Loading..

ব্লগ

রিসেট

১৮ জুন, ২০২৬ ০৩:৫০ পূর্বাহ্ণ

অভাব ,চাহিদা ও সঠিক সিদ্ধান্ত -মোঃ মুজিবুর রহমান



অভাব ,চাহিদা সঠিক সিদ্ধান্ত

মোঃ মুজিবুর রহমান

সহকারী অধ্যাপক

মোজাদ্দেদীয়া ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসা,কালিয়াকৈর, গাজীপুর।

শুরু করি জ্ঞান-আলোর এক নির্মল মহাগান,
যে গানে জাগে কর্ম, চিন্তা, প্রজ্ঞা আর কল্যাণ।
মানুষ আসে পৃথিবীতে স্বপ্নভরা মন নিয়ে,
হাজার রকম চাওয়া-পাওয়ার রঙিন আশা বুকে নিয়ে।

চাহিদা তার নদীর মতো বহমান নিরন্তর,
একটি পূরণ হলে জাগে আরেক আকাঙ্ক্ষার ঘর।
কিন্তু সম্পদ সীমিত, সীমিত সময় শক্তি,
সেই সীমার মাঝেই গড়তে হয় জীবনের সার্থক ভক্তি।

অভাব যেন জীবনের এক চিরচেনা সাথি,
ধনী-গরিব সবার ঘরেই তার রয়েছে গাঁথি।
কারও অভাব অন্নের তরে, কারও শিক্ষার আলো,
কারও আবার সম্মান-সুখে পূর্ণ হয় না ভালো।

তাই তো মানুষ শিখেছে যুগে যুগে এক জ্ঞান,
কীভাবে সীমিত সম্পদে গড়া যায় কল্যাণ।
অর্থনীতির মূল বাণী সহজ অথচ গভীর,
সঠিক সিদ্ধান্তেই লুকায় উন্নতির পথ-নদীর।

অসীম চাহিদার বিপরীতে সীমিত যখন ধন,
তখন প্রজ্ঞাই দেখায় মানুষকে সঠিক জীবনপণ।
যা কিছু আছে হাতের কাছে, তারই করতে হয় ব্যবহার,
অপচয়ের পথ ত্যাগ করে গড়তে হয় সমৃদ্ধির দ্বার।

অগ্রাধিকার শেখায় মানুষ কোনটি আগে চাই,
কোনটি ছাড়া আজ চলিবে, কোনটি জরুরি তাই।
সব ইচ্ছাকে একসাথে পূরণ করা যায় না কভু,
বিবেক তখন পথ দেখায় ধৈর্যের মধুর রব।

যে কৃষকের অল্প জমি, সীমিত যার বীজ,
সঠিক পরিকল্পনায় সেও ফলায় সোনার শীষ।
যে শিক্ষার্থীর সময় কম, পরীক্ষা অতি নিকট,
গুরুত্বপূর্ণ বিষয় পড়ে হয় সে অধিক দক্ষ।

যে পরিবারের আয় অল্প, ব্যয় অনেক বেশি,
সুশৃঙ্খল হিসাব রাখলে হাসি ফোটে রেশি রেশি।
অপ্রয়োজনীয় ব্যয় কমিয়ে, সঞ্চয় করে ধীরে,
নিরাপত্তার বীজ বোনে আগামী দিনের তীরে।

একটি সিদ্ধান্ত নিলে আরেকটি ছাড়তে হয়,
এই সত্যটি জীবনের পথে প্রতিনিয়ত রয়।
অর্থনীতির ভাষায় যাকে সুযোগ ব্যয় বলে,
জীবনের প্রতিটি পদক্ষেপে সে শিক্ষা কথা বলে।

যদি কেউ বই কেনে জ্ঞানের আলো পাবার তরে,
হয়তো কিছু বিনোদনের খরচ কমে পড়ে।
যদি কেউ সঞ্চয় করে ভবিষ্যতের আশায়,
আজকের কিছু বিলাসিতা বিদায় নেয় ভাষায়।

তাই সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে ভাবতে হয় বারবার,
কোন বিকল্প অধিক কল্যাণ আনে জীবনের দ্বার।
যে সিদ্ধান্ত দূরদৃষ্টি আর প্রজ্ঞা দিয়ে গড়া,
সেই সিদ্ধান্তই হয় শেষে সাফল্যের পথ ধরা।

বাজার জুড়ে চাহিদা আর যোগানের খেলা,
এই নিয়মে চলে বিশ্বের অর্থনীতির মেলা।
কখনো দাম বাড়ে বেশি, কখনো কমে যায়,
চাহিদা-যোগানের ভারসাম্য সে কথাই বোঝায়।

উৎপাদক যদি বোঝে মানুষের প্রয়োজন,
বাড়ে তখন উৎপাদন, জাগে উন্নয়নের মন।
ভোক্তাও যদি সচেতন হয়, বুঝে ব্যয়ের রীতি,
সমৃদ্ধ হয় ব্যক্তি, সমাজ, রাষ্ট্রের অর্থনীতি।

জ্ঞানহীন ভোগ মানুষকে প্রায়ই করে ক্ষতি,
অবিবেচক সিদ্ধান্ত আনে অনিশ্চয়তার গতি।
অন্যদিকে অর্থনৈতিক সচেতনতার আলো,
অল্প সম্পদেও মানুষকে বাঁচতে শেখায় ভালো।

শ্রম, মেধা, সময়, অর্থসবই মূল্যবান,
অপচয় নয়, সঠিক ব্যবহারেই বাড়ে সম্মান।
এক ফোঁটা জল, এক কণা ধান, এক মুহূর্ত কাল,
সঠিকভাবে কাজে লাগলে বদলে যায় হাল।

অর্থনীতি কেবল সংখ্যার হিসাব নয় কখনো,
এটি জীবনের বাস্তব পাঠ, কল্যাণেরই ধন।
এটি শেখায় সংযম, শেখায় পরিকল্পনা,
শেখায় ভবিষ্যৎ গড়ার দৃঢ় প্রত্যয়-প্রার্থনা।

যে জাতি সম্পদের মূল্য বুঝে সঠিকভাবে,
সে জাতি এগিয়ে যায় উন্নয়নের মহাভাবে।
যে জাতি জ্ঞানকে করে উন্নতির প্রধান হাতিয়ার,
তারই হাতে রচিত হয় সমৃদ্ধ আগামী দ্বার।

অভাব কখনো অভিশাপ নয়, যদি থাকে জ্ঞান,
সীমাবদ্ধতার মাঝেই লুকায় সম্ভাবনার গান।
চ্যালেঞ্জকে সুযোগ করে যে এগিয়ে যেতে জানে,
সাফল্যের সুবর্ণ ইতিহাস রচিত হয় তার টানে।

তাই হে মানুষ, শিখো আগে প্রজ্ঞার অর্থনীতি,
সিদ্ধান্তে আনো বিবেচনা, দূরদৃষ্টি নীতি।
চাহিদা আর সামর্থ্যের মাঝে গড়ো সুন্দর সেতু,
তবেই ফুটবে জীবনের বাগান, মুছে যাবে ক্ষত।

অল্প সম্পদ, সীমিত সুযোগভয় নয় কোনোদিন,
জ্ঞান, শ্রম আর পরিকল্পনাই বদলায় ভাগ্যলিখন।
অভাব চাহিদার সাথে সমন্বয়ের মহাবাণী,
মানবসভ্যতার অগ্রযাত্রার চিরন্তন জ্ঞানের খনি।

আসুন তবে সবাই মিলে করি নতুন শপথ,
অপচয় ত্যাগ, প্রজ্ঞার চর্চা হোক জীবনের রথ।
সঠিক বিকল্প বেছে নিয়ে এগোব কল্যাণপথে,
মানবতার সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ গড়ব হাতে হাতে।

জ্ঞান হোক আলো, প্রজ্ঞা হোক সিদ্ধান্তের দিশারী,
সংযম হোক চরিত্রগাথা, শ্রম হোক পথচারি।
অভাব, চাহিদা, সম্পদ আর জীবনের সকল টান
সুষম সমন্বয়েই রচিত হোক উন্নয়নের মহাগান।

***

শুরু করি জ্ঞান-আলোর এক নির্মল প্রজ্ঞার গান,
যে গানে জাগে কর্ম, চিন্তা, বিবেক আর কল্যাণ।
মানুষ আসে ধরার বুকে স্বপ্নময় প্রাণ নিয়ে,
অসংখ্য আশা-আকাঙ্ক্ষা হৃদয়-মাঝে বুনে নিয়ে।

চাহিদা তার দিগন্তজোড়া, সীমাহীন বিস্তার,
একটি পূরণ হলে জাগে আরেক চাওয়ার দ্বার।
কিন্তু সম্পদ সীমিত, সীমিত সময় বল,
সেই সীমার মাঝেই গড়তে হয় জীবনের সফল ফল।

অভাব যেন চিরসাথি মানবজীবন-পথে,
তারই মাঝে খুঁজতে হয় সম্ভাবনার রথে।
কারও প্রয়োজন অন্ন-বস্ত্র, কারও শিক্ষার আলো,
কারও আবার নৈতিক শক্তি জীবন গড়ার ভালো।

প্রকৃতি যেন নীরবে বলে—“সীমিত সব দান,
তাই তো মানুষ শিখেছে গড়তে অর্থজ্ঞান।
যা কিছু আছে হাতে তারই করতে হয় ব্যবহার,
সঠিক বুদ্ধি পরিকল্পনায় খুলে সমৃদ্ধির দ্বার।

অর্থনীতি শেখায় মানুষ গ্রহণ-বর্জনের রীতি,
কোনটি জরুরি, কোনটি পরেসেই বিচারের নীতি।
সব চাহিদা পূরণ করা সম্ভব নয় একসাথে,
তাই প্রজ্ঞা পথ দেখায় মানুষকে প্রতিক্ষণে।

একটি বিকল্প বেছে নিলে আরেকটি যায় ছুটে,
এই সত্যটি জীবনের সাথে জড়িয়ে আছে মূলে।
অর্থনীতির ভাষায় যার নাম সুযোগ ব্যয়,
সঠিক জ্ঞানেই মানুষ তখন সিদ্ধান্ত নিতে চায়।

যে কৃষকের জমি অল্প, বীজও সীমিত যার,
সঠিক পরিকল্পনায় সে- গড়ে ফসলের ভান্ডার।
যে শিক্ষার্থীর সময় কম, পরীক্ষার দিন নিকট,
অগ্রাধিকারের জ্ঞানেই হয় সে অধিক দক্ষ।

যে পরিবারের আয় অল্প, ব্যয়ের চাপও ভার,
সংযম হিসাব রাখলে খুলে স্বস্তির দ্বার।
অপ্রয়োজনীয় ব্যয় কমিয়ে সঞ্চয়ের বীজ বোনে,
আগামী দিনের নিরাপত্তা নীরবে তখন গড়ে।

বাজারজুড়ে চাহিদা আর যোগানের সমাহার,
এই নিয়মে সচল থাকে অর্থনীতির সংসার।
কখনো মূল্য বাড়ে বেশি, কখনো নেমে যায়,
চাহিদা-যোগানের ভারসাম্য সে কথাই বোঝায়।

উৎপাদক যদি বোঝে মানুষের প্রকৃত প্রয়োজন,
বাড়ে তখন উৎপাদন, জাগে উন্নয়নের মন।
ভোক্তাও যদি সচেতন হয় ব্যয়ের সঠিক রীতি,
সমৃদ্ধ হয় ব্যক্তি, সমাজ, রাষ্ট্রের অর্থনীতি।

শ্রম, মেধা, সময়, অর্থসবই অমূল্য ধন,
অপচয়ের পথে নয়, হোক কল্যাণে তার ব্যবহার।
এক ফোঁটা জল, এক কণা ধান, এক মুহূর্ত কাল,
সঠিক কাজে লাগাতে পারলে বদলে যায় হাল।

অর্থনীতি কেবল নয় সংখ্যার হিসাবখাতা,
এটি জীবনের বাস্তব জ্ঞান, প্রজ্ঞার মহাগাথা।
এটি শেখায় সংযম, শেখায় দূরদৃষ্টি,
শেখায় সীমার মাঝেই গড়তে উন্নতির সৃষ্টি।

যে জাতি সম্পদের মূল্য বোঝে যথাযথভাবে,
সে জাতি এগিয়ে চলে উন্নয়নের মহাভাবে।
যে জাতি জ্ঞানকে করে অগ্রগতির হাতিয়ার,
তারই হাতে নির্মিত হয় সমৃদ্ধ আগামীর দ্বার।

অভাব কোনো অভিশাপ নয়, যদি থাকে জ্ঞান,
সীমাবদ্ধতার মাঝেই লুকায় সম্ভাবনার গান।
চাহিদা আর সামর্থ্যের মাঝে গড়ি সেতুবন্ধন,
প্রজ্ঞা, শ্রম পরিকল্পনায় হোক জীবনের গঠন।

আসুন সবাই শপথ করি বিবেক হবে পথপ্রদর্শক,
সঠিক বিকল্প নির্বাচনে হব আমরা সচেষ্ট।
গ্রহণ-বর্জনের প্রজ্ঞা নিয়ে চলব কল্যাণপথে,
মানবতার সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ গড়ব হাতে হাতে।

জ্ঞান হোক আলো, প্রজ্ঞা হোক সিদ্ধান্তের দিশারী,
সংযম হোক চরিত্রের শোভা, শ্রম হোক পথচারি।
অভাব, চাহিদা, সম্পদ আর জীবনের সকল টান
সুষম সমন্বয়েই রচিত হোক উন্নয়নের প্রজ্ঞার গান।

***

বিকল্প নির্বাচনের প্রজ্ঞা

জীবন যেন পথের মোড়ে অগণিত আহ্বান,
প্রতিটি পথে লুকিয়ে থাকে ভিন্ন সম্ভাবন।
কোনটি নেব, কোনটি ছাড়বজাগে প্রশ্ন নিত্য,
সিদ্ধান্তের মাঝেই গড়ে জীবনের ভবিতব্য।

সবকিছুই পাওয়া যাবে আশা নয় সত্য,
সীমিত সাধ্য শেখায় মানুষ বাস্তবতার নিত্য।
একটি সুখের আশায় যদি অন্য সুখ যায় হারায়,
সুযোগ ব্যয়ের শিক্ষা তখন নীরবে কথা শোনায়।

আজ যদি করি অপচয়, কাল হবে তার ক্ষতি,
আজ যদি করি সঞ্চয়, জাগে আগামীর গতি।
যে দূরদৃষ্টির আলোয় দেখে আগামী দিনের মান,
তার হাতেই নিরাপদ হয় জীবনের সম্মান।

অল্প অল্প সঞ্চয় যেন শিশিরবিন্দু জল,
জমতে জমতে একদিন তা হয় সম্ভাবনার ফল।
বিপদের দিনে আশ্রয় দেয়, দুঃসময়ে বল,
সঞ্চয়ের এই মহিমাতে জীবন পায় সফল।

যে পরিবার ব্যয় করে জ্ঞানের আলো হাতে,
সুখের বীজ বপন করে আগামী প্রভাতে।
অপ্রয়োজনীয় আকর্ষণ যখন থাকে দূরে,
সমৃদ্ধির পথ খুলে যায় নীরব সুরের সুরে।

শ্রমই সকল উন্নতির মূল প্রেরণাশক্তি,
শ্রমবিহীন স্বপ্ন কভু পায় না সফল গতি।
কৃষকের ঘামে জন্ম নেয় সোনালি ফসলখানি,
কারিগরের হাতে গড়ে সভ্যতার গল্পগাঁথা জানি।

শ্রমের সাথে জ্ঞানের মিলন ঘটলে অবিরাম,
জাতির বুকে জেগে ওঠে উন্নয়নের ধাম।
মেধা, শ্রম আর সততাই সমৃদ্ধির মূলধন,
এই ত্রিবেণীর স্রোতধারায় জাগে জাতির জীবন।

অভাব থাকবে, চাহিদাও রবে মানবজীবন জুড়ে,
প্রজ্ঞা যদি থাকে সাথে, পথ হারাবে না কেউ রে।
বিকল্প জ্ঞানের আলো হাতে এগিয়ে যাবে মানুষ,
অন্ধকারের সীমা পেরিয়ে গড়বে নতুন সূর্যোদয়।

চাহিদা আর সামর্থ্যের মাঝে গড়ি সেতুর বাঁধন,
পরিকল্পনা, সংযম, শ্রমে হোক জীবনের সাধন।
জ্ঞান হোক শক্তি, নীতি হোক সকল কর্মের প্রাণ,
তবেই রচিত হবে ধরায় কল্যাণের মহাগ্রন্থ মহান।

আসুন তবে শপথ করি, হব সচেতন সবাই,
সঠিক পথে সম্পদ ব্যয় করব ন্যায়ের ঠাঁই।
গ্রহণ-বর্জনের প্রজ্ঞা হবে জীবনের দিশা,
সত্য, শ্রম জ্ঞানের আলো দূর করবে সব বিষাদ।

অভাব, চাহিদা, সম্পদ, শ্রমজীবনের এই গান,
সুষম সমন্বয়েই লুকায় উন্নয়নের জয়গান।
মানবতার কল্যাণ হোক প্রতিটি কর্মে প্রাণ,
প্রজ্ঞার আলোয় উদ্ভাসিত হোক ভবিষ্যৎ মহীয়ান।

***

সংযম শুধু বঞ্চনা নয়, প্রজ্ঞার দীপ্তি তার,
সংযম মানুষ শেখায় গড়তে কল্যাণের দ্বার।
যে সব পায়, সবই ভোগেসে নয় সত্য জ্ঞানী,
প্রয়োজনের সীমা বুঝে চলে যেই, সে- মহাপ্রাণী।

চাহিদার অশ্ব ছুটে চলে দিগন্তেরও পরে,
সংযম এসে লাগাম ধরে বিবেকেরই তরে।
আজ যা আছে, তারই মাঝে খুঁজে নেয় যে সুখ,
তার জীবনেই ফুটে ওঠে শান্তির নির্মল মুখ।

সংযম শেখায় সঞ্চয় করতে ভবিষ্যতের তরে,
ঝড় এলে যাতে ভেঙে না পড়ে জীবন মাঝপথে।
অল্প আয়ে অল্প ব্যয়ে গড়ে যে সুন্দর ঘর,
প্রজ্ঞার আলো জ্বলে থাকে তারই অন্তরভর।

অপচয়ের আগুন যত সম্পদ করে ক্ষয়,
সংযমের স্নিগ্ধ ধারায় তত সমৃদ্ধি হয়।
এক মুঠো ধান, এক ফোঁটা জল, এক মুহূর্ত কাল,
সযতনে রাখলে তারই বদলে যায় হাল।

যে ব্যক্তি সংযম জানে, সে জানে মূল্য কত,
কষ্টে অর্জিত প্রতিটি দান কত অমূল্য রত্ন।
সেই শিক্ষা পরিবার পেরিয়ে সমাজে ছড়ায় আলো,
জাতির বুকে জাগায় তখন উন্নয়নের ভালো।

সংযম, শ্রম অর্থজ্ঞানএই ত্রয়ীর মিলন,
গড়ে তোলে সুদৃঢ় ভিত্তি, সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ-জীবন।
অভাব, চাহিদা, সীমিত সাধ্যসবই পায় সম্মান,
যখন প্রজ্ঞার হাতে থাকে সিদ্ধান্তের লাগাম।

মন্তব্য করুন