স্বাধীন বাংলাদেশে এ পর্যন্ত মোট আটটি জাতীয় পে-স্কেল প্রণয়ন করা হয়েছে। ১৯৭৩ সালে প্রথম পে-স্কেল চালুর মাধ্যমে সরকারি কর্মচারীদের বেতন কাঠামো শুরু হয়, এবং সর্বশেষ ২০১৫ সালে অষ্টম পে-স্কেল কার্যকর করা হয়। সাধারণত ৫ থেকে ৬ বছর পরপর নতুন পে-স্কেল বা বেতন কমিশন গঠিত হয়েছে।
বাংলাদেশের পে-স্কেলের সংক্ষিপ্ত কালপঞ্জি
প্রথম পে-স্কেল (১৯৭৩): স্বাধীন বাংলাদেশে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সরকারের সময়ে প্রথম পে-স্কেল প্রণয়ন করা হয়। তখন সর্বনিম্ন মূল বেতন ছিল ১৩০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ২,০০০ টাকা।
দ্বিতীয় পে-স্কেল (১৯৭৭): এই পে-স্কেলে সর্বনিম্ন বেতন ২২৫ টাকা এবং সর্বোচ্চ ৩,০০০ টাকা নির্ধারিত হয়।
তৃতীয় পে-স্কেল (১৯৮৫): সর্বনিম্ন বেতন ৫০০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ৬,০০০ টাকা করা হয়।
চতুর্থ পে-স্কেল (১৯৯১): সর্বনিম্ন বেতন ৯০০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ১০,০০০ টাকা করা হয়।
পঞ্চম পে-স্কেল (১৯৯৭): সর্বনিম্ন বেতন ১,৫০০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ১৫,০০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়।
ষষ্ঠ পে-স্কেল (২০০৫): সর্বনিম্ন বেতন ২,৪০০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ২৩,০০০ টাকা করা হয়।
সপ্তম পে-স্কেল (২০০৯): সর্বনিম্ন বেতন ৪,১০০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ৪০,০০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়।
অষ্টম পে-স্কেল (২০১৫): বর্তমান কার্যকর এই পে-স্কেলে মোট ২০টি গ্রেড রয়েছে। সর্বনিম্ন বেতন ৮,২৫০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ৭৮,০০০ টাকা নির্ধারিত আছে।
৬৪
১০০ মন্তব্য