সহকারী শিক্ষক
২০ জুলাই, ২০২৬ ০২:৩৮ অপরাহ্ণ
সহকারী শিক্ষক
ভূমিকা :
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির দ্রুত উন্নতির ফলে মানুষের জীবনযাত্রায় ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে। আগে সরকারি কোনো সেবা গ্রহণ করতে হলে অফিসে গিয়ে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হতো। বর্তমানে ইন্টারনেট, কম্পিউটার ও মোবাইল প্রযুক্তির সাহায্যে ঘরে বসেই অনেক সরকারি সেবা গ্রহণ করা সম্ভব হচ্ছে। প্রযুক্তিনির্ভর এই সরকারি সেবাব্যবস্থাই হলো ই-সার্ভিস। বাংলাদেশে ই-সার্ভিসের ব্যবহার নাগরিক জীবনকে সহজ, দ্রুত ও আধুনিক করে তুলছে।
ই-সার্ভিস কী?
ইন্টারনেট ও তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহার করে নাগরিকদের সরকারি সেবা প্রদান করাকে ই-সার্ভিস বা ইলেকট্রনিক সার্ভিস বলে।
অর্থাৎ, সরকারি কোনো সেবা গ্রহণের জন্য অনলাইনে আবেদন, তথ্য সংগ্রহ, নিবন্ধন, ফি প্রদান বা সেবার অবস্থা জানার ব্যবস্থা থাকলে সেটি ই-সার্ভিসের অন্তর্ভুক্ত।
সহজ ভাষায় প্রযুক্তির মাধ্যমে সরকারি সেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়াই ই-সার্ভিস।
বাংলাদেশে ই-সার্ভিস :
বাংলাদেশে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির উন্নয়নের সঙ্গে সঙ্গে সরকারি সেবাগুলোও ধীরে ধীরে অনলাইনভিত্তিক হচ্ছে। জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও বিভিন্ন সরকারি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে নাগরিকরা বিভিন্ন তথ্য ও সেবা সম্পর্কে জানতে পারছেন। সরকারি ই-সেবার তালিকায় শিক্ষা, পাসপোর্ট, আয়কর, বিল পরিশোধসহ বিভিন্ন সেবার তথ্য রয়েছে।
এ ছাড়া মাইগভ (myGov)-এর মতো অনলাইন প্ল্যাটফর্মে নাগরিকদের জন্য বিভিন্ন সরকারি সেবা এক জায়গায় পাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে।
ই-সার্ভিসের উদাহরণ
বাংলাদেশে প্রচলিত ই-সার্ভিসের কয়েকটি উদাহরণ হলো—
১. অনলাইনে পরীক্ষার ফলাফল
দেখা
২. অনলাইনে শিক্ষা-সংক্রান্ত আবেদন
৩. ই-পাসপোর্টের জন্য অনলাইন আবেদন
৪. অনলাইনে আয়কর সংক্রান্ত সেবা
৫. অনলাইনে বিভিন্ন বিল পরিশোধ
৬. সরকারি তথ্য অনলাইনে সংগ্রহ
৭. অনলাইনে বিভিন্ন সনদ বা সেবার আবেদন
৮. কৃষি ও স্বাস্থ্যবিষয়ক তথ্য সংগ্রহ
১
১ মন্তব্য