সহকারী অধ্যাপক
১২ জুন, ২০২৬ ০৮:৩৪ অপরাহ্ণ
কিয়ামতের শপথ ও পুনরুত্থান - মোঃ মুজিবুর রহমান
|
|
কিয়ামতের শপথ ও পুনরুত্থান
মোঃ মুজিবুর রহমান
সহকারী অধ্যাপক
মোজাদ্দেদীয়া ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসা,কালিয়াকৈর, গাজীপুর।
শুরু করি হৃদয় ছোঁয়ানো এক সত্যের মহাগান,
যে সত্য শুনে কেঁপে ওঠে গাফেল মানবপ্রাণ।
রবের বাণী নূরের মতো ছড়ায় সারা ভুবনময়,
সত্যের ডাকে জেগে ওঠে যে হৃদয় ঘুমে নয়।
শপথ সেই ফেরেশতাদের, আদেশ যাদের হাতে,
যারা সদা নিয়োজিত রয় প্রভুর বিধান পালনে।
পাপীর প্রাণ টেনে নেয় তারা কঠোরতার সাথে,
যখন আসে মৃত্যুর ক্ষণ নির্ধারিত প্রভুর পথে।
অবাধ্য যারা কাটিয়েছে জীবন পাপের ঘোরে,
সত্যকে তারা দূরে ঠেলে চলেছে অহংকার ভরে।
মৃত্যুর বেলায় কঠিন দৃশ্য সামনে যখন আসে,
আত্মা তখন বেরিয়ে আসে যন্ত্রণারই পাশে।
আবার শপথ সেই ফেরেশতা, মুমিন যাদের প্রিয়,
বান্দার প্রাণ নেয় সহজ করে নেককার যারা ।
ঈমানভরা হৃদয় যাদের রবের প্রেমে ভরা,
মৃত্যুও তাদের কাছে যেন শান্তির সুবাসধারা।
আরও শপথ দ্রুতগামী আনুগত্যের দল,
আল্লাহর হুকুম পালনে যাদের নেই কোনো টল।
আদেশ পেলে ছুটে চলে তারা বিদ্যুতেরই মতো,
প্রভুর কাজে ব্যস্ত থাকে প্রতিক্ষণ অবিরত।
শপথ সেই কার্যনির্বাহক বিশ্বস্ত ফেরেশতা,
যাদের হাতে পরিচালিত সৃষ্টির নানা কথা।
সবকিছুই চলে সদা মহান রবের হুকুমে,
কোনো কিছুই ঘটে না তো তাঁর ইচ্ছার সীমে।
একদিন আসবে মহাক্ষণ, ভয়ংকর সেই দিন,
যেদিন কেঁপে উঠবে ধরা, ভাঙবে সকল ঋণ।
প্রথম কম্পন আঘাত হেনে দেবে বিশ্ব নাড়িয়ে,
পাহাড়গুলো উড়ে যাবে ধূলিকণায় ভেঙে গিয়ে।
সাগর হবে উত্তাল তখন, আকাশ যাবে ফেটে,
সূর্য-চন্দ্র ম্লান হয়ে যাবে মহা ভয়ের ঘোরেতে।
তারপর আবার দ্বিতীয় সেই কম্পনেরই ডাক,
মৃতেরাও উঠবে জেগে, শেষ হবে না আর ফাঁক।
সেদিন কত হৃদয় হবে ভয়ে কাঁপা-কাঁপা,
দুনিয়াতে যারা ছিল বড়, হারাবে তাদের চাপা।
ক্ষমতা, ধন, অহংকার সব পড়ে থাকবে দূরে,
কেউ পারবে না আশ্রয় নিতে কোনো শক্তির সুরে।
নত হবে সব দৃষ্টি তখন লজ্জা আর আতঙ্কে,
নিজের আমল দেখবে সবাই বিচারেরই রঙে।
যে চোখ ছিল অবাধ্যতায় ব্যস্ত রাত-দুপুর,
সেই চোখ আজ নত হয়ে যাবে রবের ভয়ে ভরপুর।
অবিশ্বাসীরা বলত আগে বিদ্রূপেরই সুরে,
"মৃত্যুর পরে জীবন আবার ফিরবে কেমন করে?"
"চূর্ণ-বিচূর্ণ হাড় যখন মাটির সাথে মিশে,
আবার কি সে জেগে উঠবে নতুন প্রাণের নিশে?"
তারা বলত, "যদি এমন প্রত্যাবর্তন হয়,
তবে তো সেটা হবে আমাদের জন্য ক্ষয়!"
অজ্ঞতারই অন্ধকারে ঢেকেছিল তাদের মন,
দেখতে পায়নি স্রষ্টার মহা কুদরতেরই ক্ষণ।
যিনি প্রথম সৃষ্টি করেন শূন্য থেকে প্রাণ,
তাঁর জন্য কি কঠিন তবে পুনর্জীবন দান?
আসমানের বিস্তৃত ছাদ, পৃথিবীর এ রূপ,
সবই তো তাঁর শক্তির নিদর্শন অপরূপ।
তিনি যখন বলবেন শুধু, "হও", তখনই হয়,
তাঁর ইচ্ছার সামনে কোনো বাধা কোথায় রয়?
কিয়ামতের সে পুনরুত্থান কঠিন কিছু নয়,
স্রষ্টার কাছে অসম্ভবের কোনো নামই নয়।
একটি মাত্র বিকট ধ্বনি আকাশ ভেদ করে,
ঘুমিয়ে থাকা মৃত সবাই জেগে উঠবে তরে।
কবর হতে বেরিয়ে এসে দাঁড়াবে মানবজাতি,
শেষ বিচারের ময়দানে হবে সকলের গতি।
রাজা-প্রজা, ধনী-গরিব, শক্তিমান দুর্বল,
একই সারিতে দাঁড়াবে সব, হবে না কোনো দল।
সেদিন কেবল মূল্য পাবে ঈমান ও আমল,
মিথ্যা গর্ব ভেঙে যাবে, মুছে যাবে ছল।
হে মানব, আজও রয়েছে সময় ফিরে আসার,
সত্যের পথে জীবন গড়ার, রবকে ভালোবাসার।
মৃত্যুর আগে প্রস্তুত হও সেই মহান দিনের তরে,
যেদিন সবাই দাঁড়াবে গিয়ে প্রভুরই দরবারে।
নামাজ, সিয়াম, সৎকর্ম দিয়ে সাজাও জীবনখানি,
তাওবার অশ্রু ঝরাও হৃদয় ভরে, করো না অবহেলা আর জানি।
এই দুনিয়া ক্ষণিকের পথ, চিরস্থায়ী নয়,
আখিরাতের সফলতাই প্রকৃত শান্তিময়।
যে স্মরণ করে কিয়ামতের ভয়ংকর আহ্বান,
তার হৃদয়ে জেগে ওঠে তাকওয়ারই গান।
রবের পথে চলতে গিয়ে পায় সে নূরের দিশা,
অন্ধকার সব দূর হয়ে যায়, জাগে নতুন আশা।
আল্লাহ আমাদের অন্তরে দিন ঈমানের আলো,
সত্যের পথে রাখুন সদা, করুন আমল ভালো।
যেদিন কেঁপে উঠবে ধরা, হবে মহা বিচার,
সেদিন যেন নাজাত পাই—এই হোক অন্তর আর্তধ্বনি বারবার।
আমীন।
***
শপথ সেই ফেরেশতাদের, আদেশ যাদের হাতে,
যারা সদা নিয়োজিত রয় প্রভুর বিধান পালনে।
পাপীর প্রাণ টেনে নেয় তারা কঠোরতার সাথে,
যখন আসে মৃত্যুর ক্ষণ নির্ধারিত প্রভুর পথে।
মহাসত্যের আহ্বানে জাগুক নিদ্রিত প্রাণ,
কিয়ামতের স্মরণে উঠুক হিদায়াতের গান।
রবের বাণী নূর হয়ে ছড়াক ভুবনময়,
সত্যের ডাকে জেগে উঠুক হৃদয় যে ঘুমে নয়।
এরপর মূল কবিতা শুরু হবে—
শপথ সেই ফেরেশতাদের, আদেশ যাদের হাতে...।
***
কিয়ামতের শপথ ও পুনরুত্থানের আহ্বান
শুরু করি হৃদয় জাগানিয়া এক সত্যের মহাগান,
যে সত্য শুনে কেঁপে ওঠে গাফেল মানবপ্রাণ।
রবের বাণী নূরের মতো ছড়ায় সারা ভুবনময়,
সত্যের ডাকে জেগে ওঠে যে হৃদয় ঘুমে নয়।
শপথ সেই ফেরেশতাদের, আদেশ যাদের হাতে,
যারা সদা নিয়োজিত রয় প্রভুর বিধান পালনে।
পাপীর প্রাণ টেনে নেয় তারা কঠোরতার সাথে,
যখন আসে মৃত্যুর ক্ষণ নির্ধারিত প্রভুর পথে।
অবাধ্য যারা কাটিয়েছে জীবন পাপের ঘোরে,
সত্যকে তারা দূরে ঠেলে চলেছে অহংকার ভরে।
মৃত্যুর বেলায় কঠিন দৃশ্য সামনে যখন আসে,
আত্মা তখন বেরিয়ে আসে যন্ত্রণারই পাশে।
আবার শপথ সেই ফেরেশতা, মুমিন যাদের প্রিয়,
যারা নেককার বান্দার প্রাণ নেয় সহজ করিয়া।
ঈমানভরা হৃদয় যাদের রবের প্রেমে ভরা,
মৃত্যুও তাদের কাছে যেন শান্তির সুবাসধারা।
আরও শপথ দ্রুতগামী আনুগত্যের দল,
আল্লাহর হুকুম পালনে যাদের নেই কোনো টল।
আদেশ পেলে ছুটে চলে তারা বিদ্যুতেরই মতো,
প্রভুর কাজে ব্যস্ত থাকে প্রতিক্ষণ অবিরত।
শপথ সেই কার্যনির্বাহক বিশ্বস্ত ফেরেশতা,
যাদের হাতে পরিচালিত সৃষ্টির নানা কথা।
সবকিছুই চলে সদা মহান রবের হুকুমে,
কোনো কিছুই ঘটে না তো তাঁর ইচ্ছার সীমে।
একদিন আসবে মহাক্ষণ, ভয়ংকর সেই দিন,
যেদিন কেঁপে উঠবে ধরা, ভাঙবে সকল ঋণ।
প্রথম কম্পন আঘাত হেনে দেবে বিশ্ব নাড়িয়ে,
পাহাড়গুলো উড়ে যাবে ধূলিকণায় ভেঙে গিয়ে।
সাগর হবে উত্তাল তখন, আকাশ যাবে ফেটে,
সূর্য-চন্দ্র ম্লান হয়ে যাবে মহা ভয়ের ঘোরেতে।
তারপর আবার দ্বিতীয় সেই কম্পনেরই ডাক,
মৃতেরাও উঠবে জেগে, শেষ হবে না আর ফাঁক।
সেদিন কত হৃদয় হবে ভয়ে কাঁপা-কাঁপা,
দুনিয়াতে যারা ছিল বড়, হারাবে তাদের চাপা।
ক্ষমতা, ধন, অহংকার সব পড়ে থাকবে দূরে,
কেউ পারবে না আশ্রয় নিতে কোনো শক্তির সুরে।
নত হবে সব দৃষ্টি তখন লজ্জা আর আতঙ্কে,
নিজের আমল দেখবে সবাই বিচারেরই রঙে।
যে চোখ ছিল অবাধ্যতায় ব্যস্ত রাত-দুপুর,
সেই চোখ আজ নত হয়ে যাবে রবের ভয়ে ভরপুর।
অবিশ্বাসীরা বলত আগে বিদ্রূপেরই সুরে,
"মৃত্যুর পরে জীবন আবার ফিরবে কেমন করে?"
"চূর্ণ-বিচূর্ণ হাড় যখন মাটির সাথে মিশে,
আবার কি সে জেগে উঠবে নতুন প্রাণের নিশে?"
তারা বলত, "যদি এমন প্রত্যাবর্তন হয়,
তবে তো সেটা হবে আমাদের জন্য ক্ষয়!"
অজ্ঞতারই অন্ধকারে ঢেকেছিল তাদের মন,
দেখতে পায়নি স্রষ্টার মহা কুদরতেরই ক্ষণ।
যিনি প্রথম সৃষ্টি করেন শূন্য থেকে প্রাণ,
তাঁর জন্য কি কঠিন তবে পুনর্জীবন দান?
আসমানের বিস্তৃত ছাদ, পৃথিবীর এ রূপ,
সবই তো তাঁর শক্তির নিদর্শন অপরূপ।
তিনি যখন বলবেন শুধু, "হও", তখনই হয়,
তাঁর ইচ্ছার সামনে কোনো বাধা কোথায় রয়?
কিয়ামতের সে পুনরুত্থান কঠিন কিছু নয়,
স্রষ্টার কাছে অসম্ভবের কোনো নামই নয়।
একটি মাত্র বিকট ধ্বনি আকাশ ভেদ করে,
ঘুমিয়ে থাকা মৃত সবাই জেগে উঠবে তরে।
কবর হতে বেরিয়ে এসে দাঁড়াবে মানবজাতি,
শেষ বিচারের ময়দানে হবে সকলের গতি।
রাজা-প্রজা, ধনী-গরিব, শক্তিমান দুর্বল,
একই সারিতে দাঁড়াবে সব, হবে না কোনো দল।
সেদিন কেবল মূল্য পাবে ঈমান ও আমল,
মিথ্যা গর্ব ভেঙে যাবে, মুছে যাবে ছল।
হে মানব, আজও রয়েছে সময় ফিরে আসার,
সত্যের পথে জীবন গড়ার, রবকে ভালোবাসার।
মৃত্যুর আগে প্রস্তুত হও সেই মহান দিনের তরে,
যেদিন সবাই দাঁড়াবে গিয়ে প্রভুরই দরবারে।
নামাজ, সিয়াম, সৎকর্ম দিয়ে সাজাও জীবনখানি,
তাওবার অশ্রু ঝরাও হৃদয় ভরে, করো না অবহেলা আর জানি।
এই দুনিয়া ক্ষণিকের পথ, চিরস্থায়ী নয়,
আখিরাতের সফলতাই প্রকৃত শান্তিময়।
যে স্মরণ করে কিয়ামতের ভয়ংকর আহ্বান,
তার হৃদয়ে জেগে ওঠে তাকওয়ারই গান।
রবের পথে চলতে গিয়ে পায় সে নূরের দিশা,
অন্ধকার সব দূর হয়ে যায়, জাগে নতুন আশা।
আল্লাহ আমাদের অন্তরে দিন ঈমানের আলো,
সত্যের পথে রাখুন সদা, করুন আমল ভালো।
যেদিন কেঁপে উঠবে ধরা, হবে মহা বিচার,
সেদিন যেন নাজাত পাই—এই হোক অন্তর আর্তধ্বনি বারবার।
আমীন।
কিয়ামতের সেই মহাসত্য গাই আজ ছন্দের বাণী,
যে বাণী শুনে কেঁপে ওঠে গাফেল হৃদয়খানি।
কিয়ামতের শপথ ও পুনরুত্থানের আহ্বান
শুরু করি হৃদয় জাগানিয়া এক সত্যের মহাগান,
যে সত্য শুনে কেঁপে ওঠে গাফেল মানবপ্রাণ।
রবের বাণী নূরের মতো ছড়ায় সারা ভুবনময়,
সত্যের ডাকে জেগে ওঠে যে হৃদয় ঘুমে নয়।
শপথ সেই ফেরেশতাদের, আদেশ যাদের হাতে,
যারা সদা নিয়োজিত রয় প্রভুর বিধান পালনে।
পাপীর প্রাণ টেনে নেয় তারা কঠোরতার সাথে,
যখন আসে মৃত্যুর ক্ষণ নির্ধারিত প্রভুর পথে।
অবাধ্য যারা কাটিয়েছে জীবন পাপের ঘোরে,
সত্যকে তারা দূরে ঠেলে চলেছে অহংকার ভরে।
মৃত্যুর বেলায় কঠিন দৃশ্য সামনে যখন আসে,
আত্মা তখন বেরিয়ে আসে যন্ত্রণারই পাশে।
আবার শপথ সেই ফেরেশতা, মুমিন যাদের প্রিয়,
যারা নেককার বান্দার প্রাণ নেয় সহজ করিয়া।
ঈমানভরা হৃদয় যাদের রবের প্রেমে ভরা,
মৃত্যুও তাদের কাছে যেন শান্তির সুবাসধারা।
আরও শপথ দ্রুতগামী আনুগত্যের দল,
আল্লাহর হুকুম পালনে যাদের নেই কোনো টল।
আদেশ পেলে ছুটে চলে তারা বিদ্যুতেরই মতো,
প্রভুর কাজে ব্যস্ত থাকে প্রতিক্ষণ অবিরত।
শপথ সেই কার্যনির্বাহক বিশ্বস্ত ফেরেশতা,
যাদের হাতে পরিচালিত সৃষ্টির নানা কথা।
সবকিছুই চলে সদা মহান রবের হুকুমে,
কোনো কিছুই ঘটে না তো তাঁর ইচ্ছার সীমে।
একদিন আসবে মহাক্ষণ, ভয়ংকর সেই দিন,
যেদিন কেঁপে উঠবে ধরা, ভাঙবে সকল ঋণ।
প্রথম কম্পন আঘাত হেনে দেবে বিশ্ব নাড়িয়ে,
পাহাড়গুলো উড়ে যাবে ধূলিকণায় ভেঙে গিয়ে।
সাগর হবে উত্তাল তখন, আকাশ যাবে ফেটে,
সূর্য-চন্দ্র ম্লান হয়ে যাবে মহা ভয়ের ঘোরেতে।
তারপর আবার দ্বিতীয় সেই কম্পনেরই ডাক,
মৃতেরাও উঠবে জেগে, শেষ হবে না আর ফাঁক।
সেদিন কত হৃদয় হবে ভয়ে কাঁপা-কাঁপা,
দুনিয়াতে যারা ছিল বড়, হারাবে তাদের চাপা।
ক্ষমতা, ধন, অহংকার সব পড়ে থাকবে দূরে,
কেউ পারবে না আশ্রয় নিতে কোনো শক্তির সুরে।
নত হবে সব দৃষ্টি তখন লজ্জা আর আতঙ্কে,
নিজের আমল দেখবে সবাই বিচারেরই রঙে।
যে চোখ ছিল অবাধ্যতায় ব্যস্ত রাত-দুপুর,
সেই চোখ আজ নত হয়ে যাবে রবের ভয়ে ভরপুর।
অবিশ্বাসীরা বলত আগে বিদ্রূপেরই সুরে,
"মৃত্যুর পরে জীবন আবার ফিরবে কেমন করে?"
"চূর্ণ-বিচূর্ণ হাড় যখন মাটির সাথে মিশে,
আবার কি সে জেগে উঠবে নতুন প্রাণের নিশে?"
তারা বলত, "যদি এমন প্রত্যাবর্তন হয়,
তবে তো সেটা হবে আমাদের জন্য ক্ষয়!"
অজ্ঞতারই অন্ধকারে ঢেকেছিল তাদের মন,
দেখতে পায়নি স্রষ্টার মহা কুদরতেরই ক্ষণ।
যিনি প্রথম সৃষ্টি করেন শূন্য থেকে প্রাণ,
তাঁর জন্য কি কঠিন তবে পুনর্জীবন দান?
আসমানের বিস্তৃত ছাদ, পৃথিবীর এ রূপ,
সবই তো তাঁর শক্তির নিদর্শন অপরূপ।
তিনি যখন বলবেন শুধু, "হও", তখনই হয়,
তাঁর ইচ্ছার সামনে কোনো বাধা কোথায় রয়?
কিয়ামতের সে পুনরুত্থান কঠিন কিছু নয়,
স্রষ্টার কাছে অসম্ভবের কোনো নামই নয়।
একটি মাত্র বিকট ধ্বনি আকাশ ভেদ করে,
ঘুমিয়ে থাকা মৃত সবাই জেগে উঠবে তরে।
কবর হতে বেরিয়ে এসে দাঁড়াবে মানবজাতি,
শেষ বিচারের ময়দানে হবে সকলের গতি।
রাজা-প্রজা, ধনী-গরিব, শক্তিমান দুর্বল,
একই সারিতে দাঁড়াবে সব, হবে না কোনো দল।
সেদিন কেবল মূল্য পাবে ঈমান ও আমল,
মিথ্যা গর্ব ভেঙে যাবে, মুছে যাবে ছল।
হে মানব, আজও রয়েছে সময় ফিরে আসার,
সত্যের পথে জীবন গড়ার, রবকে ভালোবাসার।
মৃত্যুর আগে প্রস্তুত হও সেই মহান দিনের তরে,
যেদিন সবাই দাঁড়াবে গিয়ে প্রভুরই দরবারে।
নামাজ, সিয়াম, সৎকর্ম দিয়ে সাজাও জীবনখানি,
তাওবার অশ্রু ঝরাও হৃদয় ভরে, করো না অবহেলা আর জানি।
এই দুনিয়া ক্ষণিকের পথ, চিরস্থায়ী নয়,
আখিরাতের সফলতাই প্রকৃত শান্তিময়।
যে স্মরণ করে কিয়ামতের ভয়ংকর আহ্বান,
তার হৃদয়ে জেগে ওঠে তাকওয়ারই গান।
রবের পথে চলতে গিয়ে পায় সে নূরের দিশা,
অন্ধকার সব দূর হয়ে যায়, জাগে নতুন আশা।
আল্লাহ আমাদের অন্তরে দিন ঈমানের আলো,
সত্যের পথে রাখুন সদা, করুন আমল ভালো।
সত্যের ডাকে জেগে ওঠে যে হৃদয় ঘুমে নয়।
শপথ সেই ফেরেশতাদের, আদেশ যাদের হাতে,
যারা সদা নিয়োজিত রয় প্রভুর বিধান পালনে।
পাপীর প্রাণ টেনে নেয় তারা কঠোরতার সাথে,
যখন আসে মৃত্যুর ক্ষণ নির্ধারিত প্রভুর পথে।
অবাধ্য যারা কাটিয়েছে জীবন পাপের ঘোরে,
সত্যকে তারা দূরে ঠেলে চলেছে অহংকার ভরে।
মৃত্যুর বেলায় কঠিন দৃশ্য সামনে যখন আসে,
আত্মা তখন বেরিয়ে আসে যন্ত্রণারই পাশে।
আবার শপথ সেই ফেরেশতা, মুমিন যাদের প্রিয়,
যারা নেককার বান্দার প্রাণ নেয় সহজ করিয়া।
ঈমানভরা হৃদয় যাদের রবের প্রেমে ভরা,
মৃত্যুও তাদের কাছে যেন শান্তির সুবাসধারা।
আরও শপথ দ্রুতগামী আনুগত্যের দল,
আল্লাহর হুকুম পালনে যাদের নেই কোনো টল।
আদেশ পেলে ছুটে চলে তারা বিদ্যুতেরই মতো,
প্রভুর কাজে ব্যস্ত থাকে প্রতিক্ষণ অবিরত।
শপথ সেই কার্যনির্বাহক বিশ্বস্ত ফেরেশতা,
যাদের হাতে পরিচালিত সৃষ্টির নানা কথা।
সবকিছুই চলে সদা মহান রবের হুকুমে,
কোনো কিছুই ঘটে না তো তাঁর ইচ্ছার সীমে।
একদিন আসবে মহাক্ষণ, ভয়ংকর সেই দিন,
যেদিন কেঁপে উঠবে ধরা, ভাঙবে সকল ঋণ।
প্রথম কম্পন আঘাত হেনে দেবে বিশ্ব নাড়িয়ে,
পাহাড়গুলো উড়ে যাবে ধূলিকণায় ভেঙে গিয়ে।
সাগর হবে উত্তাল তখন, আকাশ যাবে ফেটে,
সূর্য-চন্দ্র ম্লান হয়ে যাবে মহা ভয়ের ঘোরেতে।
তারপর আবার দ্বিতীয় সেই কম্পনেরই ডাক,
মৃতেরাও উঠবে জেগে, শেষ হবে না আর ফাঁক।
সেদিন কত হৃদয় হবে ভয়ে কাঁপা-কাঁপা,
দুনিয়াতে যারা ছিল বড়, হারাবে তাদের চাপা।
ক্ষমতা, ধন, অহংকার সব পড়ে থাকবে দূরে,
কেউ পারবে না আশ্রয় নিতে কোনো শক্তির সুরে।
নত হবে সব দৃষ্টি তখন লজ্জা আর আতঙ্কে,
নিজের আমল দেখবে সবাই বিচারেরই রঙে।
যে চোখ ছিল অবাধ্যতায় ব্যস্ত রাত-দুপুর,
সেই চোখ আজ নত হয়ে যাবে রবের ভয়ে ভরপুর।
অবিশ্বাসীরা বলত আগে বিদ্রূপেরই সুরে,
"মৃত্যুর পরে জীবন আবার ফিরবে কেমন করে?"
"চূর্ণ-বিচূর্ণ হাড় যখন মাটির সাথে মিশে,
আবার কি সে জেগে উঠবে নতুন প্রাণের নিশে?"
তারা বলত, "যদি এমন প্রত্যাবর্তন হয়,
তবে তো সেটা হবে আমাদের জন্য ক্ষয়!"
অজ্ঞতারই অন্ধকারে ঢেকেছিল তাদের মন,
দেখতে পায়নি স্রষ্টার মহা কুদরতেরই ক্ষণ।
যিনি প্রথম সৃষ্টি করেন শূন্য থেকে প্রাণ,
তাঁর জন্য কি কঠিন তবে পুনর্জীবন দান?
আসমানের বিস্তৃত ছাদ, পৃথিবীর এ রূপ,
সবই তো তাঁর শক্তির নিদর্শন অপরূপ।
তিনি যখন বলবেন শুধু, "হও", তখনই হয়,
তাঁর ইচ্ছার সামনে কোনো বাধা কোথায় রয়?
কিয়ামতের সে পুনরুত্থান কঠিন কিছু নয়,
স্রষ্টার কাছে অসম্ভবের কোনো নামই নয়।
একটি মাত্র বিকট ধ্বনি আকাশ ভেদ করে,
ঘুমিয়ে থাকা মৃত সবাই জেগে উঠবে তরে।
কবর হতে বেরিয়ে এসে দাঁড়াবে মানবজাতি,
শেষ বিচারের ময়দানে হবে সকলের গতি।
রাজা-প্রজা, ধনী-গরিব, শক্তিমান দুর্বল,
একই সারিতে দাঁড়াবে সব, হবে না কোনো দল।
সেদিন কেবল মূল্য পাবে ঈমান ও আমল,
মিথ্যা গর্ব ভেঙে যাবে, মুছে যাবে ছল।
হে মানব, আজও রয়েছে সময় ফিরে আসার,
সত্যের পথে জীবন গড়ার, রবকে ভালোবাসার।
মৃত্যুর আগে প্রস্তুত হও সেই মহান দিনের তরে,
যেদিন সবাই দাঁড়াবে গিয়ে প্রভুরই দরবারে।
নামাজ, সিয়াম, সৎকর্ম দিয়ে সাজাও জীবনখানি,
তাওবার অশ্রু ঝরাও হৃদয় ভরে, করো না অবহেলা আর জানি।
এই দুনিয়া ক্ষণিকের পথ, চিরস্থায়ী নয়,
আখিরাতের সফলতাই প্রকৃত শান্তিময়।
যে স্মরণ করে কিয়ামতের ভয়ংকর আহ্বান,
তার হৃদয়ে জেগে ওঠে তাকওয়ারই গান।
রবের পথে চলতে গিয়ে পায় সে নূরের দিশা,
অন্ধকার সব দূর হয়ে যায়, জাগে নতুন আশা।
আল্লাহ আমাদের অন্তরে দিন ঈমানের আলো,
সত্যের পথে রাখুন সদা, করুন আমল ভালো।
যেদিন কেঁপে উঠবে ধরা, হবে মহা বিচার,
সেদিন যেন নাজাত পাই—এই হোক অন্তর আর্তধ্বনি বারবার।
কিয়ামতের শপথ ও পুনরুত্থানের আহ্বান
কিয়ামতের মহাসত্যে জাগুক অন্তর প্রাণ,
রবের বাণী ছড়িয়ে দিক হিদায়াতের গান।
নূরের আলো স্পর্শ করুক ঘুমে আচ্ছন্ন মন,
সত্যের ডাকে কেঁপে উঠুক গাফেল মানবগণ।
অথবা—
আসমানে প্রতিধ্বনিত হয় সতর্কতার বাণী,
জাগিয়ে তোলে নিদ্রিত প্রাণ, খুলে দেয় চোখখানি।
রবের বাণী নূর হয়ে ছড়ায় ভুবনময়,
সত্যের পথে জেগে ওঠে যে হৃদয় ঘুমে নয়।
অথবা আরও গম্ভীর ও সূরাহ আন-নাযিআতের ভাবানুযায়ী—
শপথে শুরু মহান রবের সতর্কতার গান,
যার ধ্বনিতে কেঁপে ওঠে গাফেল মানবপ্রাণ।
নূরের বাণী ছড়িয়ে পড়ে বিশ্বজগতময়,
কিয়ামতের স্মরণে জাগে যে হৃদয় ঘুমে নয়।
এরপর আপনার কবিতার পরবর্তী অংশ—
"শপথ সেই ফেরেশতাদের, আদেশ যাদের হাতে..."
****
কিয়ামতের শপথ ও পুনরুত্থানের আহ্বান
শুরু করি হৃদয় জাগানিয়া এক সত্যের মহাগান,
যে সত্য শুনে কেঁপে ওঠে গাফেল মানবপ্রাণ।
রবের বাণী নূরের মতো ছড়ায় সারা ভুবনময়,
সত্যের ডাকে জেগে ওঠে যে হৃদয় ঘুমে নয়।
শপথ সেই ফেরেশতাদের, আদেশ যাদের হাতে,
যারা সদা নিয়োজিত রয় প্রভুর বিধান পালনে।
পাপীর প্রাণ টেনে নেয় তারা কঠোরতার সাথে,
যখন আসে মৃত্যুর ক্ষণ নির্ধারিত প্রভুর পথে।
অবাধ্য যারা কাটিয়েছে জীবন পাপের ঘোরে,
সত্যকে তারা দূরে ঠেলে চলেছে অহংকার ভরে।
মৃত্যুর বেলায় কঠিন দৃশ্য সামনে যখন আসে,
আত্মা তখন বেরিয়ে আসে যন্ত্রণারই পাশে।
আবার শপথ সেই ফেরেশতা, মুমিন যাদের প্রিয়,
যারা নেককার বান্দার প্রাণ নেয় সহজ করিয়া।
ঈমানভরা হৃদয় যাদের রবের প্রেমে ভরা,
মৃত্যুও তাদের কাছে যেন শান্তির সুবাসধারা।
আরও শপথ দ্রুতগামী আনুগত্যের দল,
আল্লাহর হুকুম পালনে যাদের নেই কোনো টল।
আদেশ পেলে ছুটে চলে তারা বিদ্যুতেরই মতো,
প্রভুর কাজে ব্যস্ত থাকে প্রতিক্ষণ অবিরত।
শপথ সেই কার্যনির্বাহক বিশ্বস্ত ফেরেশতা,
যাদের হাতে পরিচালিত সৃষ্টির নানা কথা।
সবকিছুই চলে সদা মহান রবের হুকুমে,
কোনো কিছুই ঘটে না তো তাঁর ইচ্ছার সীমে।
একদিন আসবে মহাক্ষণ, ভয়ংকর সেই দিন,
যেদিন কেঁপে উঠবে ধরা, ভাঙবে সকল ঋণ।
প্রথম কম্পন আঘাত হেনে দেবে বিশ্ব নাড়িয়ে,
পাহাড়গুলো উড়ে যাবে ধূলিকণায় ভেঙে গিয়ে।
সাগর হবে উত্তাল তখন, আকাশ যাবে ফেটে,
সূর্য-চন্দ্র ম্লান হয়ে যাবে মহা ভয়ের ঘোরেতে।
তারপর আবার দ্বিতীয় সেই কম্পনেরই ডাক,
মৃতেরাও উঠবে জেগে, শেষ হবে না আর ফাঁক।
সেদিন কত হৃদয় হবে ভয়ে কাঁপা-কাঁপা,
দুনিয়াতে যারা ছিল বড়, হারাবে তাদের চাপা।
ক্ষমতা, ধন, অহংকার সব পড়ে থাকবে দূরে,
কেউ পারবে না আশ্রয় নিতে কোনো শক্তির সুরে।
নত হবে সব দৃষ্টি তখন লজ্জা আর আতঙ্কে,
নিজের আমল দেখবে সবাই বিচারেরই রঙে।
যে চোখ ছিল অবাধ্যতায় ব্যস্ত রাত-দুপুর,
সেই চোখ আজ নত হয়ে যাবে রবের ভয়ে ভরপুর।
অবিশ্বাসীরা বলত আগে বিদ্রূপেরই সুরে,
"মৃত্যুর পরে জীবন আবার ফিরবে কেমন করে?"
"চূর্ণ-বিচূর্ণ হাড় যখন মাটির সাথে মিশে,
আবার কি সে জেগে উঠবে নতুন প্রাণের নিশে?"
তারা বলত, "যদি এমন প্রত্যাবর্তন হয়,
তবে তো সেটা হবে আমাদের জন্য ক্ষয়!"
অজ্ঞতারই অন্ধকারে ঢেকেছিল তাদের মন,
দেখতে পায়নি স্রষ্টার মহা কুদরতেরই ক্ষণ।
যিনি প্রথম সৃষ্টি করেন শূন্য থেকে প্রাণ,
তাঁর জন্য কি কঠিন তবে পুনর্জীবন দান?
আসমানের বিস্তৃত ছাদ, পৃথিবীর এ রূপ,
সবই তো তাঁর শক্তির নিদর্শন অপরূপ।
তিনি যখন বলবেন শুধু, "হও", তখনই হয়,
তাঁর ইচ্ছার সামনে কোনো বাধা কোথায় রয়?
কিয়ামতের সে পুনরুত্থান কঠিন কিছু নয়,
স্রষ্টার কাছে অসম্ভবের কোনো নামই নয়।
একটি মাত্র বিকট ধ্বনি আকাশ ভেদ করে,
ঘুমিয়ে থাকা মৃত সবাই জেগে উঠবে তরে।
কবর হতে বেরিয়ে এসে দাঁড়াবে মানবজাতি,
শেষ বিচারের ময়দানে হবে সকলের গতি।
রাজা-প্রজা, ধনী-গরিব, শক্তিমান দুর্বল,
একই সারিতে দাঁড়াবে সব, হবে না কোনো দল।
সেদিন কেবল মূল্য পাবে ঈমান ও আমল,
মিথ্যা গর্ব ভেঙে যাবে, মুছে যাবে ছল।
হে মানব, আজও রয়েছে সময় ফিরে আসার,
সত্যের পথে জীবন গড়ার, রবকে ভালোবাসার।
মৃত্যুর আগে প্রস্তুত হও সেই মহান দিনের তরে,
যেদিন সবাই দাঁড়াবে গিয়ে প্রভুরই দরবারে।
নামাজ, সিয়াম, সৎকর্ম দিয়ে সাজাও জীবনখানি,
তাওবার অশ্রু ঝরাও হৃদয় ভরে, করো না অবহেলা আর জানি।
এই দুনিয়া ক্ষণিকের পথ, চিরস্থায়ী নয়,
আখিরাতের সফলতাই প্রকৃত শান্তিময়।
যে স্মরণ করে কিয়ামতের ভয়ংকর আহ্বান,
তার হৃদয়ে জেগে ওঠে তাকওয়ারই গান।
রবের পথে চলতে গিয়ে পায় সে নূরের দিশা,
অন্ধকার সব দূর হয়ে যায়, জাগে নতুন আশা।
আল্লাহ আমাদের অন্তরে দিন ঈমানের আলো,
সত্যের পথে রাখুন সদা, করুন আমল ভালো।
যেদিন কেঁপে উঠবে ধরা, হবে মহা বিচার,
সেদিন যেন নাজাত পাই—এই হোক অন্তর আর্তধ্বনি বারবার।
আমীন।
শুরু করি হৃদয় জাগানিয়া এক সত্যের মহাগান,
যে সত্য শুনে কেঁপে ওঠে গাফেল মানবপ্রাণ।পরিবর্তন করুন
কিয়ামতের সেই মহাসত্য গাই আজ ছন্দের বাণী,
যে বাণী শুনে কেঁপে ওঠে গাফেল হৃদয়খানি।
কিয়ামতের শপথ ও পুনরুত্থানের আহ্বান
শুরু করি হৃদয় জাগানিয়া এক সত্যের মহাগান,
যে সত্য শুনে কেঁপে ওঠে গাফেল মানবপ্রাণ।
রবের বাণী নূরের মতো ছড়ায় সারা ভুবনময়,
সত্যের ডাকে জেগে ওঠে যে হৃদয় ঘুমে নয়।
শপথ সেই ফেরেশতাদের, আদেশ যাদের হাতে,
যারা সদা নিয়োজিত রয় প্রভুর বিধান পালনে।
পাপীর প্রাণ টেনে নেয় তারা কঠোরতার সাথে,
যখন আসে মৃত্যুর ক্ষণ নির্ধারিত প্রভুর পথে।
অবাধ্য যারা কাটিয়েছে জীবন পাপের ঘোরে,
সত্যকে তারা দূরে ঠেলে চলেছে অহংকার ভরে।
মৃত্যুর বেলায় কঠিন দৃশ্য সামনে যখন আসে,
আত্মা তখন বেরিয়ে আসে যন্ত্রণারই পাশে।
আবার শপথ সেই ফেরেশতা, মুমিন যাদের প্রিয়,
যারা নেককার বান্দার প্রাণ নেয় সহজ করিয়া।
ঈমানভরা হৃদয় যাদের রবের প্রেমে ভরা,
মৃত্যুও তাদের কাছে যেন শান্তির সুবাসধারা।
আরও শপথ দ্রুতগামী আনুগত্যের দল,
আল্লাহর হুকুম পালনে যাদের নেই কোনো টল।
আদেশ পেলে ছুটে চলে তারা বিদ্যুতেরই মতো,
প্রভুর কাজে ব্যস্ত থাকে প্রতিক্ষণ অবিরত।
শপথ সেই কার্যনির্বাহক বিশ্বস্ত ফেরেশতা,
যাদের হাতে পরিচালিত সৃষ্টির নানা কথা।
সবকিছুই চলে সদা মহান রবের হুকুমে,
কোনো কিছুই ঘটে না তো তাঁর ইচ্ছার সীমে।
একদিন আসবে মহাক্ষণ, ভয়ংকর সেই দিন,
যেদিন কেঁপে উঠবে ধরা, ভাঙবে সকল ঋণ।
প্রথম কম্পন আঘাত হেনে দেবে বিশ্ব নাড়িয়ে,
পাহাড়গুলো উড়ে যাবে ধূলিকণায় ভেঙে গিয়ে।
সাগর হবে উত্তাল তখন, আকাশ যাবে ফেটে,
সূর্য-চন্দ্র ম্লান হয়ে যাবে মহা ভয়ের ঘোরেতে।
তারপর আবার দ্বিতীয় সেই কম্পনেরই ডাক,
মৃতেরাও উঠবে জেগে, শেষ হবে না আর ফাঁক।
সেদিন কত হৃদয় হবে ভয়ে কাঁপা-কাঁপা,
দুনিয়াতে যারা ছিল বড়, হারাবে তাদের চাপা।
ক্ষমতা, ধন, অহংকার সব পড়ে থাকবে দূরে,
কেউ পারবে না আশ্রয় নিতে কোনো শক্তির সুরে।
নত হবে সব দৃষ্টি তখন লজ্জা আর আতঙ্কে,
নিজের আমল দেখবে সবাই বিচারেরই রঙে।
যে চোখ ছিল অবাধ্যতায় ব্যস্ত রাত-দুপুর,
সেই চোখ আজ নত হয়ে যাবে রবের ভয়ে ভরপুর।
অবিশ্বাসীরা বলত আগে বিদ্রূপেরই সুরে,
"মৃত্যুর পরে জীবন আবার ফিরবে কেমন করে?"
"চূর্ণ-বিচূর্ণ হাড় যখন মাটির সাথে মিশে,
আবার কি সে জেগে উঠবে নতুন প্রাণের নিশে?"
তারা বলত, "যদি এমন প্রত্যাবর্তন হয়,
তবে তো সেটা হবে আমাদের জন্য ক্ষয়!"
অজ্ঞতারই অন্ধকারে ঢেকেছিল তাদের মন,
দেখতে পায়নি স্রষ্টার মহা কুদরতেরই ক্ষণ।
যিনি প্রথম সৃষ্টি করেন শূন্য থেকে প্রাণ,
তাঁর জন্য কি কঠিন তবে পুনর্জীবন দান?
আসমানের বিস্তৃত ছাদ, পৃথিবীর এ রূপ,
সবই তো তাঁর শক্তির নিদর্শন অপরূপ।
তিনি যখন বলবেন শুধু, "হও", তখনই হয়,
তাঁর ইচ্ছার সামনে কোনো বাধা কোথায় রয়?
কিয়ামতের সে পুনরুত্থান কঠিন কিছু নয়,
স্রষ্টার কাছে অসম্ভবের কোনো নামই নয়।
একটি মাত্র বিকট ধ্বনি আকাশ ভেদ করে,
ঘুমিয়ে থাকা মৃত সবাই জেগে উঠবে তরে।
কবর হতে বেরিয়ে এসে দাঁড়াবে মানবজাতি,
শেষ বিচারের ময়দানে হবে সকলের গতি।
রাজা-প্রজা, ধনী-গরিব, শক্তিমান দুর্বল,
একই সারিতে দাঁড়াবে সব, হবে না কোনো দল।
সেদিন কেবল মূল্য পাবে ঈমান ও আমল,
মিথ্যা গর্ব ভেঙে যাবে, মুছে যাবে ছল।
হে মানব, আজও রয়েছে সময় ফিরে আসার,
সত্যের পথে জীবন গড়ার, রবকে ভালোবাসার।
মৃত্যুর আগে প্রস্তুত হও সেই মহান দিনের তরে,
যেদিন সবাই দাঁড়াবে গিয়ে প্রভুরই দরবারে।
নামাজ, সিয়াম, সৎকর্ম দিয়ে সাজাও জীবনখানি,
তাওবার অশ্রু ঝরাও হৃদয় ভরে, করো না অবহেলা আর জানি।
এই দুনিয়া ক্ষণিকের পথ, চিরস্থায়ী নয়,
আখিরাতের সফলতাই প্রকৃত শান্তিময়।
যে স্মরণ করে কিয়ামতের ভয়ংকর আহ্বান,
তার হৃদয়ে জেগে ওঠে তাকওয়ারই গান।
রবের পথে চলতে গিয়ে পায় সে নূরের দিশা,
অন্ধকার সব দূর হয়ে যায়, জাগে নতুন আশা।
আল্লাহ আমাদের অন্তরে দিন ঈমানের আলো,
সত্যের পথে রাখুন সদা, করুন আমল ভালো।
যেদিন কেঁপে উঠবে ধরা, হবে মহা বিচার,
***
শপথ সেই ফেরেশতাদের, আদেশ যাদের হাতে,
যারা সদা নিয়োজিত রয় প্রভুর বিধান পালনে।
পাপীর প্রাণ টেনে নেয় তারা কঠোরতার সাথে,
যখন আসে মৃত্যুর ক্ষণ নির্ধারিত প্রভুর পথে।
অবাধ্য যারা কাটিয়েছে জীবন পাপের ঘোরে,
সত্যকে তারা দূরে ঠেলে চলেছে অহংকার ভরে।
মৃত্যুর বেলায় কঠিন দৃশ্য সামনে যখন আসে,
আত্মা তখন বেরিয়ে আসে যন্ত্রণারই পাশে।
আবার শপথ সেই ফেরেশতা, মুমিন যাদের প্রিয়,
যারা নেককার বান্দার প্রাণ নেয় সহজ করিয়া।
ঈমানভরা হৃদয় যাদের রবের প্রেমে ভরা,
মৃত্যুও তাদের কাছে যেন শান্তির সুবাসধারা।
আরও শপথ দ্রুতগামী আনুগত্যের দল,
আল্লাহর হুকুম পালনে যাদের নেই কোনো টল।
আদেশ পেলে ছুটে চলে তারা বিদ্যুতেরই মতো,
প্রভুর কাজে ব্যস্ত থাকে প্রতিক্ষণ অবিরত।
শপথ সেই কার্যনির্বাহক বিশ্বস্ত ফেরেশতা,
যাদের হাতে পরিচালিত সৃষ্টির নানা কথা।
সবকিছুই চলে সদা মহান রবের হুকুমে,
কোনো কিছুই ঘটে না তো তাঁর ইচ্ছার সীমে।
একদিন আসবে মহাক্ষণ, ভয়ংকর সেই দিন,
যেদিন কেঁপে উঠবে ধরা, ভাঙবে সকল ঋণ।
প্রথম কম্পন আঘাত হেনে দেবে বিশ্ব নাড়িয়ে,
পাহাড়গুলো উড়ে যাবে ধূলিকণায় ভেঙে গিয়ে।
সাগর হবে উত্তাল তখন, আকাশ যাবে ফেটে,
সূর্য-চন্দ্র ম্লান হয়ে যাবে মহা ভয়ের ঘোরেতে।
তারপর আবার দ্বিতীয় সেই কম্পনেরই ডাক,
মৃতেরাও উঠবে জেগে, শেষ হবে না আর ফাঁক।
সেদিন কত হৃদয় হবে ভয়ে কাঁপা-কাঁপা,
দুনিয়াতে যারা ছিল বড়, হারাবে তাদের চাপা।
ক্ষমতা, ধন, অহংকার সব পড়ে থাকবে দূরে,
কেউ পারবে না আশ্রয় নিতে কোনো শক্তির সুরে।
নত হবে সব দৃষ্টি তখন লজ্জা আর আতঙ্কে,
নিজের আমল দেখবে সবাই বিচারেরই রঙে।
যে চোখ ছিল অবাধ্যতায় ব্যস্ত রাত-দুপুর,
সেই চোখ আজ নত হয়ে যাবে রবের ভয়ে ভরপুর।
অবিশ্বাসীরা বলত আগে বিদ্রূপেরই সুরে,
"মৃত্যুর পরে জীবন আবার ফিরবে কেমন করে?"
"চূর্ণ-বিচূর্ণ হাড় যখন মাটির সাথে মিশে,
আবার কি সে জেগে উঠবে নতুন প্রাণের নিশে?"
তারা বলত, "যদি এমন প্রত্যাবর্তন হয়,
তবে তো সেটা হবে আমাদের জন্য ক্ষয়!"
অজ্ঞতারই অন্ধকারে ঢেকেছিল তাদের মন,
দেখতে পায়নি স্রষ্টার মহা কুদরতেরই ক্ষণ।
যিনি প্রথম সৃষ্টি করেন শূন্য থেকে প্রাণ,
তাঁর জন্য কি কঠিন তবে পুনর্জীবন দান?
আসমানের বিস্তৃত ছাদ, পৃথিবীর এ রূপ,
সবই তো তাঁর শক্তির নিদর্শন অপরূপ।
তিনি যখন বলবেন শুধু, "হও", তখনই হয়,
তাঁর ইচ্ছার সামনে কোনো বাধা কোথায় রয়?
কিয়ামতের সে পুনরুত্থান কঠিন কিছু নয়,
স্রষ্টার কাছে অসম্ভবের কোনো নামই নয়।
একটি মাত্র বিকট ধ্বনি আকাশ ভেদ করে,
ঘুমিয়ে থাকা মৃত সবাই জেগে উঠবে তরে।
কবর হতে বেরিয়ে এসে দাঁড়াবে মানবজাতি,
শেষ বিচারের ময়দানে হবে সকলের গতি।
রাজা-প্রজা, ধনী-গরিব, শক্তিমান দুর্বল,
একই সারিতে দাঁড়াবে সব, হবে না কোনো দল।
সেদিন কেবল মূল্য পাবে ঈমান ও আমল,
মিথ্যা গর্ব ভেঙে যাবে, মুছে যাবে ছল।
হে মানব, আজও রয়েছে সময় ফিরে আসার,
সত্যের পথে জীবন গড়ার, রবকে ভালোবাসার।
মৃত্যুর আগে প্রস্তুত হও সেই মহান দিনের তরে,
যেদিন সবাই দাঁড়াবে গিয়ে প্রভুরই দরবারে।
নামাজ, সিয়াম, সৎকর্ম দিয়ে সাজাও জীবনখানি,
তাওবার অশ্রু ঝরাও হৃদয় ভরে, করো না অবহেলা আর জানি।
এই দুনিয়া ক্ষণিকের পথ, চিরস্থায়ী নয়,
আখিরাতের সফলতাই প্রকৃত শান্তিময়।
যে স্মরণ করে কিয়ামতের ভয়ংকর আহ্বান,
তার হৃদয়ে জেগে ওঠে তাকওয়ারই গান।
রবের পথে চলতে গিয়ে পায় সে নূরের দিশা,
অন্ধকার সব দূর হয়ে যায়, জাগে নতুন আশা।
আল্লাহ আমাদের অন্তরে দিন ঈমানের আলো,
সত্যের পথে রাখুন সদা, করুন আমল ভালো।
যেদিন কেঁপে উঠবে ধরা, হবে মহা বিচার,
সেদিন যেন নাজাত পাই—এই হোক অন্তর আর্তধ্বনি বারবার।
কিয়ামতের শপথ ও পুনরুত্থানের আহ্বান
কিয়ামতের মহাসত্যে জাগুক অন্তর প্রাণ,
রবের বাণী ছড়িয়ে দিক হিদায়াতের গান।
নূরের আলো স্পর্শ করুক ঘুমে আচ্ছন্ন মন,
সত্যের ডাকে কেঁপে উঠুক গাফেল মানবগণ।
০
০ মন্তব্য