সুকুমার বড়ুয়ার লেখা‘ঠিক আছে’কবিতায় সহনশীলতা, হাসিমুখে মানিয়ে নেওয়ার ক্ষমতা এবং অল্পে তুষ্ট থাকার মনোভাব তুলে ধরা হয়েছে। জীবনে সবসময় সবকিছু নিখুঁত না হলেও, হাসিমুখে তা গ্রহণ করতে পারলে জীবন অনেক সহজ ও সুন্দর হয়। গৃহকর্তা মেহমানকে তার সংসারের সব সীমাবদ্ধতার কথা খুলে বলেন। যেমন—রেশনের পচা চাল, টলটলে বাসি ডাল, ভাঙা থালা-বাটি কিংবা বৃষ্টির দিনে শুধু কয়েকটা শিক টিকে থাকা ভাঙা ছাতা। সাধারণ মানুষ এমন পরিস্থিতিতে বিরক্ত হলেও এই মেহমানটি ছিলেন ব্যতিক্রম। তিনি কোনো কিছুতেই অসন্তুষ্ট না হয়ে হাসিমুখে সব অভাবকে'ঠিক আছে, ঠিক আছে'বলে মেনে নেন। জীবনের সব পরিস্থিতিতে যদি আমরা জটিলতা এড়িয়েসহজ ও ইতিবাচক মনোভাবধরে রাখতে পারি, তবে যেকোনো কঠিন পরিস্থিতিকেও সুন্দর এবং আনন্দময় করে তোলা সম্ভব।
১৩
১৮ মন্তব্য