Loading..

ব্লগ

রিসেট

২৭ জুলাই, ২০২৬ ১১:৪৫ অপরাহ্ণ

মন্দ স্পর্শের প্রতিবাদ


মন্দ স্পর্শের প্রতিবাদ

পরিবার ও বিদ্যালয়ে ঝুঁকিমুক্ত ও সুরক্ষিত পরিবেশ নিশ্চিত করা শিশুর নিরাপদ শৈশব ও কৈশোর গঠনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শৈশবে ঘটে যাওয়া অনাকাঙ্ক্ষিত ও নেতিবাচক ঘটনা শিশুর শারীরিক, মানসিক ও সামাজিক বিকাশে দীর্ঘমেয়াদি বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে। এর ফলে শিশুর মধ্যে মানুষের প্রতি অবিশ্বাস, আত্মবিশ্বাসের ঘাটতি, ভয়, উদ্বেগ এবং সামাজিকভাবে নিজেকে গুটিয়ে নেওয়ার প্রবণতা তৈরি হতে পারে।

তাই পরিবারের পাশাপাশি বিদ্যালয়েও শিশুদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষার বিষয়ে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। শিশুদের ভালো স্পর্শ ও মন্দ স্পর্শের পার্থক্য সহজ ভাষায় বোঝাতে হবে। তাদের শেখাতে হবে যে, কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত বা অস্বস্তিকর স্পর্শের সম্মুখীন হলে দৃঢ়ভাবে ‘না’ বলতে হবে, দ্রুত নিরাপদ স্থানে চলে যেতে হবে এবং বিশ্বস্ত কোনো বড় মানুষ—যেমন মা-বাবা, অভিভাবক বা শিক্ষককে বিষয়টি জানাতে হবে।

মন্দ স্পর্শ একটি গুরুতর নির্যাতনের রূপ এবং এটি আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। তাই শিশুদের বয়স ও মানসিক বিকাশের উপযোগী ভাষায় শরীরের ব্যক্তিগত অংশ, ব্যক্তিগত সীমারেখা, ভালো ও মন্দ স্পর্শের ধারণা, সম্ভাব্য ঝুঁকি এবং আত্মরক্ষার উপায় সম্পর্কে সচেতন করতে হবে।

মা-বাবা, অভিভাবক ও শিক্ষকদের উচিত এ বিষয়ে শিশুদের সঙ্গে খোলামেলা ও আন্তরিকভাবে কথা বলা। শিশু যেন কোনো ভয় বা সংকোচ ছাড়াই নিজের অভিজ্ঞতা জানাতে পারে, সে ধরনের বিশ্বাসভিত্তিক পরিবেশ গড়ে তুলতে হবে। এর মাধ্যমে শিশুরা নিজেদের নিরাপদ রাখতে, মন্দ স্পর্শের প্রতিবাদ করতে এবং এ ধরনের ঘটনা ঘটলে দ্রুত সহায়তা চাইতে উৎসাহিত হবে।


মন্তব্য করুন

ব্লগ