সহকারী অধ্যাপক
২৩ জুলাই, ২০২৬ ০৪:০৫ পূর্বাহ্ণ
আত্মসংযমে জয় - মোঃ মুজিবুর রহমান
|
|
আত্মসংযমে জয়
মোঃ মুজিবুর রহমান
সহকারী অধ্যাপক
মোজাদ্দেদীয়া ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসা,কালিয়াকৈর, গাজীপুর।
নিজেকে যে জয় করতে পারে, সেই তো সত্য বীর,
আত্মসংযম দীপ জ্বালে অন্ধকারের নীর।
রাগ-লোভের ঝড় এলে যে রাখে অন্তর স্থির,
তারই পথে ফুটে ওঠে সুখের শাপলা-নীর।
যে পারে না মনকে বাঁধতে ন্যায়ের সোনার ডোরে,
ভুলের আগুন জ্বলে উঠে নিজেরই ঘরচৌহদ্দরে।
অহংকারের কালো ধোঁয়া ঢেকে দেয় বিবেক,
শেষে শুধু অনুতাপই থাকে জীবনের এক।
রাগের বশে বলা কথা তীরের মতো যায়,
হৃদয় ভেঙে ক্ষতের দাগ সারাজীবন চায়।
একটি মধুর হাসিমুখে মিটতে পারে দ্বন্দ্ব,
সংযম যদি থাকে মনে জাগে শুভ আনন্দ।
লোভের নেশা বাড়তে বাড়তে গ্রাস করে মন,
সত্যপথের দীপ নিভিয়ে বাড়ায় অশান্তি ক্ষণ।
অল্পেতে যে তুষ্ট থাকে, সুখ তারই সাথি,
সংযমী সেই মানুষটিই পায় শান্তির গাঁথি।
জিহ্বাকে যে সামলাতে জানে, বাঁচে বহু প্রাণ,
মিষ্টি ভাষা ছড়িয়ে দেয় ভালোবাসার টান।
কটু কথার দহন থেকে বাঁচায় আপনজন,
ভদ্রতাতে গড়ে ওঠে মানুষের বন্ধন।
চোখেরও আছে সংযমের অমূল্য এক পাঠ,
অশোভনের পথ ছেড়ে ন্যায়ের দিকে হাঁট।
পবিত্রতা রক্ষা করে দৃষ্টি, মন আর প্রাণ,
এভাবেই হয় চরিত্রের উজ্জ্বল সম্মান।
হাত যদি হয় অন্যায় কাজে, ক্ষতি বাড়ে দিন,
সংযম তাকে শেখায় তখন ন্যায়ের সুমধুর ঋণ।
অন্যের হক রক্ষা করে সত্যের পথে চলে,
সৎকর্মেরই সৌরভ তখন পৃথিবীজুড়ে দোলে।
ক্ষমতারও আছে সীমা, আছে ন্যায়ের মান,
সংযমহীন শক্তি যেন ভয়ঙ্কর ঝড়-তুফান।
বিবেক যার পথপ্রদর্শক, সে-ই মহান হয়,
মানুষ গড়ে, দেশ গড়ে, সুখের আলো বই।
পরিবারে সংযম যদি প্রতিদিনের রীতি,
ভালোবাসার বাগান ভরে হাসি, সুখ আর প্রীতি।
রাগের বদলে ধৈর্য এলে মিটে যায় বিরোধ,
মনের মাঝে ফুটে ওঠে আশার শুভোদয়।
বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীও রাখুক এ আদর্শ,
শৃঙ্খলারই সোনার সিঁড়ি গড়ে জীবনের রথ।
শিক্ষকের উপদেশ মেনে চলুক সবার প্রাণ,
জ্ঞান ও নীতির সমন্বয়ে বাড়ুক সম্মান।
সমাজ যখন সংযম শেখে, কমে হিংসা-দ্বেষ,
মানবতার ফুল ফোটে, মুছে অন্ধ আবেশ।
ন্যায়, করুণা, সহমর্মিতা জাগে প্রাণে প্রাণ,
সুখের দেশে রূপ নেয় তখন মানবতার গান।
ইসলাম শেখায় ধৈর্য, ক্ষমা, সংযমের পথ,
নফস দমনে জয়ী জনই পায় মর্যাদার রথ।
আল্লাহভীতি হৃদয়ে রেখে করে যে সংযম,
তার জীবনেই নেমে আসে শান্তির অনুপম।
কুরআনের আলো ডাকে—
"যে নিজ প্রবৃত্তিকে সংযত রাখে, সফলতা তারই।"
সত্যের পথে অবিচল সে, পায় জান্নাতের দ্বার,
সংযম তার জীবনেরই শ্রেষ্ঠ অলংকার।
হাদিসে আছে মহা শিক্ষা—
"প্রকৃত শক্তিশালী সে নয়, যে কুস্তিতে জয়ী হয়; বরং সে-ই শক্তিশালী, যে রাগের সময় নিজেকে সংযত রাখতে পারে।"
এই বাণীকে হৃদয়ে রেখে চলি যদি সারাক্ষণ,
আলোকিত হবে ব্যক্তি, পরিবার, দেশ ও ভুবন।
এসো তবে আজ প্রতিজ্ঞা করি অন্তর ভরে সবাই,
রাগ-লোভ-হিংসা ত্যাগ করে সত্যের পথে যাই।
নিজেকে যে জয় করেছে, জয় করেছে বিশ্ব,
আত্মসংযম মানবজীবন গড়ার শ্রেষ্ঠ দীক্ষা।
***
আত্মসংযমের জয়
, সেই সত্য বীর,
তারই হৃদয় আলোকিত, নির্মল সুধানীর।
রাগ-লোভের কালো মেঘে ঢাকে না তার প্রাণ,
সংযমেরই দীপ জ্বেলে জয় করে অবসান।
মন যদি হয় লাগামহীন দুরন্ত অশ্বসম,
ভুলের পথে ছুটে গিয়ে আনে দুঃখ-ভ্রম।
বিবেক তখন কাঁদতে থাকে নীরব অশ্রুধার,
সংযমহীন জীবন যেন ঝড়ে ভাঙা দ্বার।
রাগের আগুন ক্ষণিক হলেও পোড়ায় শত মন,
একটি কটু বাক্য ভাঙে বছরের বন্ধন।
মধুর ভাষার একটি হাসি মিলায় কত ক্ষোভ,
সংযম মানুষ শিখিয়ে দেয় ভালোবাসার রূপ।
লোভের আগুন নিভে না কভু পেলে যত ধন,
তৃষ্ণার মরু বাড়িয়েই যায় প্রতিক্ষণ।
অল্পেতে যে সন্তুষ্ট থাকে, সে-ই ধনী জন,
কৃতজ্ঞতার ফুলে ভরে তারই আপন মন।
জিহ্বা যদি নিয়ন্ত্রণে থাকে সদা সদয়,
মানুষ পায় শান্তির ছোঁয়া, বাড়ে সবার জয়।
মিথ্যা, গীবত, কটু বাক্য দূরে থাকে তাই,
সত্য-মধুর কথার মাঝে মানবতা ফুটে ভাই।
চোখেরও আছে সংযমের এক পবিত্র দান,
দৃষ্টি শুদ্ধ রাখলে শুদ্ধ হয় হৃদয়-প্রাণ।
পাপের পথে দৃষ্টি গেলে কলুষ বাড়ে মন,
পবিত্রতার আলোকধারা রক্ষা করে জীবন।
হাতের শক্তি অন্যায়ে নয়, ন্যায়ের সেবায় দাও,
দুর্বলের পাশে দাঁড়িয়ে সদা মানবতার গাও।
অন্যের হক রক্ষা করে সৎপথে চলিলে,
আল্লাহর রহমত নেমে আসে অন্তর ভরিলে।
ক্ষমতা যদি সংযমহীন অহংকারে ভরে,
মানবতার সবুজ বাগান মুহূর্তেই ঝরে।
ক্ষমা, ধৈর্য, ন্যায়ের পথে যে রাখে আপন প্রাণ,
ইতিহাসে তারই লেখা সম্মানেরই গান।
সংযম যদি ঘরে থাকে ফুটে সুখের ফুল,
পরিবারে মিলেমিশে মুছে যায় সব ভুল।
মায়ার বাঁধন দৃঢ় হয়, বাড়ে ভালোবাসা,
ধৈর্যের আলো জ্বালায় ঘরে আশার নতুন ভাষা।
বিদ্যালয়ের প্রতিটি শিশু শিখুক এই জ্ঞান,
শৃঙ্খলাতে গড়ে ওঠে সুন্দর ভবিষ্যৎ প্রাণ।
শিক্ষকের উপদেশে গড়ুক সোনার দেশ,
জ্ঞান ও নীতির আলোয় হোক মানবতার রেশ।
সংযমী যে নাগরিক, শান্ত থাকে দেশ,
হিংসা-বিদ্বেষ দূর হয়ে বাড়ে সুখের রেশ।
ন্যায়ের বাণী, প্রেমের সুরে গাঁথা হোক সমাজ,
মানবতার পতাকা ওড়ে ভেঙে বিভেদ-লাজ।
ইসলাম শেখায়—সংযমই ঈমানের পরিচয়,
নফস জয়েই মানুষের প্রকৃত মহিমা রয়।
তাকওয়ারই সুশীতল ছায়া হৃদয়ে যার স্থান,
আল্লাহ দেন তার জীবনজুড়ে রহমতের দান।
কুরআনের বাণী ডাকে—সংযমেই সফলতা,
প্রবৃত্তিকে দমন করাই মুমিনের মহত্ত্ব।
জান্নাতেরই সুসংবাদ তার জন্যে রয়,
যে নিজ নফস জয় করেছে, সার্থক তার জয়।
হাদিস বলে—বলবান সে নয় কুস্তির বীর,
রাগের বেলায় নিজেকে যে রাখে সদা স্থির।
ধৈর্য যার অলংকার, ক্ষমা যার মান,
মানুষ তারে শ্রদ্ধা করে যুগে যুগে অবিরাম।
এসো তবে করি সবাই দৃঢ় অঙ্গীকার,
সত্য, ন্যায় ও সংযম হোক জীবনের অহংকার।
নিজেকে যে জয় করেছে, জয় করেছে বিশ্ব,
আত্মসংযমেই লুকিয়ে আছে মানবতার দীক্ষা।
***
আত্মসংযমের জয়
নিজেকে যে জয় করেছে, সে-ই শ্রেষ্ঠ বীর,
ঝড়ের মুখেও অটল থাকে, থাকে চিত্ত স্থির।
রাগ-লোভের কালো মেঘে ঢাকে না তার প্রাণ,
সংযমেরই দীপশিখাতে জ্বলে সত্যজ্ঞান।
তলোয়ারের নয় যে যুদ্ধ, অন্তরজয়ের লড়াই,
প্রবৃত্তিরই উত্তাল ঢেউয়ে হার মানে কত ভাই।
যে জয় করে নিজের মন, সে-ই মহীয়ান,
তারই নামে লিখে রাখে ইতিহাস সম্মান।
রাগের আগুন মুহূর্তে জ্বালায় সংসারখানি,
একটি কটু বাক্য মুছে বছরের স্নেহবাণী।
ধৈর্যের জলে নেভাও আগুন, রাখো হৃদয় শুদ্ধ,
ক্ষমার মাঝে ফুটে ওঠে শান্তির শুভবুদ্ধ।
লোভের তৃষ্ণা বাড়তেই থাকে, পায় না কোনো শেষ,
অঢেল ধনেও মেটে না তার আকাঙ্ক্ষার আবেশ।
অল্পেতে যে সুখ খুঁজে পায়, সেই প্রকৃত ধনী,
কৃতজ্ঞতার আলোয় ভরে তার জীবনখানি।
মিষ্টি ভাষা দান করে যে, জয় করে হৃদয়,
কটু কথার দহন থেকে দূরে থাকে ক্ষয়।
সত্য কথা বলো সদা, রাখো ভাষা নম্র,
জিহ্বার মাঝে লুকিয়ে থাকে মানবতার মর্ম।
চোখেরও আছে দায়িত্ব বড়, রাখো তাকে শুদ্ধ,
অশোভনের পথে গেলে কলুষ বাড়ে বদ্ধ।
পবিত্র দৃষ্টি চরিত্র গড়ে, আনে নূরের ছায়া,
সংযমী চোখ আল্লাহভীতির সুন্দর পরিচয় পায়।
হাত বাড়াও সেবার তরে, মুছাও দুঃখভার,
অন্যায় পথে নয় কখনো শক্তির অহংকার।
অসহায়ের পাশে দাঁড়াও, রক্ষা করো হক,
মানবতার সেরা শিক্ষা—ন্যায়ের দীপ্তি লোক।
ক্ষমা যার অলংকার, সে-ই মহৎ প্রাণ,
প্রতিশোধে নয়, করুণাতেই বাড়ে সম্মান।
সংযমী হৃদয় ভালোবাসায় জয় করে সংসার,
ক্ষমাশীলের জীবন জুড়ে রহমতেরই ধার।
সংযম যেখানে বাস করে, হাসে সুখের ঘর,
ভালোবাসার ফুলে ভরে প্রতিটি প্রহর।
রাগের বদলে ধৈর্য এলে মিটে যায় বিবাদ,
শান্তির নীড় গড়ে ওঠে, বাড়ে অনুরাগ।
শিক্ষালয়ে শিখুক সবাই শৃঙ্খলারই পাঠ,
সংযম ছাড়া জ্ঞানের বৃক্ষ হয় না কভু মাত।
শিক্ষকেরই সুমন্ত্রণা গড়ে সোনার প্রাণ,
নীতি-আদর্শে আলোকিত হোক প্রতিটি শিক্ষার্থীজীবন।
সংযমী জন গড়ে তোলে শান্তির সমাজ,
হিংসা-বিদ্বেষ মুছে গিয়ে জাগে প্রেমের সাজ।
ন্যায়, দয়া ও সহমর্মিতা হোক সকলের গান,
মানুষ মানুষকে ভালোবাসুক—এই হোক অঙ্গীকার।
ইসলাম শেখায় সংযম, ধৈর্য, তাকওয়ার পথ,
নফস জয়েই লুকিয়ে থাকে মুমিন জীবনের রথ।
আল্লাহভীতি হৃদয়ে রেখে যে চলে অবিরাম,
দুনিয়া-আখিরাতে তারই রয়েছে শুভ পরিণাম।
কুরআন ডাকে সত্যপথে—সংযমে কল্যাণ,
প্রবৃত্তিকে নিয়ন্ত্রণেই সফল মানবপ্রাণ।
যে আল্লাহর ভয়ে নত, দমায় নিজের মন,
তারই জন্য জান্নাতের রয়েছে সুসংবাদ গোপন।
রাসূল (সা.) শিখিয়েছেন—শক্তিমান সে নয়,
যে কুস্তিতে সবাইকে করে সহজে পরাজয়।
রাগের ক্ষণে নিজেকে যে রাখতে পারে স্থির,
প্রকৃত শক্তিমান সেই—চির সম্মানের ধীর।
এসো সবাই শপথ করি সত্যপথে চলি,
রাগ, লোভ, হিংসা, অহংকার অন্তর হতে তুলি।
নিজেকে যে জয় করেছে, জয় করেছে বিশ্ব,
আত্মসংযম মানবজীবন গড়ার শ্রেষ্ঠ দীক্ষা।
***
আত্মসংযমের জয়
নিজেকে যে জয় করেছে, সেই মহাবীর নাম,
তারই বুকে জ্বলে সদা ঈমানেরই ধাম।
রাগের আগুন নিভে যায় ধৈর্যের স্নিগ্ধ নীরে,
সংযম যার সাথী হয়, জয় তারই তীরে।
মন যদি হয় লাগামহীন উন্মত্ত অশ্বসম,
ভুলের পথে ছুটে গিয়ে আনে শুধু বিষম।
বিবেক তখন কাঁদে নীরব অন্ধকারের কোলে,
আলোহীন সেই জীবন ডুবে যায় অতলে।
লোভের নেশা মরুর মতো বাড়তেই থাকে ক্ষুধা,
অঢেল ধনেও মেটে না তার অন্তহীন আকাঙ্ক্ষা।
অল্পেতে যে তুষ্ট থাকে, সেই প্রকৃত ধনী,
কৃতজ্ঞতার ফুলে ভরে তার জীবনখানি।
রাগের বাণে ভাঙে কত আপন হৃদয়খানি,
কটু কথার দংশনে মুছে বছরের স্নেহবাণী।
মধুর বচন শিশির হয়ে ঝরে প্রেমের সুর,
সংযম শেখায় মানুষকে হতে সদা মধুর।
চোখেরও আছে সংযমের পবিত্র আহ্বান,
শুদ্ধ দৃষ্টি রক্ষা করে ঈমান আর প্রাণ।
অশুভ দৃশ্য ত্যাগ করলে নির্মল থাকে মন,
পবিত্রতার সুবাস ছড়ায় প্রতিটি ক্ষণ।
জিহ্বা যদি নিয়ন্ত্রণে সত্যবাণী কয়,
মানুষ তাকে শ্রদ্ধা করে, ভালোবাসা রয়।
মিথ্যা, গীবত, কটু ভাষা দূরে রাখে যে,
তারই কথা শান্তির নদী হয়ে বয়ে যায় শেষে।
হাতের শক্তি অন্যায় নয়, ন্যায়ের সেবায় দাও,
অসহায়ের অশ্রু মুছে মানবতার গান গাও।
অন্যের হক রক্ষা করে যে চলে অবিরাম,
আল্লাহ তার জীবনে দেন রহমতেরই ধাম।
ক্ষমতারও প্রয়োজন সংযমেরই বাঁধ,
সংযমহীন শক্তি শুধু আনে সর্বনাশ।
ক্ষমা যার অলংকার, ধৈর্য যার মান,
ইতিহাসে অমর হয়ে থাকে তারই নাম।
পরিবারে সংযম এলে সুখের ফুল ফোটে,
ভালোবাসার সুবাস ভাসে প্রতিটি প্রভাতে।
রাগের বদলে ধৈর্য এলে মুছে যায় বিরোধ,
হাসিমুখে কাটে তখন জীবনের প্রতিরোধ।
বিদ্যালয়ের প্রতিটি প্রাণ শিখুক এই পাঠ,
শৃঙ্খলারই সোনার সিঁড়ি গড়ে উন্নতির ঘাট।
জ্ঞান যদি হয় নীতিহীন, হারায় তার মান,
সংযম মিশে জ্ঞানে হলে জাগে সত্যজ্ঞান।
সমাজ যখন সংযম শেখে, কমে হিংসা-দ্বেষ,
ভ্রাতৃত্ব, দয়া, মমতায় ভরে প্রতিটি দেশ।
অন্যায় তখন হার মেনে যায় ন্যায়ের দীপ্তি পেয়ে,
মানবতার পতাকা ওড়ে বিশ্বমাঝে বেয়ে।
ইসলাম শেখায়—সংযমই ঈমানের পরিচয়,
নফস জয়েই মানুষের প্রকৃত মহিমা রয়।
আল্লাহভীতি হৃদয়ে রেখে চলে যে অবিরাম,
দুনিয়া-আখিরাতে তারই রয়েছে শুভ পরিণাম।
রাসূল (সা.) বলেছেন—শক্তিমান সে নয়,
যে কুস্তিতে জয়ী হয়ে করে বড় পরিচয়।
রাগের ক্ষণে নিজেকে যে রাখে অটল স্থির,
আল্লাহর নিকট সেই তো সত্য বীর।
কুরআনের আলো ডাকে—সংযমেই সফলতা,
তাকওয়ার পথেই লুকিয়ে আছে জীবনের মহত্ত্ব।
নফস জয় যার জীবনের প্রতিটি অঙ্গীকার,
জান্নাত তার প্রতীক্ষাতে খুলে রাখে দ্বার।
এসো তবে শপথ করি অন্তর ভরে আজ,
সত্য, ন্যায়, সংযম হোক জীবনেরই সাজ।
নিজেকে যে জয় করেছে, জয় করেছে বিশ্ব,
আত্মসংযমেই লুকিয়ে আছে মানবতার দীক্ষা।
১৪
২১ মন্তব্য