Loading..

ব্লগ

রিসেট

২৩ জুলাই, ২০২৬ ০৮:০৫ অপরাহ্ণ

৪ বছর আগে পরিত্যক্ত ঘোষিত ভবনে ঝুঁকি নিয়ে চলছে প্রাথমিকের পাঠদান

৪ বছর আগে পরিত্যক্ত ঘোষিত ভবনে ঝুঁকি নিয়ে চলছে প্রাথমিকের পাঠদান

পঞ্চগড় সদর উপজেলার হাফিজাবাদ ইউনিয়নের কানাপাড়া ঠেকরপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চার বছর আগে পরিত্যক্ত ঘোষিত ভবনেই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলছে পাঠদান।পঞ্চগড় সদর উপজেলার হাফিজাবাদ ইউনিয়নের কানাপাড়া ঠেকরপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চার বছর আগে পরিত্যক্ত ঘোষিত ভবনেই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলছে পাঠদান।

সরেজমিন দেখা যায়, বিদ্যালয় ভবনের দেওয়ালে বড় বড় ফাটল, জং ধরা রড বেরিয়ে এসেছে এবং টিনের ছাউনিতে অসংখ্য ছিদ্র থাকায় সামান্য বৃষ্টিতেই শ্রেণিকক্ষে পানি পড়ে। এমন জরাজীর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশে ক্লাস নিতে গিয়ে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মাঝে প্রতিনিয়ত বিরাজ করছে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আতঙ্ক। দ্রুত নতুন ভবন নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ১৯১৯ খ্রিষ্টাব্দে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়। পরে ১৯৮৪ খ্রিষ্টাব্দে টিনশেড ভবনটি নির্মাণ করা হয়। বর্তমানে বিদ্যালয়ে ২৬১ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। তবে শ্রেণিকক্ষের সংকট থাকায় ঝুঁকিপূর্ণ ভবনটি ব্যবহার করতেই হচ্ছে।

পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী আফরিন জাহান বলে, আমরা খুব আতঙ্কে থাকি। আমাদের শ্রেণিকক্ষের অনেক জায়গায় রড বের হয়ে গেছে। একই শ্রেণির শিক্ষার্থী মাহির রাইয়ান বলে, বৃষ্টি হলে ক্লাসরুমের ভেতরেই পানি পড়ে। তখন ঠিকমতো ক্লাস করা যায় না।

বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক সাইফুল ইসলাম বলেন, শ্রেণিকক্ষের সংকটের কারণে বাধ্য হয়েই ঝুঁকিপূর্ণ টিনশেড ভবনে পাঠদান করাতে হচ্ছে।

প্রধান শিক্ষক অসীম কুমার দত্ত বলেন, বিদ্যালয়ে দুটি ভবন রয়েছে। এর মধ্যে দুই কক্ষবিশিষ্ট পাকা ভবনের একটি কক্ষ অফিস, অন্যটি ডিজিটাল ক্লাসরুম ও প্রাক-প্রাথমিক শ্রেণির জন্য ব্যবহার করা হয়। ফলে বাকি শিক্ষার্থীদের জন্য পরিত্যক্ত টিনশেড ভবনেই ক্লাস নিতে হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, উপজেলা শিক্ষা কমিটির ২০২২ খ্রিষ্টাব্দের ২১ মার্চের সভায় ভবনটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়। পরে একই বছরের ১৬ মে উপজেলা প্রকৌশলী ভবনটি নিলামের জন্য প্রাক্কলিত মূল্য নির্ধারণ করেন। কিন্তু নতুন ভবন নির্মাণ না হওয়ায় জীবনের ঝুঁকি নিয়েই সেখানে পাঠদান চালিয়ে যেতে হচ্ছে। নতুন ভবনের জন্য বিভিন্ন দপ্তরে আবেদন করা হয়েছে।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ মোমিনুল হক বলেন, বিদ্যালয়ের পরিত্যক্ত টিনশেড ভবনের বিষয়টি আমাদের জানা আছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। নতুন ভবন না থাকায় আপাতত বাধ্য হয়ে ওই ভবনেই পাঠদান চলছে।

#ঝুঁকিপূর্ণ ভবন #সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় #পাঠদান

মন্তব্য করুন