Loading..

ব্লগ

রিসেট

১২ জুলাই, ২০২৬ ১২:৫১ অপরাহ্ণ

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কাউন্সিলিং

একটা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রতিদিন নানাবিধ চ্যালেঞ্জ থাকে, যেখানে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা প্রায়সই মানসিক সমস্যা নিয়ে ভোগে।কিন্তু প্রতিষ্ঠানগুলোতে কাউন্সিলিং ক্লাব না থাকায় কর্মরত ও অধ্যয়নরত সবাই নানাবিধ জটিলতা নিয়ে ঘরে ফেরে এবং নিজের সহ পরিবারের সবার জীবন বিপন্ন করে।

স্কুলের পড়ালেখা, টিউশনির চাপ,  পর্যাপ্ত ঘুমের অভাব,  এমনকি স্কিন টাইম নিয়ে শিক্ষক শিক্ষার্থীরা ভীত থাকে।যেমন, স্কুলে পড়া না পারলে, শাস্তির মুখে পড়তে হয়, এক গাদা কথা শুনতে হয়। সাধারণত শিক্ষার্থীরা এগুলো থেকে বাচতে নানাবিধ উপায় খোজে, কিন্তু এসময় কাউন্সিলিং তাদেরকে পড়ালেখায় মনোনিবেশ করতে সহায়তা করে।

একটা ঘটনা থেকে বিষয়টা পরিষ্কার হওয়া যাক। ৫ম শ্রেনি পাশ করে স্বনামধন্য একটা স্কুলে একজন শিক্ষার্থী ভর্তি হল।স্কুলে গিয়েই তার সবকিছু অপরিচিত লাগে এবং পরিবেশের সাথে মানিয়ে নিতে কষ্ট হয়।একারনে স্কুল ফাকি, শিক্ষকদের তিরস্কার এমনকি,  পরিবারের চোখেও সেই শিক্ষার্থী এক অপরিচিত বস্তু বলে মনে হয়।সেকারনে সে খুব কম কথা বলে, এবং সর্বক্ষেত্রে সবার নির্যাতন,  অপমান সহ্য করতে করতে এক সময় কারনে অকারণে বিদ্রোহ করে বসে এবং নিজেকে বিপথে পরিচালিত করতে দ্বিধা করেনা। সে স্বেচ্ছাচারী হয়ে ওঠে। এরকম একটা পর্যায়ে আত্মহননের পথ বেছে নেয়।

এখানে নিয়মিত স্কুলে কাউন্সিলিং এর মধ্যে থাকলে এই সমস্যা থেকে পরিত্রাণ পেতে পারত।

সেইরকম শিক্ষকরাও দৈনন্দিন জীবনে নানা অসুবিধায় পড়ে কিন্তু তাদেরকেও কাউন্সিলিং করা হয় না, ফলে যেই আশা আকাঙ্ক্ষা নিয়ে শিক্ষা আগাচ্ছে তা মুখ থুবড়ে পড়ে।

দেশের প্রতিটি স্কুলে,  নিয়মিত হারে শিক্ষক শিক্ষার্থীর মানসিক স্বাস্থ্য ও শারীরিক স্বাস্থ্য পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় কাউন্সেলিং করা  খুবই দরকার বলে মনে হয়।এবং বিষয়টা আমলে নিতে হবে সংশ্লিষ্ট সকলকে। বিদেশেও উচ্চতর ডিগ্রি নিতে গিয়ে PhD করছিল চুয়েটের শিক্ষক, কিন্তু চাপ সামলাতে না পেরে আত্নহত্যার পথ বেছে নেন।এখানেও কাউন্সেলিং না নেওয়ার প্রবনতা দেখা গেছে স্বনামধন্য এই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকের।একারনেই কাউন্সেলিং অপশন দরকার


স্থান: সমসপুর সপ্রাবি

তাং: ১২ জুলাই ২০২৬

সময়: ১২:৪৯ pm

মন্তব্য করুন