সহকারী শিক্ষক
২৭ জুলাই, ২০২৬ ০৮:৫২ পূর্বাহ্ণ
সহকারী শিক্ষক
#শটি বা #বনহলুদ
বৈজ্ঞানিক নাম: Curcuma aromatica
এটি একটি অত্যন্ত পুষ্টিকর ও ভেষজ গুণসম্পন্ন গুল্মজাতীয় উদ্ভিদ।
এর কন্দ বা মূল থেকে তৈরি 'পালো' ডায়রিয়া ও জ্বর নিবারণে দারুণ কাজ করে।
প্রাচীনকাল থেকে আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা ও শিশুদের পুষ্টিকর খাবার হিসেবে শটির পালোর ব্যবহার চলে আসছে।
অঞ্চলভেদে এটি ফইল্লা, হইল্লা, ঘিকমা বা কস্তুরী হলুদ নামেও পরিচিত।
গাছটি দেখতে হলুদ গাছের মতো, উচ্চতায় ৩ থেকে ৪ ফুট হয় এবং এর পাতাগুলো বেশ বড় হয়।
বর্ষাকালে মাটি ফুঁড়ে সুন্দর লালচে-গোলাপি ও হলুদ রঙের ফুল ফোটে।
গাছটির জীবনকাল মাত্র ৭-৮ মাস, যার পর পাতা মরে গেলেও মাটির নিচে কন্দ সুপ্ত অবস্থায় বেঁচে থাকে।
শটির মূল বা কন্দ শুকিয়ে, গুঁড়ো করে 'পালো' তৈরি করা হয়। এটি হজমে সাহায্য করে এবং পেট ফাঁপা ও চর্মরোগ সারাতেও দারুণ উপকারী।
১৩
১৫ মন্তব্য