সহকারী অধ্যাপক
০৯ জুলাই, ২০২৬ ০৪:০০ পূর্বাহ্ণ
আমানতের মর্যাদা - মোঃ মুজিবুর রহমান
|
|
আমানতের মর্যাদা-২
(সূরা আলে ইমরান : ৭৫-এর আলোকে)
মোঃ মুজিবুর রহমান
সহকারী অধ্যাপক
মোজাদ্দেদীয়া ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসা,কালিয়াকৈর, গাজীপুর।
মানুষ চেনা কঠিন বড়, মুখের হাসি দেখে,
অন্তরে কে সত্য বহে, কে বা ছলনা রেখে।
কেউ যে কথা রাখে বুকে, রাখে দেওয়া মান,
কেউ বা ভাঙে বিশ্বাসখানি, করে অপমান।
অর্থ, ধন বা সোনার ভাণ্ডার,
অমানত তো কেবল নয় উপহার;
এ যে মানুষের বিশ্বাসের ফুল,
ভাঙলে তারে জ্বলে হৃদয়, নেভে সুখের কূল।
কেউ যদি পায় পাহাড়সম ধন,
তবু ফিরিয়ে দেয় অটল মন।
লোভের ছোঁয়া লাগে না তার প্রাণে,
সত্যের আলো জ্বলে অন্তঃস্থলে।
আবার কেউ ক্ষুদ্র এক মুদ্রাও পেলে,
ফেরাতে চায় না নানা ছলে-বলে।
বারবার চাইতে হয় তার দ্বারে,
লজ্জা থাকে না প্রতারণার ভারে।
বিশ্বাস বড় অমূল্য রতন,
তার চেয়ে দামি নয় কোনো ধন।
যে বিশ্বাস রাখে অটুট করে,
মানবতার ফুল ফোটে তার ঘরে।
আমানত মানে দায়িত্ব মহান,
এ শিক্ষা দিয়েছে কুরআন।
ধর্ম, বর্ণ, ভাষা কিংবা দেশ,
ন্যায়ের কাছে সবার পরিচয় শেষ।
যে সত্য বলে, সে-ই মহীয়ান,
যে মিথ্যা বলে, সে অপমান।
নিজের স্বার্থে সত্য লুকিয়ে,
মানুষ কখনো বড় হয় না গিয়ে।
আল্লাহ দেখেন অন্তরের কথা,
শোনেন নীরব দীর্ঘ ব্যথা।
মানুষ ফাঁকি দিলেও তাঁকে নয়,
তাঁর বিচারে সত্যই জয়।
অন্যের সম্পদ নয় খেলনা,
লোভের আগুন নয় তো শোভনা।
এক বিন্দু অন্যায় লাভের সুখ,
শেষে হয়ে যায় অশ্রুর মুখ।
যে রাখে আমানত, রাখে ঈমান,
সে পায় মানুষের অফুরান সম্মান।
তার নাম বেঁচে থাকে যুগে যুগে,
কল্যাণের সুবাস ভাসে ভুবনে।
যে করে প্রতারণা অবিরাম,
তার জীবনে নামে অন্ধকার সন্ধ্যা।
বাহিরে যতই থাকুক জৌলুস,
ভিতরে জমে ভয় আর নিঃশ্বাস।
শিশুকে শেখাও ছোটবেলা থেকে—
সত্যের পথে চলুক সে থেকে।
হারানো জিনিস ফিরিয়ে দেওয়া,
মানুষ হওয়ার প্রথম ছোঁয়া।
শিক্ষক শেখান, পিতা-মাতা,
সততার পথই শ্রেষ্ঠ কথা।
বন্ধুর হাতে রাখো বিশ্বাস,
বিশ্বাস ভাঙো না কোনো নিঃশ্বাস।
বইয়ের পাতায় লেখা থাক,
সততার আলো ছড়িয়ে যাক।
শ্রেণিকক্ষে উচ্চারিত হোক বাণী—
"অন্যের হক রক্ষা করো, এ জীবনখানি।"
বাজারে, পথে, কর্মক্ষেত্রে,
সততা ফুটুক প্রতিটি ক্ষেত্রে।
কলম, খাতা, শ্রমের দাম,
সবই হোক ন্যায়ের অবিরাম।
ক্ষমতা পেলে ভুলো না হক,
অন্যায় যেন না পায় সুযোগ।
বিচারক, ব্যবসায়ী, কর্মচারী,
সবার আগে সততাই ভারী।
মিথ্যার উপর দাঁড়ানো ঘর,
ঝড়ে ভেঙে যায় এক প্রহর।
সত্যের ভিত্তি পাথরের মতো,
চিরকাল থাকে অটল যত।
জাতি নয়, মানুষ বড়,
সত্য যার, সে-ই ঘরের ঘর।
সৎ মানুষ সব সমাজে রয়,
তাদের কারণেই পৃথিবী জয়।
যে ফিরিয়ে দেয় আমানতের ধন,
তার হৃদয়ে জাগে শান্তি-গান।
যে আত্মসাৎ করে অন্যের হক,
তার অন্তরে বাড়ে অশান্তির শোক।
আজকে যদি করি প্রতিজ্ঞা—
সত্য হবে জীবনের দীক্ষা।
অন্যের সম্পদ রাখব সযতনে,
ফিরিয়ে দেব যথাসময়ে।
লোভের চেয়ে বিবেক বড়,
সত্যের চেয়ে নেই তো ঘর।
ন্যায়ের পথে থাকব সদা,
এ হোক জীবনের অঙ্গীকার।
মানুষ হই মানুষের তরে,
আলো জ্বালি অন্তরে অন্তরে।
আমানতের মর্যাদা রাখি,
সততার পথেই জীবন আঁকি।
কুরআনের বাণী ডাকছে আজ—
সত্য হোক সকলের সাজ।
বিশ্বাস হোক মানবতার প্রাণ,
ন্যায় হোক সভ্যতার সম্মান।
যে ঘরে সততার দীপ জ্বলে,
বরকত নামে অবিরলে।
যে মনে ঈমান, যে হাতে ন্যায়,
সেই মানুষই পৃথিবীর আশ্রয়।
চল সবাই করি এ শপথ,
ভাঙব না কারও বিশ্বাসরথ।
অন্যের হক ফিরিয়ে দেব,
সত্যের পতাকা উঁচুতে নেব।
আমানত রক্ষা ইবাদতও বটে,
মানবতার সেরা শিক্ষা এতে।
এই হোক আমাদের জীবনগান—
সততা, ন্যায় আর বিশ্বস্ততার জয়গান।
***
আমানতের মহিমা
দ্বিতীয় সর্গ : সত্যের শপথ
প্রভাত নামে শিশিরভেজা,
আলোয় জাগে ধরণী সেজে।
তেমনি জাগে মানুষের প্রাণ,
যখন জাগে সত্যের জ্ঞান।
আমানত কেবল ধন নয় ভাই,
হৃদয়ের বিশ্বাসও তারই ঠাঁই।
একটি কথা, একটি প্রতিশ্রুতি,
মানুষ গড়ে তারই ভিত্তি।
যে রাখে কথা, রাখে মান,
সে-ই তো সত্যিকারের মহান।
স্বর্ণমুদ্রা কিংবা ক্ষুদ্র দান,
সবই সমান রবের বিধান।
একটি দীনার, একটি কণাও,
অন্যের হক নয় নিজের পাও।
সামান্য বলে তুচ্ছ কোরো না,
ন্যায়ের পথে পিছু হটো না।
অন্যের সম্পদ আগুনসম,
লোভে ছুঁলে জ্বলে জীবন।
বিবেক যদি থাকে জাগ্রত,
হৃদয় থাকে চিরউজ্জ্বল।
যে মানুষটি নীরবে হাসে,
বিশ্বাস রেখে কাজই ভাসে।
তারই হাতে সমাজ গড়ে,
শান্তির আলো দেশে ঝরে।
আল্লাহ দেখেন প্রতিটি ক্ষণ,
গোপন কথা, অন্তর মন।
কোথায় কে কী লুকিয়ে রাখে,
সবই লেখা তাঁরই খাতায় থাকে।
মিথ্যার প্রাসাদ যতই বড়,
ঝড়ের রাতে ভেঙে পড়ে।
সত্যের কুটির ক্ষুদ্র হলেও,
চিরস্থায়ী থাকে আলো।
শিক্ষালয়ে শেখাও সবে,
সত্য থাকুক জীবনের রবে।
শিশুর হাতে সত্যের ফুল,
তবেই গড়বে সুন্দর কূল।
বাজারে হোক কিংবা পথে,
অফিসে কিংবা ঘরের রথে,
লেনদেনে থাকুক ন্যায়ের দীপ,
অন্ধকারে জ্বলুক অনুপম দীপ।
ধর্ম যারই, মানুষ আগে,
এ শিক্ষা হৃদয় মাঝে।
চরিত্রই পরিচয় সেরা,
সততাই জীবনের ভেরা।
বন্ধুর হাতে যদি রাখো ধন,
বন্ধুত্ব হোক অটুট মন।
প্রতারণা নয়, বিশ্বস্ততা,
মানুষত্বের শ্রেষ্ঠ কথা।
আমানত রক্ষা ইবাদতও বটে,
এ বাণী ধ্বনিত যুগে যুগে।
রাসূলের শিক্ষা স্পষ্ট জান—
ফিরিয়ে দাও সব আমানতখান।
ক্ষমতার মোহ, ধনের লোভ,
শেষে আনে কেবল ক্ষোভ।
ন্যায়ের পথে যে থাকে অটল,
তার জীবন হয় সফল।
আসুক যত পরীক্ষা-ঝড়,
সত্য যেন না হয় পর।
অন্যের হক ফিরিয়ে দিই,
রবের সন্তোষ হৃদয়ে নিই।
এসো সবাই শপথ করি,
অন্যায় হতে দূরে সরি।
বিশ্বাস হবে জীবনের প্রাণ,
আমানত হবে ঈমানের মান।
যেদিন ঘরে ঘরে এই বাণী,
হবে জীবনের অমৃতখানি,
সেদিন মানবসভ্যতার তরে
ফুটবে শান্তি ঘরে ঘরে।
হে মহান রব! শক্তি দাও,
অন্যের হক ফিরিয়ে দাও।
সততার পথে রাখো অবিচল,
করো আমাদের জীবন সফল।
***
আমানতের মহিমা
সত্য যেখানে দীপ জ্বালে,
সুখের পাখি নীড়ই গড়ে।
মিথ্যা যেখানে বাসা বাঁধে,
শান্তি সেখান থেকে সরে।
বিশ্বাস যেন কাঁচের পেয়ালা,
একবার ভাঙলে জোড়া মেলা
যতই চাও, ততই কঠিন,
থাকে শুধু দাগের ঋণ।
একটি কথা, একটি মান,
একটি পবিত্র অঙ্গীকার—
এগুলোতেই গড়ে ওঠে
মানুষ নামের সংসার।
অন্যের ধন অন্যের হক,
তাতে কেন লোভের চোখ?
যা নয় তোমার, তা নিও না,
বিবেকটাকে বিকিও না।
আজ যে নিলে অন্যায় করে,
কাল দাঁড়াবে বিচারঘরে।
সেখানে কোনো ছলনা নয়,
সত্যের কাছেই সবার ক্ষয়।
কেউ পাহাড়সম ধন পেয়ে,
ফিরিয়ে দেয় হাসিমুখে।
কেউ বা ক্ষুদ্র এক মুদ্রাতেও
লোভে পড়ে দুঃখ বুকে।
এই তো মানুষ—দুই রূপ তার,
একটি শুভ, অন্যটি ভার।
কেউ সুবাসিত ফুলের মতো,
কেউ বিষাক্ত কাঁটার সার।
কুরআনের এই শিক্ষা তাই,
জাতি দেখে বিচার নাই।
সৎ যে মানুষ, সম্মান তার,
অসৎ হলে তিরস্কার।
ন্যায়ের পথে যে চলে সদা,
তারই হৃদয় নির্মল নদী।
বিশ্বাস তার অটল শিলা,
প্রতিশ্রুতি তার অমলবাণী।
শিশুকে শেখাও প্রথম পাঠ,
সত্য হবে জীবনের ঠাঁই।
খাতা, কলম, খেলনা, বই,
যা পেয়েছ, ফেরাও তাই।
যুবক শেখো শ্রমের মর্যাদা,
হালাল রুজি জীবনের সাধা।
অন্যের হক গ্রাস কোরো না,
এ পথ কখনো ধরো না।
ব্যবসায়ী হোক ন্যায়ের দিশারী,
মাপে-ওজনে হোক না ভারী।
কম না দিক, বেশি না নিক,
সত্যেই থাকুক প্রতিদিন ঠিক।
বিচারকের হাতে ন্যায়ের পাল্লা,
ধনীর পক্ষে যেন না ঢালে।
গরিবের অশ্রু মুছিয়ে দিয়ে,
বিচার ফুটুক সত্যের ছায়ায়।
শিক্ষক গড়ুন আলোর মানুষ,
শিষ্য হোক জ্ঞানে পরিপূর্ণ।
বিদ্যার সাথে চরিত্র যদি,
জীবন হবে সত্যে ধন্য।
শাসক যদি ন্যায়ে অবিচল,
দেশে নামে শান্তির ফল।
দুর্নীতি যখন দূরে সরে,
বরকত নামে ঘরে ঘরে।
বন্ধুর হাতে বন্ধুর ধন,
থাকুক নিরাপদ প্রতিক্ষণ।
বিশ্বাসঘাতক নয় যে বন্ধু,
সেই তো জীবনের সত্য বন্ধন।
আল্লাহ দেখেন অন্তরখানি,
দেখেন সবই, গোপন বাণী।
রাতের আঁধার, দিনের আলো,
সবই তাঁর সামনে ভালো।
মিথ্যার ডানা দূর উড়ে না,
সত্যকে কখনো হারায় না।
সময় এলেই খুলে যায় সব,
প্রকাশ পায় কর্মের রব।
তাই এসো আজ শপথ করি,
সততারই পথে চলি।
অন্যের হক ফিরিয়ে দেব,
আল্লাহর সন্তোষ লাভ করব।
আমানত রক্ষা ঈমানের ফুল,
মানবতার শাশ্বত মূল।
যে এ শিক্ষা বুকে ধরে,
সম্মান পায় দেশ-বিদেশে।
হে পরম দয়াময় রব,
সত্যে রাখো আমাদের সব।
আমানতের মর্যাদা দাও,
ন্যায়ের পথে চলার তাওফীক দাও।
সত্যের আলো নিভে না কভু,
যতই আসুক ঝড়ের ঢেউ।
আমানতের পতাকা উড়ুক,
মানুষ হোক সত্যের ঢেউ।
***
আমানতের মহিমা
চতুর্থ সর্গ : নববী আদর্শে আমানতের দীপ্তি
আল-আমীন—সেই মহিমান্বিত নাম,
সত্যে উজ্জ্বল নবীরই সম্মান।
শত্রুও যাঁকে বিশ্বাস করত,
অমানত তাঁর হাতেই ধরত।
মক্কার পথে উঠত যে ধ্বনি,
"বিশ্বাসী তিনি, সত্যের খনি।"
লোভের ছায়া ছুঁতে না পারে,
সততার সূর্য জ্বলত তাঁর দ্বারে।
দুঃখ এলো, এল নির্যাতন,
তবু ভাঙেনি সত্যের বন্ধন।
হিজরতের সেই কঠিন ক্ষণে,
আমানত রইল তাঁরই মনে।
প্রাণের ঝুঁকি, রাতের আঁধার,
চারদিকে শত্রুর পাহার।
তবু বললেন—"ফিরিয়ে দাও,
যার যা হক, পৌঁছে দাও।"
এ কেমন মহান চরিত্রের দীপ!
যেখানে নত হয় যুগের নৃপ।
প্রতিশোধ নয়, ন্যায়ের গান,
এই তো নবীর মহিমান।
তিনি শিখালেন—ধন নয় শুধু,
কথাও একটি আমানত, বন্ধু।
গোপন কথা রক্ষা করা,
ঈমানেরই উজ্জ্বল ধারা।
বিচারে কখনো পক্ষপাত নয়,
আত্মীয় হলেও অন্যায় ক্ষয়।
দুর্বলের হক ফিরিয়ে দাও,
আল্লাহর সন্তোষ লাভ করাও।
ব্যবসাতে ছিল না প্রতারণা,
ছিল না কোনো মিথ্যা বয়না।
মাপে-ওজনে পূর্ণ ন্যায়,
এই তো ইসলামের মহিমায়।
যে শ্রমিক ঘামে ভিজে যায়,
তার প্রাপ্য যেন বিলম্ব না পায়।
ঘাম শুকানোর আগেই দাও,
ন্যায়ের পতাকা উঁচুতে নাও।
এতিম, মিসকিন, পথের জন,
সবার আছে প্রাপ্য ধন।
তাদের হক যে গ্রাস করে,
বরকত সরে তারই ঘরে।
ঘুষের রুটি আগুনসম,
দুর্নীতির পথ অন্ধতম।
হালাল অন্ন অল্প হলেও,
তাতেই নামে শান্তির ঢেউ।
শিশুর মনে বপন করি,
সত্যের বীজ, সততার ডরি।
বড় হলে সে মানুষ হবে,
বিশ্বাস রেখে পথেই রবে।
যুবকের হাতে জ্ঞানের আলো,
চরিত্র হোক নির্মল ভালো।
বিদ্যার সাথে নীতি মিলে,
সভ্যতা ফোটে পৃথিবী জুড়ে।
শাসকের হাতে ন্যায়ের তরবারি,
জনতার হক তারই ভারী।
ক্ষমতা যেন সেবার পথ,
অহংকার নয় জীবনের রথ।
বিচারকের চোখ সমান হোক,
ধনী-গরিবে না থাকুক শোক।
সত্য যেখানে প্রতিষ্ঠিত হয়,
আল্লাহর রহমত নেমে রয়।
পরিবারে যদি থাকে বিশ্বাস,
ভালোবাসা পায় নতুন শ্বাস।
স্বামী-স্ত্রী, সন্তান-জন,
আমানতেই সুখের জীবন।
বন্ধুত্ব যদি সত্যে গড়ে,
ঝড় এলেও না সে ঝরে।
স্বার্থ গেলে সম্পর্ক নয়,
সততাই বন্ধুত্বের জয়।
কুরআনের বাণী ডাকে আজ,
সত্যের পরাও জীবনের সাজ।
অন্যের হক ফিরিয়ে দাও,
প্রভুর সন্তোষ হৃদয়ে নাও।
চল সবাই নবীর পথে,
আলোক জ্বালি জীবনের রথে।
আমানতের মহিমা ধরি,
ন্যায়ের সমাজ গড়ে তুলি।
হে দয়াময়, হে পরওয়ার,
সত্যের পথে রেখো যে আর।
আমানত রক্ষার শক্তি দাও,
সৎ জীবনের তাওফীক দাও।
তোমার সন্তোষ হোক আমাদের ধন,
সততায় ভরে উঠুক জীবন।
বিশ্বাস, ন্যায়, করুণা, জ্ঞান—
এসবেই হোক মানবের সম্মান।
১৪
২৪ মন্তব্য