিকের,

এটি জান্নাতের পথেরও একটি পবিত্র সেতুর।

দ্বীনের আলোয় চললে তারা হাতে হাত রেখে,

রবের সন্তুষ্টি খুঁজে নেয় জীবনের প্রতিক্ষণে।

হে আল্লাহ! দাও আমাদের এমন ঘর পরিবার,

যেখানে থাকবে ঈমান, ভালোবাসা অপরিসীম আর।

স্বামী-স্ত্রী উভয়কে দাও দায়িত্ব পালনের তাওফীক,

বিশ্বস্ততা, দয়া আর ন্যায় হোক জীবনের সাথীক।

ভালোবাসা হোক ইবাদত, আনুগত্য হোক দ্বীনের তরে,

সহযোগিতা আর মমতা ফুটুক সংসারের ঘরে ঘরে।

কুরআন-সুন্নাহর আলোয় চলুক জীবনের পথচলা,

এভাবেই সফল হোক দাম্পত্য, পূর্ণ হোক সব আশা-ভরা।

স্বামী-স্ত্রীর পারস্পরিক অধিকার কর্তব্য

(কুরআন-সুন্নাহর আলোকে একটি দীর্ঘ কাব্য)

আল্লাহর নামে শুরু করি হৃদয়ছোঁয়া গান,

দাম্পত্য জীবনের কথায় জাগুক ঈমানের প্রাণ।

কুরআনের আলোয় আলোকিত হোক সংসারের পথ,

সুন্নাহর শিক্ষা আঁকড়ে ধরুক মানবজীবনের রথ।

বিবাহ কোনো ক্ষণিক সুখের আয়োজন নয় শুধু,

এটি রবের দান, রহমতের এক মহামূল্য বন্ধু।

দুটি হৃদয়, দুটি প্রাণ, দুটি জীবনের ধারা,

এক সুতোয় বাঁধা পড়ে গড়ে সুখের সংসারখানা।

আল্লাহ বলেন, তোমরা একে অন্যের পোশাক,

লজ্জা ঢাকে, দোষ গোপন রাখে, বাড়ায় ভালোবাসার আভাস।

ঝড় এলে আশ্রয় দেয়, রোদে দেয় ছায়া,

এই সম্পর্কেই লুকিয়ে থাকে জীবনের মায়া।

স্বামী হলো পরিবারের দায়িত্বশীল কর্ণধার,

ন্যায় দয়ার মাধ্যমে চালাবে সংসার।

খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান তার অর্পিত দায়িত্ব,

অবহেলা নয়, ভালোবাসাই হবে তার ব্যক্তিত্ব।

স্ত্রীর প্রতি করবে না কখনো কঠোর আচরণ,

মধুর কথায় ভরিয়ে তুলবে প্রতিটি ক্ষণ।

হাসিমুখে কথা বলা, দুঃখে পাশে থাকা,

এসবই মুমিন স্বামীর উত্তম পরিচয় রাখা।

অবিচার, অপমান, রাগের অগ্নিশিখা,

সংসারের সুখ-শান্তিকে করে দেয় নিঃশেষিকা।

তাই ধৈর্যের পোশাক পরে চলবে প্রতিদিন,

রহমত আর ক্ষমাশীলতায় হবে হৃদয় রঙিন।

স্ত্রীরও রয়েছে দায়িত্ব মহান দ্বীনের বিধানে,

স্বামীর আনুগত্য করা শরীয়তের সীমারেখায় মানে।

যেখানে নেই গুনাহ, নেই রবের অবাধ্যতা,

সেখানে স্বামীর নির্দেশ মানাই ইবাদতের বারতা।

অহংকারের দেয়াল তুলে দূরে ঠেলে না দেবে ভালোবাসা,

বিনয়ের সুবাসে ভরিয়ে তুলবে সংসারের ভাষা।

নম্রতা, শ্রদ্ধা আর সুন্দর ব্যবহারের আলো,

ঘরকে করে জান্নাতের বাগানের মতো ভালো।

স্বামী যখন বাইরে থাকে জীবিকার প্রয়োজনে,

স্ত্রী তখন আমানতদার হয় সততার সিংহাসনে।

নিজের সতীত্ব রক্ষা করে ঈমানের শক্তি নিয়ে,

পবিত্রতার দীপ জ্বালায় রবের ভয়কে বুকে দিয়ে।

সম্মান রক্ষা করে নিজের, রক্ষা করে ঘরের মান,

এভাবেই সে অর্জন করে রবের সন্তোষ দান।

চোখে লজ্জা, অন্তরে তাকওয়া, আচরণে শুদ্ধতা,

এসবই মুমিন নারীর মহিমান্বিত পবিত্রতা।

স্বামীর ধন-সম্পদ থাকে তার কাছে আমানত,

সতর্ক হাতে রক্ষা করে পূরণ করে দায়িত্ব।

অপচয় নয়, অপব্যবহার নয়, নয় কোনো খিয়ানত,

বিশ্বস্ততার সৌন্দর্যে ফুটে ওঠে সত্যিকার মানবতা।

স্বামীর অনুপস্থিতিতে রক্ষা করে সংসার,

যত্নে রাখে প্রতিটি বিষয়, প্রতিটি অধিকার।

অলসতায় নয়, দায়িত্বে রাখে আপন মন,

তাতেই গড়ে ওঠে সুখময় পারিবারিক জীবন।

 

সংসারের কাজে থাকে দায়িত্বশীলতা,

সন্তানদের শেখায় আদব, দ্বীন আর মানবতা।

মায়ের কোলে গড়ে ওঠে আগামী দিনের মানুষ,

সেই শিক্ষায় আলোকিত হয় সমাজের প্রতিটি নিঃশ্বাস।

স্বামীর অনুমতি ছাড়া প্রবেশ করায় না ঘরে,

এমন কাউকে, যাকে স্বামী অপছন্দ করে।

পারিবারিক মর্যাদা রক্ষায় থাকে সদা সচেতন,

এভাবেই সুদৃঢ় হয় ভালোবাসার বন্ধন।

তবে শুধু স্ত্রীর উপর নয় দায়িত্বের ভার,

স্বামীরও রয়েছে কর্তব্য অসংখ্য অপার।

স্ত্রীর মতামত শুনবে সম্মান দিয়ে,

তার অনুভূতির মূল্য দেবে হৃদয় খুলে নিয়ে।

কারণ সংসার চলে না একার সিদ্ধান্তে,

পরামর্শ আর বোঝাপড়াই রাখে সুখের পথে।

যেখানে দুজন মিলে নেয় কল্যাণের সিদ্ধান্ত,

সেখানে বরকত নামে অবারিত অনন্ত।

দাম্পত্য জীবনের মূলভিত্তি বিশ্বাস,

সন্দেহের বিষ ঢুকলে মুছে যায় উচ্ছ্বাস।

তাই পরস্পরের প্রতি থাকবে পূর্ণ আস্থা,

বিশ্বস্ততার পথেই লুকিয়ে সুখের বাস্তবতা।

খিয়ানত মুমিনের গুণ নয় কোনোদিন,

এটি হৃদয়কে করে অন্ধকারে বিলীন।

স্বামী-স্ত্রী উভয়ে হবে আমানতের রক্ষক,

বিশ্বাসের বন্ধনেই থাকবে সম্পর্ক অটুট।

গোপন কথা গোপন রাখা দাম্পত্যের সৌন্দর্য,

একজনের দুর্বলতা অন্যজনের কাছে নয় উপহাসের বিষয়।

বরং আড়াল করে রাখবে ভালোবাসার চাদরে,

এটাই মুমিন জীবনের শিক্ষা প্রতিটি ধারে।

কখনো যদি অভাব আসে জীবনের দুয়ারে,

ধৈর্যের প্রদীপ জ্বলুক বিশ্বাসের মিনারে।

স্বামী-স্ত্রী মিলে তখন করবে রবের স্মরণ,

দুঃখের মাঝেও খুঁজে নেবে কল্যাণের কারণ।

সুখ এলে করবে শুকরিয়া, দুঃখে করবে সবর,

এই পথেই মুমিন খুঁজে পায় সফলতার খবর।

ঝড়-তুফান যতই আসুক সংসারের আঙিনায়,

ঈমান থাকলে শান্তির ফুল ফুটে হৃদয়বীণায়।

কুরআনের বাণী বলে স্পষ্ট ভাষায়,

নারীদের যেমন অধিকার রয়েছে, তেমনি দায়িত্বও রয়েছে তায়।

অধিকার আর কর্তব্য যখন সমানভাবে চলে,

সংসারের সুখ তখন প্রস্ফুটিত ফুলের দলে।

স্বামী নয় শাসক শুধু, স্ত্রী নয় কেবল অনুসারী,

উভয়েই একে অপরের সহযাত্রী, জীবনসাথী।

একজনের ঘাটতি পূরণ করে অন্যজন,

এভাবেই পূর্ণতা পায় দাম্পত্য বন্ধন।

 

স্বামী যদি ক্লান্ত হয়ে ফিরে দিনের শেষে,

স্ত্রী তার মনে শান্তি ঢালে ভালোবাসার পরশে।

স্ত্রী যদি কোনো কষ্টে ভেঙে পড়ে মনে,

স্বামী তার পাশে দাঁড়ায় মমতার সনে।

একজন অন্যজনের শক্তি, একজন অন্যজনের ঢাল,

দুঃখে সান্ত্বনা দেয়, সুখে বাড়ায় উচ্ছ্বাসের জোয়ার।

সহযোগিতা আর সমবেদনার এই যে মহিমা,

তাতেই লুকিয়ে আছে সংসার সুখের সীমা।

ঘরে যদি থাকে কুরআনের শিক্ষা,

সুন্নাহর আলো আর তাকওয়ার দীক্ষা।

তবে সেই ঘর হয়ে ওঠে শান্তির নীড়,

যেখানে রহমতের বৃষ্টি ঝরে নিরবধি ধীর।

সন্তান দেখে শেখে তখন আদর্শ জীবনপথ,

সত্য, ন্যায়, নম্রতা আর দ্বীনের মহারথ।

একটি সুন্দর পরিবার গড়ে একটি সুন্দর সমাজ,

এই শিক্ষাতেই উজ্জ্বল হয় মানবতার সাজ।

দাম্পত্য শুধু দুনিয়ার জন্য নয়,

সম্পর্ক আখিরাতের সফলতারও পরিচয়।

যারা কুরআন-সুন্নাহ মেনে চলেন প্রতিক্ষণ,

তাদের ঘরেই নেমে আসে বরকতের আয়োজন।

হে আল্লাহ! দাও এমন পরিবার, এমন ঘর,

যেখানে ঈমানের আলো থাকবে নিরন্তর।

স্বামী-স্ত্রী উভয়কে দাও হক আদায়ের তাওফীক,

দাও বিশ্বস্ততা, দয়া, ধৈর্য আর উত্তম চরিত্রের দীক্ষা।

আনুগত্য হোক দ্বীনের সীমার মাঝে,

ভালোবাসা হোক ইবাদত প্রতিটি কাজে।

সহযোগিতা, সমবেদনা আর শ্রদ্ধার আলো,

প্রতিটি ঘরকে করুক জান্নাতের বাগান ভালো।

কুরআন-সুন্নাহর পথেই চলুক জীবনধারা,

সুখে-দুঃখে একসাথে থাকুক দুটি হৃদয় সারা।

রবের সন্তুষ্টিই হোক দাম্পত্য জীবনের লক্ষ্য,

তবেই সফল হবে সংসার, পূর্ণ হবে মানবজীবনের রথ।

***

স্বামী-স্ত্রীর পারস্পরিক অধিকার কর্তব্য

আল্লাহর নামে শুরু করি হৃদয় ছোঁয়া বাণী,

সংসার নামে গড়ে ওঠে জীবনের একখানি।

দুটি প্রাণের মিলন যেখানে ভালোবাসার সেতু,

দ্বীনের পথে চলার জন্য বাঁধা হয় পবিত্র রীতু।

আল্লাহ তাআলা সৃষ্টি করে যুগল জীবনের ধারা,

স্বামী-স্ত্রী একে অপরের শান্তি, সুখের সাড়া।

একজন ছাড়া অন্যজনের জীবন থাকে অপূর্ণ,

পরস্পরের ভালোবাসায় হৃদয় হয় সম্পূর্ণ।

বিবাহ কোনো চুক্তি শুধু নয় দুনিয়ার রীতি,

এটি রবের মহা নেয়ামত, রহমতেরই স্মৃতি।

যেখানে থাকে ভালোবাসা, দয়া আর সম্মান,

সেখানে নেমে আসে সুখের অফুরন্ত বরকত দান।

স্বামী যেমন স্ত্রীর জন্য আশ্রয়ের প্রাচীর,

স্ত্রীও তেমনি স্বামীর জীবনে প্রশান্তির নীড়।

একজন অন্যজনের পোশাক কুরআনের ভাষায়,

লজ্জা ঢাকে, দোষ গোপন রাখে ভালোবাসার ছায়ায়।

স্বামীর রয়েছে দায়িত্ব বহু স্ত্রীর অধিকারে,

খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান দিতে হবে আন্তরিকতার দ্বারে।

সামর্থ্য অনুযায়ী ভরণপোষণ করবে সদা,

অবহেলা বা কৃপণতায় করবে না হৃদয় ক্ষতবিদ্ধ।

স্ত্রীর সাথে সদাচরণ হবে তার জীবনের রীতি,

কঠোরতা নয়, কোমলতায় ফুটবে মধুর প্রীতি।

হাসিমুখে কথা বলবে, রাখবে হৃদয়ের মান,

সুন্দর আচরণেই ফুটে মুমিন হওয়ার প্রমাণ।

রাগের বশে কটু বাক্য নয়, নয় কোনো অবিচার,

ন্যায়ের পথে চলাই হবে একজন মুমিনের অঙ্গীকার।

দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে করবে না নির্যাতন,

বরং ভালোবাসায় গড়বে শান্তিময় বন্ধন।

স্ত্রীরও রয়েছে দায়িত্ব দ্বীনের বিধান মতে,

স্বামীর প্রতি আনুগত্য করবে শরীয়তের পথে।

যেখানে নেই রবের নাফরমানি কিংবা অন্যায়,

সেখানে স্বামীর নির্দেশ মানাই উত্তম উপায়।

অহংকার বা অবাধ্যতায় ভাঙবে না সংসার,

সম্মান দিয়ে রক্ষা করবে ভালোবাসার দ্বার।

বিনয়ের আলো ছড়িয়ে দেবে সংসারের প্রতিক্ষণ,

যাতে ঘরটি হয়ে ওঠে জান্নাতেরই উদ্যান।

স্বামী যখন বাইরে থাকে জীবিকার সন্ধানে,

স্ত্রী তখন বিশ্বস্ত থাকে সততার ঠিকানায়।

নিজের সতীত্ব রক্ষা করে সম্মানের প্রহরী,

পবিত্রতার দীপ জ্বালিয়ে রাখে নিরন্তর জারি।

স্বামীর ধন-সম্পদ রক্ষা করে আমানতের মতো,

অযথা অপচয় না করে চলে হিসাবের পথে যত।

গোপন কথা গোপন রাখে, ভাঙে না বিশ্বাস,

এভাবেই দৃঢ় হয় সংসারের শুভ সুবাস।

সংসারের কাজকর্মে থাকে দায়িত্বশীল মন,

অলসতা নয়, যত্নে গড়ে সুখের আয়োজন।

সন্তানদের শিক্ষা দেয় আদব আর দ্বীন,

মায়ের হাতে গড়ে ওঠে ভবিষ্যতের মুমিন।

স্বামীর অনুমতি ছাড়া ঘরে আনে না তাকে,

যাকে নিয়ে স্বামী অস্বস্তি অনুভব করে মনে।

পরিবারের মর্যাদা রক্ষায় থাকে সদা সচেতন,

এভাবেই গড়ে ওঠে সৌহার্দ্যের বন্ধন।

তবে শুধু স্ত্রীর উপর নয় দায়িত্বের ভার,

স্বামীরও আছে কর্তব্য অসংখ্য অপরিসীম আর।

পরামর্শে শুনবে স্ত্রীর কথা, দেবে তার মূল্য,

পারস্পরিক শ্রদ্ধা ছাড়া সংসার থাকে শূন্য।

দাম্পত্য জীবনের মূল ভিত্তি বিশ্বাস আর ভরসা,

সন্দেহের আগুন জ্বাললে মুছে যায় সব আশা।

তাই উভয়ে রক্ষা করবে হৃদয়ের পবিত্রতা,

বিশ্বস্ততার মাঝেই লুকায় সম্পর্কের সফলতা।

খিয়ানত কখনো নয় মুমিনের পরিচয়,

গোপনে প্রতারণা করা বড়ই লজ্জার বিষয়।

স্বামী-স্ত্রী উভয়ে হবে আমানতের পাহারাদার,

তবেই তাদের সম্পর্ক হবে দৃঢ় অটল ভিত্তির।

কখনো যদি আসে জীবনে দুঃখের কালো মেঘ,

একজন অন্যজনকে দেবে সাহসেরই রেশ।

অভাব এলে ধৈর্য ধরবে, সুখে করবে শুকরিয়া,

এভাবেই সংসার ভরে ওঠে রহমতেরই দিয়া।

কুরআন বলে নারীদের যেমন রয়েছে অধিকার,

তেমনি তাদের উপরও রয়েছে দায়িত্বের ভার।

অধিকার আর কর্তব্য যখন চলে পাশাপাশি,

তখনই সুখের আলো জ্বলে প্রতিটি ঘরের বাতি।

সংসার কোনো প্রতিযোগিতা নয় জয়ের মঞ্চখানি,

এটি পরস্পরের সহযোগিতার মহামূল্য বাণী।

কে বড়, কে ছোটএই হিসাব নয় প্রয়োজন,

একসাথে চলাই হলো সফলতার কারণ।

স্বামী যদি ক্লান্ত হয়ে ফেরে দিনের শেষে,

স্ত্রী তার হৃদয় জুড়ায় মমতার পরশে।

স্ত্রী যদি দুঃখ পায় জীবনের কোনো ক্ষণে,

স্বামী তার পাশে দাঁড়ায় ভালোবাসার সনে।

একজন অন্যজনের শক্তি, একজন অন্যজনের ঢাল,

দুঃখের দিনে সঙ্গী হয়ে কাটায় সকল জ্বাল।

পরিপূরক হয়ে চলে তারা জীবনের প্রতিক্ষণ,

এভাবেই পূর্ণতা পায় দাম্পত্যের বন্ধন।

ঘরে যদি থাকে ঈমান, তাকওয়া আর আদব,

সেখানে নেমে আসে রবের অশেষ রহমত।

সন্তান দেখে শেখে তখন ভালোবাসার পাঠ,

সুন্দর পরিবার গড়ে উঠে দৃঢ় হয় সমাজের ঘাট।

স্বামী-স্ত্রীর এই সম্পর্ক নয় কেবল ক্ষণিকের,

এটি জান্নাতের পথেরও একটি পবিত্র সেতুর।

দ্বীনের আলোয় চললে তারা হাতে হাত রেখে,

রবের সন্তুষ্টি খুঁজে নেয় জীবনের প্রতিক্ষণে।

হে আল্লাহ! দাও আমাদের এমন ঘর পরিবার,

যেখানে থাকবে ঈমান, ভালোবাসা অপরিসীম আর।

স্বামী-স্ত্রী উভয়কে দাও দায়িত্ব পালনের তাওফীক,

বিশ্বস্ততা, দয়া আর ন্যায় হোক জীবনের সাথীক।

ভালোবাসা হোক ইবাদত, আনুগত্য হোক দ্বীনের তরে,

সহযোগিতা আর মমতা ফুটুক সংসারের ঘরে ঘরে।

কুরআন-সুন্নাহর আলোয় চলুক জীবনের পথচলা,

এভাবেই সফল হোক দাম্পত্য, পূর্ণ হোক সব আশা-ভরা

***

স্বামী-স্ত্রীর পারস্পরিক অধিকার কর্তব্য

আল্লাহর নামে শুরু করি হৃদয় ছোঁয়া বাণী,

সংসার নামে গড়ে ওঠে জীবনের একখানি।

দুটি প্রাণের মিলন যেখানে ভালোবাসার সেতু,

দ্বীনের পথে চলার জন্য বাঁধা হয় পবিত্র রীতু।

আল্লাহ তাআলা সৃষ্টি করে যুগল জীবনের ধারা,

স্বামী-স্ত্রী একে অপরের শান্তি, সুখের সাড়া।

একজন ছাড়া অন্যজনের জীবন থাকে অপূর্ণ,

পরস্পরের ভালোবাসায় হৃদয় হয় সম্পূর্ণ।

বিবাহ কোনো চুক্তি শুধু নয় দুনিয়ার রীতি,

এটি রবের মহা নেয়ামত, রহমতেরই স্মৃতি।

যেখানে থাকে ভালোবাসা, দয়া আর সম্মান,

সেখানে নেমে আসে সুখের অফুরন্ত বরকত দান।

স্বামী যেমন স্ত্রীর জন্য আশ্রয়ের প্রাচীর,

স্ত্রীও তেমনি স্বামীর জীবনে প্রশান্তির নীড়।

একজন অন্যজনের পোশাক কুরআনের ভাষায়,

লজ্জা ঢাকে, দোষ গোপন রাখে ভালোবাসার ছায়ায়।

স্বামীর রয়েছে দায়িত্ব বহু স্ত্রীর অধিকারে,

খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান দিতে হবে আন্তরিকতার দ্বারে।

সামর্থ্য অনুযায়ী ভরণপোষণ করবে সদা,

অবহেলা বা কৃপণতায় করবে না হৃদয় ক্ষতবিদ্ধ।

স্ত্রীর সাথে সদাচরণ হবে তার জীবনের রীতি,

কঠোরতা নয়, কোমলতায় ফুটবে মধুর প্রীতি।

হাসিমুখে কথা বলবে, রাখবে হৃদয়ের মান,

সুন্দর আচরণেই ফুটে মুমিন হওয়ার প্রমাণ।

রাগের বশে কটু বাক্য নয়, নয় কোনো অবিচার,

ন্যায়ের পথে চলাই হবে একজন মুমিনের অঙ্গীকার।

দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে করবে না নির্যাতন,

বরং ভালোবাসায় গড়বে শান্তিময় বন্ধন।

স্ত্রীরও রয়েছে দায়িত্ব দ্বীনের বিধান মতে,

স্বামীর প্রতি আনুগত্য করবে শরীয়তের পথে।

যেখানে নেই রবের নাফরমানি কিংবা অন্যায়,

সেখানে স্বামীর নির্দেশ মানাই উত্তম উপায়।

অহংকার বা অবাধ্যতায় ভাঙবে না সংসার,

সম্মান দিয়ে রক্ষা করবে ভালোবাসার দ্বার।

বিনয়ের আলো ছড়িয়ে দেবে সংসারের প্রতিক্ষণ,

যাতে ঘরটি হয়ে ওঠে জান্নাতেরই উদ্যান।

স্বামী যখন বাইরে থাকে জীবিকার সন্ধানে,

স্ত্রী তখন বিশ্বস্ত থাকে সততার ঠিকানায়।

নিজের সতীত্ব রক্ষা করে সম্মানের প্রহরী,

পবিত্রতার দীপ জ্বালিয়ে রাখে নিরন্তর জারি।

স্বামীর ধন-সম্পদ রক্ষা করে আমানতের মতো,

অযথা অপচয় না করে চলে হিসাবের পথে যত।

গোপন কথা গোপন রাখে, ভাঙে না বিশ্বাস,

এভাবেই দৃঢ় হয় সংসারের শুভ সুবাস।

সংসারের কাজকর্মে থাকে দায়িত্বশীল মন,

অলসতা নয়, যত্নে গড়ে সুখের আয়োজন।

সন্তানদের শিক্ষা দেয় আদব আর দ্বীন,

মায়ের হাতে গড়ে ওঠে ভবিষ্যতের মুমিন।

স্বামীর অনুমতি ছাড়া ঘরে আনে না তাকে,

যাকে নিয়ে স্বামী অস্বস্তি অনুভব করে মনে।

পরিবারের মর্যাদা রক্ষায় থাকে সদা সচেতন,

এভাবেই গড়ে ওঠে সৌহার্দ্যের বন্ধন।

তবে শুধু স্ত্রীর উপর নয় দায়িত্বের ভার,

স্বামীরও আছে কর্তব্য অসংখ্য অপরিসীম আর।

পরামর্শে শুনবে স্ত্রীর কথা, দেবে তার মূল্য,

পারস্পরিক শ্রদ্ধা ছাড়া সংসার থাকে শূন্য।

দাম্পত্য জীবনের মূল ভিত্তি বিশ্বাস আর ভরসা,

সন্দেহের আগুন জ্বাললে মুছে যায় সব আশা।

তাই উভয়ে রক্ষা করবে হৃদয়ের পবিত্রতা,

বিশ্বস্ততার মাঝেই লুকায় সম্পর্কের সফলতা।

খিয়ানত কখনো নয় মুমিনের পরিচয়,

গোপনে প্রতারণা করা বড়ই লজ্জার বিষয়।

স্বামী-স্ত্রী উভয়ে হবে আমানতের পাহারাদার,

তবেই তাদের সম্পর্ক হবে দৃঢ় অটল ভিত্তির।

কখনো যদি আসে জীবনে দুঃখের কালো মেঘ,

একজন অন্যজনকে দেবে সাহসেরই রেশ।

অভাব এলে ধৈর্য ধরবে, সুখে করবে শুকরিয়া,

এভাবেই সংসার ভরে ওঠে রহমতেরই দিয়া।

কুরআন বলে নারীদের যেমন রয়েছে অধিকার,

তেমনি তাদের উপরও রয়েছে দায়িত্বের ভার।

অধিকার আর কর্তব্য যখন চলে পাশাপাশি,

তখনই সুখের আলো জ্বলে প্রতিটি ঘরের বাতি।

সংসার কোনো প্রতিযোগিতা নয় জয়ের মঞ্চখানি,

এটি পরস্পরের সহযোগিতার মহামূল্য বাণী।

কে বড়, কে ছোটএই হিসাব নয় প্রয়োজন,

একসাথে চলাই হলো সফলতার কারণ।

স্বামী যদি ক্লান্ত হয়ে ফেরে দিনের শেষে,

স্ত্রী তার হৃদয় জুড়ায় মমতার পরশে।

স্ত্রী যদি দুঃখ পায় জীবনের কোনো ক্ষণে,

স্বামী তার পাশে দাঁড়ায় ভালোবাসার সনে।

একজন অন্যজনের শক্তি, একজন অন্যজনের ঢাল,

দুঃখের দিনে সঙ্গী হয়ে কাটায় সকল জ্বাল।

পরিপূরক হয়ে চলে তারা জীবনের প্রতিক্ষণ,

এভাবেই পূর্ণতা পায় দাম্পত্যের বন্ধন।

ঘরে যদি থাকে ঈমান, তাকওয়া আর আদব,

সেখানে নেমে আসে রবের অশেষ রহমত।

সন্তান দেখে শেখে তখন ভালোবাসার পাঠ,

সুন্দর পরিবার গড়ে উঠে দৃঢ় হয় সমাজের ঘাট।

স্বামী-স্ত্রীর এই সম্পর্ক নয় কেবল ক্ষণিকের,

এটি জান্নাতের পথেরও একটি পবিত্র সেতুর।

দ্বীনের আলোয় চললে তারা হাতে হাত রেখে,

রবের সন্তুষ্টি খুঁজে নেয় জীবনের প্রতিক্ষণে।

হে আল্লাহ! দাও আমাদের এমন ঘর পরিবার,

যেখানে থাকবে ঈমান, ভালোবাসা অপরিসীম আর।

স্বামী-স্ত্রী উভয়কে দাও দায়িত্ব পালনের তাওফীক,

বিশ্বস্ততা, দয়া আর ন্যায় হোক জীবনের সাথীক।

ভালোবাসা হোক ইবাদত, আনুগত্য হোক দ্বীনের তরে,

সহযোগিতা আর মমতা ফুটুক সংসারের ঘরে ঘরে।

কুরআন-সুন্নাহর আলোয় চলুক জীবনের পথচলা,

এভাবেই সফল হোক দাম্পত্য, পূর্ণ হোক সব আশা-ভরা।

স্বামী-স্ত্রীর পারস্পরিক অধিকার কর্তব্য

(কুরআন-সুন্নাহর আলোকে একটি দীর্ঘ কাব্য)

আল্লাহর নামে শুরু করি হৃদয়ছোঁয়া গান,

দাম্পত্য জীবনের কথায় জাগুক ঈমানের প্রাণ।

কুরআনের আলোয় আলোকিত হোক সংসারের পথ,

সুন্নাহর শিক্ষা আঁকড়ে ধরুক মানবজীবনের রথ।

বিবাহ কোনো ক্ষণিক সুখের আয়োজন নয় শুধু,

এটি রবের দান, রহমতের এক মহামূল্য বন্ধু।

দুটি হৃদয়, দুটি প্রাণ, দুটি জীবনের ধারা,

এক সুতোয় বাঁধা পড়ে গড়ে সুখের সংসারখানা।

আল্লাহ বলেন, তোমরা একে অন্যের পোশাক,

লজ্জা ঢাকে, দোষ গোপন রাখে, বাড়ায় ভালোবাসার আভাস।

ঝড় এলে আশ্রয় দেয়, রোদে দেয় ছায়া,

এই সম্পর্কেই লুকিয়ে থাকে জীবনের মায়া।

স্বামী হলো পরিবারের দায়িত্বশীল কর্ণধার,

ন্যায় দয়ার মাধ্যমে চালাবে সংসার।

খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান তার অর্পিত দায়িত্ব,

অবহেলা নয়, ভালোবাসাই হবে তার ব্যক্তিত্ব।

স্ত্রীর প্রতি করবে না কখনো কঠোর আচরণ,

মধুর কথায় ভরিয়ে তুলবে প্রতিটি ক্ষণ।

হাসিমুখে কথা বলা, দুঃখে পাশে থাকা,

এসবই মুমিন স্বামীর উত্তম পরিচয় রাখা।

অবিচার, অপমান, রাগের অগ্নিশিখা,

সংসারের সুখ-শান্তিকে করে দেয় নিঃশেষিকা।

তাই ধৈর্যের পোশাক পরে চলবে প্রতিদিন,

রহমত আর ক্ষমাশীলতায় হবে হৃদয় রঙিন।

স্ত্রীরও রয়েছে দায়িত্ব মহান দ্বীনের বিধানে,

স্বামীর আনুগত্য করা শরীয়তের সীমারেখায় মানে।

যেখানে নেই গুনাহ, নেই রবের অবাধ্যতা,

সেখানে স্বামীর নির্দেশ মানাই ইবাদতের বারতা।

অহংকারের দেয়াল তুলে দূরে ঠেলে না দেবে ভালোবাসা,

বিনয়ের সুবাসে ভরিয়ে তুলবে সংসারের ভাষা।

নম্রতা, শ্রদ্ধা আর সুন্দর ব্যবহারের আলো,

ঘরকে করে জান্নাতের বাগানের মতো ভালো।

স্বামী যখন বাইরে থাকে জীবিকার প্রয়োজনে,

স্ত্রী তখন আমানতদার হয় সততার সিংহাসনে।

নিজের সতীত্ব রক্ষা করে ঈমানের শক্তি নিয়ে,

পবিত্রতার দীপ জ্বালায় রবের ভয়কে বুকে দিয়ে।

সম্মান রক্ষা করে নিজের, রক্ষা করে ঘরের মান,

এভাবেই সে অর্জন করে রবের সন্তোষ দান।

চোখে লজ্জা, অন্তরে তাকওয়া, আচরণে শুদ্ধতা,

এসবই মুমিন নারীর মহিমান্বিত পবিত্রতা।

স্বামীর ধন-সম্পদ থাকে তার কাছে আমানত,

সতর্ক হাতে রক্ষা করে পূরণ করে দায়িত্ব।

অপচয় নয়, অপব্যবহার নয়, নয় কোনো খিয়ানত,

বিশ্বস্ততার সৌন্দর্যে ফুটে ওঠে সত্যিকার মানবতা।

স্বামীর অনুপস্থিতিতে রক্ষা করে সংসার,

যত্নে রাখে প্রতিটি বিষয়, প্রতিটি অধিকার।

অলসতায় নয়, দায়িত্বে রাখে আপন মন,

তাতেই গড়ে ওঠে সুখময় পারিবারিক জীবন।

সংসারের কাজে থাকে দায়িত্বশীলতা,

সন্তানদের শেখায় আদব, দ্বীন আর মানবতা।

মায়ের কোলে গড়ে ওঠে আগামী দিনের মানুষ,

সেই শিক্ষায় আলোকিত হয় সমাজের প্রতিটি নিঃশ্বাস।

স্বামীর অনুমতি ছাড়া প্রবেশ করায় না ঘরে,

এমন কাউকে, যাকে স্বামী অপছন্দ করে।

পারিবারিক মর্যাদা রক্ষায় থাকে সদা সচেতন,

এভাবেই সুদৃঢ় হয় ভালোবাসার বন্ধন।

তবে শুধু স্ত্রীর উপর নয় দায়িত্বের ভার,

স্বামীরও রয়েছে কর্তব্য অসংখ্য অপার।

স্ত্রীর মতামত শুনবে সম্মান দিয়ে,

তার অনুভূতির মূল্য দেবে হৃদয় খুলে নিয়ে।

কারণ সংসার চলে না একার সিদ্ধান্তে,

পরামর্শ আর বোঝাপড়াই রাখে সুখের পথে।

যেখানে দুজন মিলে নেয় কল্যাণের সিদ্ধান্ত,

সেখানে বরকত নামে অবারিত অনন্ত।

মন্তব্য করুন

ব্লগ