Loading..

ব্লগ

রিসেট

৩০ জুন, ২০২৬ ০১:০৮ অপরাহ্ণ

লো আর্থ অরবিট স্যাটেলাইট ইন্টারনেট এক নতুন বিপ্লব

লো আর্থ অরবিট স্যাটেলাইট ইন্টারনেট এক নতুন বিপ্লব

মনিরুল হক,

   পৃথিবীর প্রত্যন্ত অঞ্চল, সমুদ্রের মাঝখানে চলমান জাহাজ, পাহাড়ি দুর্গম গ্রাম কিংবা আকাশে উড়ন্ত বিমানযেখানে ফাইবার অপটিক ক্যাবল বা মোবাইল টাওয়ার পৌঁছায় না, সেখানেও এখন হাই-স্পিড ইন্টারনেট পাওয়া সম্ভব। এই বিপ্লবের নাম লো আর্থ অরবিট (LEO) স্যাটেলাইট ইন্টারনেট। স্পেসএক্সের স্টারলিংক এই প্রযুক্তির সবচেয়ে পরিচিত উদাহরণ হলেও, এটি এখন একটি বৈশ্বিক প্রতিযোগিতামূলক শিল্পে পরিণত হয়েছে, যেখানে আমাজনের কুইপার, ইউটেলস্যাট ওয়ানওয়েব এবং চীনের একাধিক প্রকল্প একসাথে প্রতিযোগিতা করছে। ২০২৬ সালে এসে এই প্রযুক্তি কেবল পরীক্ষামূলক ধারণা নয়, বরং টেলিযোগাযোগ অবকাঠামোর একটি বাস্তব ও দ্রুত সম্প্রসারণশীল অংশ হয়ে উঠেছে।

লো আর্থ অরবিট স্যাটেলাইট ইন্টারনেট কী ?

প্রচলিত স্যাটেলাইট ইন্টারনেট সাধারণত জিওস্টেশনারি কক্ষপথ (GEO)-এর স্যাটেলাইট ব্যবহার করে, যা পৃথিবী থেকে প্রায় ৩৫,৭৮৬ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করে। এই বিশাল দূরত্বের কারণে সিগন্যাল আদান-প্রদানে ৬০০ থেকে ৮০০ মিলিসেকেন্ড পর্যন্ত বিলম্ব (লেটেন্সি) হতে পারে, যা ভিডিও কল বা অনলাইন গেমিংয়ের মতো রিয়েল-টাইম অ্যাপ্লিকেশনের জন্য উপযুক্ত নয়। লো আর্থ অরবিট স্যাটেলাইট এর বিপরীতে মাত্র ৩৪০ থেকে ৫৭০ কিলোমিটার উচ্চতায় পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করে। দূরত্ব কম হওয়ায় সিগন্যাল আদান-প্রদানের সময়ও অনেক কম লাগে, যা এই প্রযুক্তিকে প্রচলিত স্যাটেলাইট ইন্টারনেটের তুলনায় বৈপ্লবিকভাবে দ্রুত করে তুলেছে।

প্রযুক্তিটি কীভাবে কাজ করেঃ

লো আর্থ অরবিট স্যাটেলাইট ইন্টারনেট ব্যবস্থা মূলত তিনটি উপাদানের সমন্বয়ে কাজ করে। প্রথমত, হাজার হাজার ছোট আকারের স্যাটেলাইট নিম্ন কক্ষপথে স্থাপন করা হয়, যেগুলো একসাথে একটি "মেগাকনস্টেলেশন" তৈরি করে। দ্বিতীয়ত, ব্যবহারকারীর বাড়িতে বসানো একটি মোটরচালিত ফেজড-অ্যারে অ্যান্টেনা সবচেয়ে কাছের স্যাটেলাইটের সাথে সংযোগ স্থাপন করে। যেহেতু স্যাটেলাইটগুলো ঘণ্টায় প্রায় ২৭,০০০ কিলোমিটার বেগে চলমান থাকে, তাই প্রতি কয়েক সেকেন্ড পরপর অ্যান্টেনা স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরবর্তী স্যাটেলাইটে সংযোগ স্থানান্তর করে। তৃতীয়ত, স্যাটেলাইটগুলো রেডিও সিগন্যালের মাধ্যমে মাটিতে স্থাপিত গ্রাউন্ড স্টেশনের সাথে যোগাযোগ করে, অথবা লেজার-ভিত্তিক ইন্টার-স্যাটেলাইট লিংকের মাধ্যমে নিজেদের মধ্যে সরাসরি তথ্য আদান-প্রদান করে, যা সমুদ্র বা প্রত্যন্ত অঞ্চলের ওপর দিয়ে যাওয়া সংযোগকেও সম্ভব করে তোলে।

স্টারলিংক: এই শিল্পের শীর্ষস্থানীয় নামঃ

২০১৯ সালে প্রথম ৬০টি স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের মাধ্যমে যাত্রা শুরু করা স্পেসএক্সের স্টারলিংক এখন এই খাতের সবচেয়ে বড় নাম। ২০২৬ সালের মাঝামাঝি সময়ে এসে স্টারলিংকের কক্ষপথে কর্মরত স্যাটেলাইটের সংখ্যা দশ হাজারের বেশি, যা এ পর্যন্ত তৈরি হওয়া সবচেয়ে বড় কৃত্রিম উপগ্রহ নেটওয়ার্ক। সেবাটি বর্তমানে ১৬০টিরও বেশি দেশ ও অঞ্চলে চালু আছে এবং ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে এক কোটি সক্রিয় গ্রাহকের মাইলফলক অতিক্রম করেছে। দীর্ঘমেয়াদে স্পেসএক্স প্রায় ৪২,০০০ স্যাটেলাইট পর্যন্ত স্থাপনের পরিকল্পনা করছে, যদিও যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল কমিউনিকেশনস কমিশন (এফসিসি) থেকে বর্তমানে ১৫,০০০ স্যাটেলাইট পরিচালনার অনুমোদন রয়েছে।

প্রতিদ্বন্দ্বী প্রতিষ্ঠানসমূহঃ

স্টারলিংকের একচেটিয়া অবস্থান ধীরে ধীরে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ছে। ইউটেলস্যাট ও ওয়ানওয়েবের একীভূত প্রতিষ্ঠান ইতিমধ্যে তাদের প্রথম পর্যায়ের কনস্টেলেশন সম্পূর্ণ করেছে, যেখানে প্রায় সাড়ে ছয়শ স্যাটেলাইট সক্রিয় রয়েছে। আমাজনের প্রজেক্ট কুইপার তুলনামূলকভাবে নতুন হলেও দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছে এবং দীর্ঘমেয়াদে প্রায় তিন হাজারের বেশি স্যাটেলাইট স্থাপনের লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছে, যার ডাউনলোড গতি ৪০০ এমবিপিএস পর্যন্ত পৌঁছানোর কথা বলা হচ্ছে। এছাড়া চীনের কিয়ানফান ও জিংওয়াং নামের দুটি প্রকল্প একত্রে প্রায় আটাশ হাজার স্যাটেলাইট স্থাপনের পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে, যা স্টারলিংকের লক্ষ্যমাত্রার প্রায় দ্বিগুণ। সব মিলিয়ে আগামী বছরগুলোতে চল্লিশ হাজারের বেশি স্যাটেলাইট কক্ষপথে যুক্ত হওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে, যা মহাকাশকে আক্ষরিক অর্থেই একটি নতুন প্রতিযোগিতামূলক টেলিযোগাযোগ ক্ষেত্রে পরিণত করছে।

গতি, লেটেন্সি ও কর্মক্ষমতাঃ

লো আর্থ অরবিট স্যাটেলাইট ইন্টারনেটের সবচেয়ে বড় সাফল্য এর লেটেন্সি বা বিলম্বের ক্ষেত্রে। যেখানে প্রচলিত জিওস্টেশনারি স্যাটেলাইট সেবায় বিলম্ব ৬০০-৮০০ মিলিসেকেন্ড পর্যন্ত হতে পারত, সেখানে স্টারলিংকের লেটেন্সি মাত্র ২৫-৬০ মিলিসেকেন্ডে নেমে এসেছেযা প্রথমবারের মতো স্যাটেলাইট ইন্টারনেটে অনলাইন গেমিং, ভিডিও কনফারেন্সিং এবং ভয়েস কলের মতো রিয়েল-টাইম সেবা ব্যবহার সম্ভব করে তুলেছে। ডাউনলোড গতির দিক থেকেও উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে; ২০২৫ সালের শেষ নাগাদ বৈশ্বিক গড় ডাউনলোড গতি ২০০ এমবিপিএসের বেশি হয়ে দাঁড়িয়েছে, যা আগের বছরের তুলনায় প্রায় ৫০ শতাংশ বেশি।

ডাইরেক্ট-টু-ডিভাইস: মোবাইল ফোনে সরাসরি স্যাটেলাইট সংযোগঃ

এই প্রযুক্তির সবচেয়ে আলোচিত নতুন দিক হলো ডাইরেক্ট-টু-ডিভাইস (Direct-to-Device) বা স্যাটেলাইট-টু-মোবাইল প্রযুক্তি, যেখানে বিশেষ কোনো ডিশ বা যন্ত্রপাতি ছাড়াই সাধারণ ৪জি এলটিই মোবাইল ফোন সরাসরি স্যাটেলাইটের সাথে সংযুক্ত হতে পারে। এই প্রযুক্তি মূলত যেসব এলাকায় মোবাইল নেটওয়ার্ক টাওয়ারের সংযোগ নেই, সেখানে জরুরি বার্তা পাঠানো ও ভয়েস কল করার সুযোগ তৈরি করছে। বিশ্বের বিভিন্ন মোবাইল অপারেটরের সাথে অংশীদারিত্বের মাধ্যমে এই সেবা ধীরে ধীরে ছড়িয়ে পড়ছে, যা প্রত্যন্ত অঞ্চলের সংযোগ-শূন্যতা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

ব্যবহারিক প্রয়োগক্ষেত্রঃ

লো আর্থ অরবিট স্যাটেলাইট ইন্টারনেটের প্রয়োগ এখন কেবল আবাসিক ব্যবহারকারীর মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। বিমান চলাচল খাতে একাধিক আন্তর্জাতিক এয়ারলাইন্স ইতিমধ্যে যাত্রীদের জন্য ইন-ফ্লাইট ওয়াইফাই সেবা চালু করেছে। সমুদ্রপথে চলাচলকারী জাহাজ ও ক্রুজ লাইনগুলোতেও এই প্রযুক্তি ব্যবহৃত হচ্ছে, যেখানে নাবিকদের জন্য এটি একপ্রকার মৌলিক কল্যাণমূলক সেবা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এছাড়া প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় যোগাযোগ ব্যবস্থা পুনঃস্থাপন, প্রত্যন্ত অঞ্চলে দূরশিক্ষণ ও টেলিমেডিসিন সেবা চালু রাখা, এবং ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউটের সময় বিকল্প সংযোগ হিসেবেও এই প্রযুক্তি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

বাংলাদেশে স্টারলিংক ও লো আর্থ অরবিট ইন্টারনেটঃ

বাংলাদেশের জন্য এই প্রযুক্তির আগমন একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা। বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন রেগুলেটরি কমিশন (বিটিআরসি) ২০২৫ সালের এপ্রিলে স্টারলিংককে অপারেটিং লাইসেন্স প্রদান করে, এবং একই বছরের মে মাসে আনুষ্ঠানিকভাবে দেশে সেবা চালু হয়। স্টারলিংককে দশ বছর মেয়াদি স্যাটেলাইট অপারেটর লাইসেন্স ও রেডিও কমিউনিকেশন অপারেটরস লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেড (বিএসসিএল), রবি আজিয়াটা ও ফেলিসিটি আইডিসিএই তিনটি প্রতিষ্ঠান দেশে স্টারলিংকের অনুমোদিত পরিবেশক হিসেবে কাজ করছে।

তবে ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতার ক্ষেত্রে মূল্য একটি বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। আবাসিক প্যাকেজের মাসিক খরচ প্রায় ছয় হাজার টাকা এবং প্রাথমিক সরঞ্জাম কিট কিনতে প্রায় বিয়াল্লিশ হাজার টাকা খরচ হয়, যা সাধারণ বাংলাদেশি পরিবারের আয়ের তুলনায় যথেষ্ট বেশি। বিটিআরসির তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত দেশে স্টারলিংকের গ্রাহকসংখ্যা ছিল মাত্র কয়েক হাজারযা মূলত উচ্চমূল্যের কারণে। তবে প্রযুক্তিগত কর্মক্ষমতার দিক থেকে বাংলাদেশ ইতিবাচক অবস্থানে রয়েছে; স্থানীয়ভাবে গ্রাউন্ড স্টেশন থাকার কারণে আন্তর্জাতিক পরিমাপক প্রতিষ্ঠান ওকলার এক প্রতিবেদন অনুযায়ী বাংলাদেশের লেটেন্সি এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের মধ্যে অন্যতম সেরা।

দেশের অন্যতম মোবাইল অপারেটর বাংলালিংক সম্প্রতি স্টারলিংক মোবাইলের সাথে চুক্তি করেছে, যার মাধ্যমে পার্বত্য অঞ্চল, চর এলাকা, উপকূলীয় দ্বীপ এবং সমুদ্র উপকূলের মতো দুর্গম এলাকায় সাধারণ ৪জি ফোন দিয়েই স্যাটেলাইট সংযোগের মাধ্যমে বার্তা আদান-প্রদানের সুযোগ তৈরি হবে। প্রাথমিকভাবে মেসেজিং সেবা দিয়ে শুরু হলেও, নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদন সাপেক্ষে পরবর্তীতে ডেটা সেবাও যুক্ত হওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

চ্যালেঞ্জ ও বিতর্কঃ

এই প্রযুক্তির দ্রুত সম্প্রসারণ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নও সামনে এনেছে। প্রথমত, মূল্য নিয়ে উদ্বেগ রয়ে গেছেউন্নয়নশীল দেশগুলোতে এই সেবা এখনও সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে। দ্বিতীয়ত, জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা উদ্বিগ্ন যে হাজার হাজার উজ্জ্বল স্যাটেলাইট রাতের আকাশ পর্যবেক্ষণে হস্তক্ষেপ করছে, যা মহাকাশ পর্যবেক্ষণ ও গবেষণার জন্য চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে। তৃতীয়ত, কক্ষপথে এত বিপুল সংখ্যক বস্তুর উপস্থিতি মহাকাশ বর্জ্য ও সংঘর্ষের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে বলে মহাকাশ নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করছেন। সবশেষে, এই প্রযুক্তি বিভিন্ন দেশে রাজনৈতিক ও নিয়ন্ত্রক জটিলতার মুখেও পড়ছেকিছু দেশ নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগে এর অনুমোদন স্থগিত রেখেছে, আবার কিছু দেশ স্থানীয় মালিকানা সংক্রান্ত নীতির কারণে সেবাটি সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ করেছে।

ভবিষ্যৎ সম্ভাবনাঃ

আগামী বছরগুলোতে লো আর্থ অরবিট স্যাটেলাইট ইন্টারনেট আরও সাশ্রয়ী ও দ্রুতগতির হয়ে উঠবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। নতুন প্রজন্মের অ্যান্টেনা ও স্যাটেলাইট প্রযুক্তির মাধ্যমে গিগাবিট-শ্রেণির গতি অর্জনের লক্ষ্যে কাজ চলছে, যা বিশেষ করে ব্যবসায়িক ও সরকারি ব্যবহারকারীদের জন্য তাৎপর্যপূর্ণ হবে। একই সাথে একাধিক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে প্রতিযোগিতা বাড়ার ফলে দীর্ঘমেয়াদে মূল্য কমে আসার সম্ভাবনাও রয়েছে। বাংলাদেশের মতো ভৌগোলিকভাবে বৈচিত্র্যময় দেশের জন্যযেখানে পাহাড়, চর ও দ্বীপাঞ্চলে প্রচলিত নেটওয়ার্ক পৌঁছানো কঠিনএই প্রযুক্তি দীর্ঘমেয়াদে ডিজিটাল বৈষম্য কমানোর একটি গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার হয়ে উঠতে পারে, যদি মূল্য সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে আনা যায়।

পরিশেষে বলা যায়, লো আর্থ অরবিট স্যাটেলাইট ইন্টারনেট গত কয়েক বছরে টেলিযোগাযোগ খাতে অন্যতম দ্রুততম রূপান্তর ঘটিয়েছে। প্রচলিত ফাইবার বা মোবাইল নেটওয়ার্কের সীমাবদ্ধতা পেরিয়ে এই প্রযুক্তি বিশ্বের প্রতিটি প্রান্তে সংযোগ পৌঁছে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে। তবে এর প্রকৃত সফলতা নির্ভর করবে মূল্য সাশ্রয়ী করা, পরিবেশগত উদ্বেগের সমাধান এবং বিভিন্ন দেশের নিয়ন্ত্রক কাঠামোর সাথে সমন্বয়ের ওপর। বাংলাদেশের জন্য এই প্রযুক্তি প্রত্যন্ত অঞ্চলের ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তির এক নতুন সম্ভাবনার দরজা খুলে দিয়েছে, যদিও আপাতত মূল্য একটি বড় বাধা হয়ে রয়েছে।

মোঃ মনিরুল হক

সহকারী শিক্ষক

আমলাবাড়ী মাধ্যমিক বিদ্যালয়

০১৭২২ ২৭৩২৭২

 

মন্তব্য করুন