Loading..

ব্লগ

রিসেট

২৮ জুলাই, ২০২৬ ০৬:৪৭ পূর্বাহ্ণ

বাজারের ৩৪ টুথপেস্টের ২৬টিতে মিলেছে বিষাক্ত মাইক্রোপ্লাস্টিক

বাংলাদেশের বাজারে বিক্রি হওয়া ৩৪টি টুথপেস্টের ২৬টিতেই পাওয়া গেছে মাইক্রোপ্লাস্টিক। প্রতি ১০০ গ্রাম টুথপেস্টে প্লাস্টিকের কণা মিলেছে সর্বনিম্ন ২০টি থেকে সর্বোচ্চ ৩২০টি পর্যন্ত।

পরীক্ষায় সবচেয়ে বেশি প্লাস্টিকের কণা পাওয়া গেছে মেডিপ্লাস ফ্লুরিড জেলে।

পরিবেশ বিষয়ক গবেষণা সংস্থা এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (এসডো) দীর্ঘ ১ বছর ধরে গবেষণা চালিয়ে এই তথ্য প্রকাশ করেছে।

রোববার (২৬ জুলাই) এসডো কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে থেকে এসব তথ্য জানানো হয়।

সংস্থাটি জানায়, সারাদেশের ২৭৬০ জন ভোক্তার ওপর জরিপ চালানোর পাশাপাশি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশবিজ্ঞান বিভাগের ইনভাইরনমেন্টাল হেলথ অ্যান্ড ইকোটক্সিকোলজি ল্যাবরেটরিতে স্টিরিওমাইক্রোস্কোপি ও ফুরিয়ার ট্রান্সফর্ম ইনফ্রারেড স্পেকট্রোস্কেপি ব্যবহার করে এই বৈজ্ঞানিক গবেষণা চালিয়েছে তারা।

গবেষণা প্রতিবেদনে জানানো হয়, পরীক্ষা করা টুথপেস্টগুলোর মধ্যে বাংলাদেশে উৎপাদিত ২৫টির ২২টিতে, ভারতে উৎপাদিত ৫টির ১টিতে থাইল্যান্ডে উৎপাদিত ২টির ১টিতে এবং ভিয়েতনামের ২টির ২টিতেই মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া গেছে। বিশেষ করে শিশুদের জন্য তৈরি করা ৬টি টুথপেস্টের ৪টিতেই মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া গেছে।

গবেষণা ফলাফলে জানানো হয়, প্রতি ১০০ গ্রাম টুথপেস্ট পরীক্ষা করো সবচেয়ে বেশি ৩২০টি মাইক্রোপ্লাস্টিক (প্লাস্টিক কণা) পাওয়া গেছে মেডিপ্লাস ফ্লুরিড জেলে। কুডুমু আল্ট্রা শিল্ড ফর্মুলা স্ট্রবেরিতে ১৪০টি, সিগনাল গ্রিন টি-তে ১২০টি, হিমালায়া কমপ্লিট কেয়ার-এ ১০০টি মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া গেছে।


শিশুদের জন্য তৈরি করা টুথপেস্টের মধ্যে কুডুমু আল্ট্রা শিল্ড ফর্মুলায় ১৪০টি, মেরিল বেবি স্ট্রবেরিতে ৬০টি ও মেরিল বেবি ওরেন্জে ৪০টি প্লাস্টিক কণা পাওয়া গেছে।

গবেষণায় বাংলাদেশে উৎপাদিত টুথপেস্টগুলোর মধ্যে জেনফ্রেশ, প্যারাসুট যাস্ট ফর বেবি (ম্যাঙ্গো), ক্লোজ আপ রেড হট জিঙ্ক ফ্রেশ টেকনোলজিতে মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া যায়নি।

এছাড়াও শিশুদের জন্য আমদানিকৃত কুডুমু অরেঞ্জেও শনাক্তযোগ্য মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।


মন্তব্য করুন