Loading..

ব্লগ

রিসেট

০৪ জুলাই, ২০২৬ ০৬:০১ অপরাহ্ণ

যারা লড়াই করে এই পর্যাণ এসেছে

যারা লড়াই করে এই পর্যন্ত এসেছে

( মরক্কো, ইংল্যান্ড, বেলজিয়াম)


বিশ্বকাপের অর্ধেক পথ পেরিয়ে এসেছে। এখন সামনে যে পথ, সেটি আর সমতল নয়—এ যেন খাড়া পাহাড়ে চড়াই। ভুল করার সুযোগ প্রায় নেই। প্রতিটি ম্যাচই এখন একটি ফাইনাল, প্রতিটি মুহূর্তই বাঁচা-মরার লড়াই।

এই পর্যন্ত এসে তিনটি দলকে আমার একটু আলাদা মনে হয়েছে। কারণ তারা শুধু জিতে আসেনি, তারা যুদ্ধ করে এসেছে। আর ইতিহাস বলে, যারা যুদ্ধ করে সামনে এগোয়, তারা সহজে মাথা নত করে না। প্রতিকূলতা তাদের ভাঙে না, বরং আরও দৃঢ় করে। পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেলে কীভাবে ঘুরে দাঁড়াতে হয়, তারা তা জানে।

প্রথমেই ইংল্যান্ড। প্রায় হারের দুয়ার থেকে ফিরে এসেছে তারা। যখন সবকিছু শেষ হয়ে যাচ্ছে বলে মনে হচ্ছিল, তখনই হ্যারি কেইনের নেতৃত্বে অসম্ভবকে সম্ভব করেছে তারা। এই প্রত্যাবর্তন শুধু একটি জয় নয়, এটি মানসিক শক্তিরও প্রতীক।

দ্বিতীয় দল মরক্কো। তারা দেখিয়েছে সাহস, শৃঙ্খলা আর আত্মবিশ্বাসের অসাধারণ এক গল্প। নেদারল্যান্ডসের মতো শক্তিশালী প্রতিপক্ষকে হারিয়ে তারা প্রমাণ করেছে, নাম নয়—মাঠের লড়াইটাই শেষ কথা।

তৃতীয় দল বেলজিয়াম। যাদের নিয়ে অনেকেই আশা ছেড়ে দিয়েছিল, যাদের জয়ের সম্ভাবনা প্রায় শেষ হয়ে গিয়েছিল, তারাও ঘুরে দাঁড়িয়েছে। শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত বিশ্বাস ধরে রাখার নামই যেন বেলজিয়াম।

তাই আমার বিশ্বাস, ইংল্যান্ড, মরক্কো কিংবা বেলজিয়াম—এই তিন দলের যেকোনো একটি যদি শেষ পর্যন্ত বড় কোনো চমক দেখায়, আমি মোটেও অবাক হব না। কারণ তারা শুধু ফুটবল খেলছে না, তারা প্রতিটি ম্যাচে নিজেদের অস্তিত্বের জন্য যুদ্ধ করছে। আর যারা যুদ্ধ করতে জানে, তাদের কখনোই হালকাভাবে নেওয়া যায় না।

এই তিন লড়াকু দলের জন্য রইল আন্তরিক শুভকামনা। বিশ্বকাপের মঞ্চে তাদের সাহস, সংগ্রাম আর প্রত্যাবর্তনের গল্প আরও দূর পর্যন্ত পৌঁছাক।

মন্তব্য করুন