সহকারী শিক্ষক
২০ জুন, ২০২৬ ০৬:০২ অপরাহ্ণ
সহকারী শিক্ষক
প্রখ্যাত রবীন্দ্রসংগীত বিশারদ শান্তিদেব ঘোষ চাঁদপুর জেলার চাঁদপুর সদর উপজেলার সাবেক বাজাপ্তি ইউনিয়নের বাজাপ্তি গ্রামে ১৯১০ সালের ৭ মে (১৩১৭ বঙ্গাব্দের ২৪ বৈশাখ) জন্ম গ্রহণ করেন। বাজাপ্তি গ্রামটি ছিলো চাঁদপুর শহর থেকে ৬ মাইল দক্ষিণে মেঘনা নদীর পূর্ব পাড়ে। বর্তমানে বাজাপ্তি গ্রামটি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। তার বাবার নাম ছিলো কালীমোহন এবং তিনি ছিলেন স্বদেশকর্মী। তার মায়ের নাম ছিলো মনোরমা দেবী। ছ'ভাই বোনের মধ্যে জ্যেষ্ঠ ছিলেন শান্তিদেব ঘোষ। তিনি ও তার পরের ভাই সাগরময় সাহিত্যিক ও দেশ পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন। তার ঠাকুরদার কবিগানের দল ছিল। শান্তিদেব ঘোষ ছিলেন লেখক, কন্ঠশিল্প, অভিনেতা, নৃত্যশিল্প ও রবীন্দ্রসংগীত বিশারদ। তিনি রবীন্দ্রনাথের কাছ থেকে গান শিখেন। রবীন্দ্রনাথের সঙ্গে তিনি শ্রীলঙ্কা, জাভা ও বালিতে গিয়েও সংগীত ও নৃত্যশিক্ষা গ্রহন করেন। রবীন্দ্রনাথের উৎসাহে তিনি কবিতা লেখা, গীতিনাট্য, নৃত্যনাট্য ও নাটকের গান, নাচ ও অভিনয় করতে শুরু করেন। খ্যতনামা সুচিত্রা মিত্রা ও প্রমিতা মল্লিক তার কাছে গান শিখেন।
ভারত সরকার ও একাধিক বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে সম্মানিত করেন। ভারত সরকার তাঁকে জাতীয় পন্ডিতের মর্যাদা দিয়েছেন।
শান্তিদেব ঘোষের বাবা কালীমোহন ঘোষ তাঁর জন্মের আগে থেকেই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ঘনিষ্ঠ সহকর্মী ছিলেন এবং বিশ্বভারতীর গ্রাম পুননির্মাণ কাজে নিযুক্ত থেকে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে সহায়কের কাজ করতেন। প্রথম দিকে শিলাইদহে থাকলেও পরে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁকে শান্তিনিকেতনে এনে গ্রাম সংস্কারের কাজে নিযুক্ত করেন। কালীমোহন তাঁর ছয় মাসের শিশুপুত্র শান্তিময়কে রবীন্দ্রনাথের কাছে নিয়ে আসলে তাঁর পুত্রের নাম পাল্টে শান্তিদেব ঘোষ রাখেন।
৬৪
১০০ মন্তব্য