# 📖 রাস্তার হক
**হাদীসের আলোয় সামাজিক শিষ্টাচার ও জীবনমুখী কবিতা**
**রচনায়:** মোস্তাফিজুর রহমান
**বিষয়বস্তু:** ইসলামী ও সামাজিক শিষ্টাচারভিত্তিক কাব্যসংকলন
> ### 📌 মূল উৎস হাদীস
> আবু সাঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্ণিত, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
> *"তোমরা রাস্তাঘাটে বসে থাকা থেকে বিরত থাকো।"*
> সাহাবীগণ জিজ্ঞেস করলেন: *"হে আল্লাহর রাসূল! আমাদের তো রাস্তায় বসে কথাবার্তা না বলে উপায় নেই।"*
> তিনি উত্তরে বললেন: *"যদি তোমরা বসে থাকতেই চাও, তবে রাস্তার হক আদায় করো।"*
> সাহাবীগণ আবার জিজ্ঞেস করলেন: *"হে আল্লাহর রাসূল! রাস্তার হক কী?"*
> তিনি বললেন:
> **১. দৃষ্টি অবনত রাখা**
> **২. কাউকে কষ্ট দেওয়া থেকে বিরত থাকা**
> **৩. সালামের জবাব দেওয়া**
> **৪. সৎকাজের আদেশ দেওয়া**
> **৫. অসৎকাজে নিষেধ করা**
> *(সহীহ বুখারী ২৪৬৫, সহীহ মুসলিম ২১২১)*
>
## ✍️ লেখক পরিচিতি
**মোস্তাফিজুর রহমান** ১৯৯০ সালের ১২ই মার্চ রাজশাহী জেলার বাগমারা উপজেলার ঐতিহ্যবাহী বাঁইগাছা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা আব্দুস সালাম মৃধা এবং মাতা আমিনা বিবি।
গ্রামের পাঠশালায় শিক্ষাজীবন শুরু করে মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ডের অধীনে ২০০৫ সালে দাখিল ও ২০০৭ সালে আলিম সম্পন্ন করেন। পরবর্তীতে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়ার 'দাওয়াহ এন্ড ইসলামিক স্টাডিজ' বিভাগ থেকে স্নাতক (সম্মান) ও স্নাতকোত্তর—উভয় শ্রেণিতেই প্রথম বিভাগে উত্তীর্ণ হন।
কর্মজীবনের শুরুতে কোয়ালিটি ইন্সপেক্টর ও পে-রোল অফিসার হিসেবে কর্পোরেট খাতে দায়িত্ব পালন শেষে, বর্তমানে তিনি রাজশাহী জেলার তানোর উপজেলার 'চৌবাড়ীয়া মালশিরা উচ্চ বিদ্যালয়'-এ সহকারী শিক্ষক (ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা) হিসেবে তরুণ প্রজন্মের মাঝে জ্ঞানের আলো ছড়াচ্ছেন।
ইসলামী জ্ঞান-বিজ্ঞানের প্রচার, নৈতিক মূল্যবোধের বিকাশ এবং জীবন ও সমাজের গহীনে লুকিয়ে থাকা সত্য প্রকাশের তাড়না থেকেই তাঁর লেখনীর পথচলা। *"রাস্তার হক"* কাব্যগ্রন্থে তাঁর সেই জীবনমুখী পর্যবেক্ষণ ও কাব্যিক অনুভূতির আত্মপ্রকাশ ঘটেছে।
## 📑 ভূমিকা ও নিবেদন
**বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম।**
সমস্ত প্রশংসা মহান আল্লাহ তাআলার জন্য, যিনি মানুষকে সৃষ্টি করেছেন এবং তাকে পারস্পরিক সুন্দর আচরণ ও শিষ্টাচার শিক্ষার জন্য রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে শিক্ষক হিসেবে প্রেরণ করেছেন।
পথ কেবল এক স্থান থেকে অন্য স্থানে পৌঁছানোর মাধ্যম নয়; পথ হলো সামাজিক চরিত্র, বিনয় ও ঈমানি আখলাক প্রদর্শনের এক অনন্য ক্ষেত্র। আধুনিক জীবনের ব্যস্ততায় আমরা যখন প্রতিনিয়ত জনপথ ব্যবহার করছি, তখন অগোচরেই ভুলে যাচ্ছি রাস্তার সেই অধিকারগুলো—যা রাসুলুল্লাহ (সা.) শিক্ষা দিয়ে গেছেন।
সহীহ বুখারী ও সহীহ মুসলিমে বর্ণিত "রাস্তার হক" সংক্রান্ত হাদীসটি কেবল একটি সাধারণ শিষ্টাচার নয়, বরং এটি একটি নিরাপদ, শান্তিময় ও মানবিক সমাজ গঠনের মূল চাবিকাঠি। 'দৃষ্টির অবনতি' থেকে শুরু করে 'বিপদগ্রস্তের সাহায্য'—এই প্রতিটি সামাজিক ও নৈতিক নীতিকে বাংলা সাহিত্যের কাব্যিক সুবাসে রূপদান করে সাধারণ মানুষের হৃদয়ে ও তরুণ প্রজন্মের চেতনায় পৌঁছে দেওয়ার এক বিনীত প্রয়াস এই কাব্যগ্রন্থ **"রাস্তার হক"**।
# 📜 কাব্যগ্রন্থের অধ্যায়সমূহ
## 📍 ১ম অধ্যায়: গয্যে বসর (দৃষ্টির সতীত্ব ও হিফাজত)
> **হাদীসের অংশ:** *"রাসূলুল্লাহ (সা.) বললেন: রাস্তার প্রথম হক হলো দৃষ্টি অবনত রাখা অর্থাৎ হারাম কিছু থেকে চোখ সরিয়ে রাখা।"*
>
### ১.১ মূল কবিতা: নমিত দৃষ্টির আলো
পবিত্র চোখ দুটি ঈশ্বরের মহান দান,
পথে চলে নজরকে রাখো সশঙ্কু, আমান।
দৃষ্টি নামিয়ে চলা মুমিনের সাজ,
অন্তরে আলো জ্বেলে দূরে রাখা লাজ।
কুনজর ডেকে আনে কালিমার ছায়া,
নমিত চোখেতেই ভাসে প্রভুর যে দয়া।
পথের হাজার ভিড়ে কৌতূহল ছাড়ো,
চোখ দুটো হেফাজতে শুদ্ধতা বাড়াও।
### ১.২ সহায়ক কবিতা: চোখের হেজাফত
রাস্তার বাঁকে কত রূপের পশরা,
চোখ যেন না হয় সে মায়াতে দিশাহারা।
এক পলকের দেখা ভুল করে ফেলে,
নজর নামালে অন্তর শান্তিই মেলে।
ঈমানের আলো তুমি জ্বালাও অন্তরে,
সংযমে বাঁচুক চোখ প্রভুরই ডরে।
> 💡 **জীবনশিক্ষা:** চোখ হলো অন্তরের প্রবেশদ্বার। রাস্তায় চলার সময় কুনজর কেবল নিজের চরিত্রকেই কলঙ্কিত করে না, বরং অন্য পথচারীর স্বাচ্ছন্দ্য ও স্বাধীনতার ব্যাঘাত ঘটায়। তাই দৃষ্টিকে নত রাখা কেবল শারীরিক বিনয় নয়, বরং অন্তরের সতীত্ব ও ঈমানি সুস্থতা রক্ষার শ্রেষ্ঠ মাধ্যম।
>
## 📍 ২য় অধ্যায়: কষ্ট লাঘব (কাউকে কষ্ট না দেওয়া)
> **হাদীসের অংশ:** *"রাসূলুল্লাহ (সা.) বললেন: রাস্তার দ্বিতীয় হক হলো কাউকে কষ্ট দেওয়া থেকে বিরত থাকা।"*
>
### ২.১ মূল কবিতা: নিরাপদ পথ
তোমার চলার পথে যেন কেউ না পায় ব্যথা,
আচরণে ফুটে উঠুক বিনয়েরই কথা।
ইট-কাঁটা, ভাঙা কাঁচ কিংবা পথের ময়লা,
সরিয়ে দিলেই হাসে জনপথের ধূলিও সহসা।
জটলা বা হর্নের শব্দে বিড়ম্বনা নয়,
পথচারীর যেন কোনো কষ্ট না হয়।
হাত আর মুখের অনিষ্ট থেকে পথকে রাখো দূর,
মুমিনের চালচলনে বাজুক শান্তিরই সুর।
### ২.২ সহায়ক কবিতা: পথের আমানত
পথ তো সবার জন্য, কারো ব্যক্তিগত নয়,
তোমার আচরণে যেন মানুষ নিরাপদ রয়।
একটি ক্ষতিকর বস্তু সরিয়ে দেওয়ার নাম,
সদকাহর সওয়াব এনে দেয় যে অবিরাম।
শান্তিতে চলুক সবে, নিরাপদ হোক প্রতিটি কদম,
তোমার স্পর্শে দূর হোক পথিকের যত যাতনা।
> 💡 **জীবনশিক্ষা:** ইসলামে অন্যকে কষ্ট দেওয়া থেকে বিরত থাকাকে ঈমানের অন্যতম শাখা হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, পথ থেকে কষ্টদায়ক বস্তু সরিয়ে দেওয়াও একটি সদকাহ। রাস্তা কেবল চলাচলের স্থান নয়, এটি সবার জন্য নিরাপদ রাখা আমাদের সামাজিক ও ঈমানি আমানত।
>
## 📍 ৩য় অধ্যায়: শান্তির বার্তা (সালামের প্রচার ও প্রসার)
> **হাদীসের অংশ:** *"রাসূলুল্লাহ (সা.) বললেন: রাস্তার তৃতীয় হক হলো সালামের জবাব দেওয়া (এবং শান্তির প্রসার ঘটানো)।"*
>
### ৩.১ মূল কবিতা: পথের সালাম
পথের বাঁকে পথিক চলে অচেনা এক মুখ,
একটি মিষ্টি সালামে তার জুড়িয়ে যাক না বুক।
"আসসালামু আলাইকুম"—শান্তির এই বাণী,
দুই হৃদয়ের মেলবন্ধনে আনে যে পরম পুণ্যি।
চেনা কিবা অচেনা লোক—ভেদাভেদ তো নাই,
সালাম দিয়ে অন্তরেতে একটু জায়গা চাই।
অহংকারের দেয়াল ভেঙে সাম্যের গান গাও,
মুমিনের এই পথচলাতে কেবলই শান্তি দাও।
### ৩.২ সহায়ক কবিতা: একটি শান্তির স্পর্শ
একটি ছোট সালামের মাঝে লুকিয়ে কতো রহমত,
পথচলতি সুবাস ছড়ায় মেটায় মনের অভাব।
হাসিমুখে সালাম দাও, ছড়িয়ে দাও আলো,
সালামের এই মধুর বোলে পথটা হয়ে উঠুক ভালো।
হিংসা-বিদ্বেষ ঘুচে গিয়ে ফুটুক ভালোবাসার ফুল,
সালাম দিলে হাসবে পথিক, ভাঙবে মনের ভুল।
> 💡 **জীবনশিক্ষা:** সালাম হলো একে অপরের জন্য শান্তির দোয়া এবং ভালোবাসার সেতু। রাস্তায় চেনা কিংবা অচেনা যেকোনো মুসলিমকে সালাম দেওয়া ও সালামের জবাব দেওয়া রাস্তার একটি গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক হক। এটি সমাজে অহংকার দূর করে সামাজিক সম্প্রীতি ও আন্তরিকতা প্রতিষ্ঠা করে।
>
## 📍 ৪র্থ অধ্যায়: আলোকের আহ্বান (সৎকাজের আদেশ)
> **হাদীসের অংশ:** *"রাসূলুল্লাহ (সা.) বললেন: রাস্তার চতুর্থ হক হলো সৎকাজের আদেশ দেওয়া (মারুফ কাজের নির্দেশ)।"*
>
### ৪.১ মূল কবিতা: কল্যাণের আলো
পথের বাঁকে সত্যের সুর, কল্যাণেরি আহ্বান,
ভালো কাজের দিকে ডাকি, জাগুক সুপ্ত প্রাণ।
বিনম্র এই ভোরের আলোয় মুক্ত ঝরুক মুখে,
একটি কথা জ্বেলে দিক আলো পথিকের ওই বুকে।
ভুলের মাঝে জড়িয়ে যেজন, তাকেও ডেকে নাও,
মমতারই হাত বাড়িয়ে পথটা দেখিয়ে দাও।
সত্য-ন্যায়ের এই পথ ধরে চলাই বড় প্রীতি,
মুমিনের এই কাজের মাঝেই লুকিয়ে আছে নীতি।
### ৪.২ সহায়ক কবিতা: আলোর দিশারী
চলতে চলতে সত্যের বাণী পৌঁছে দাও না কানে,
একটি ভালো পরামর্শে জিকির জাগুক প্রাণে।
নামাজের ওই সময়ে যখন আযান ভেসে আসে,
পথের সাথীকে ডেকে নেওয়া ইসলামী ইতিহাসে—
এক মহিমান্বিত আলো, যা জীবন দেয় গড়ে,
ভালো কাজের ডাকেই তো ভাই হৃদয় আলোয় ভরে।
> 💡 **জীবনশিক্ষা:** মুমিন কেবল নিজে ভালো কাজের ওপর প্রতিষ্ঠিত থাকে না, বরং অন্যকেও মমতার সাথে কল্যাণের দিকে আহ্বান জানায়। জনপথে চলার সময় মানুষকে উত্তম উপদেশ দেওয়া, ওয়াক্তমতো নামাজের কথা স্মরণ করিয়ে দেওয়া কিংবা ভালো কাজে উৎসাহিত করা রাস্তার সুমহান একটি হক।
>
## 📍 ৫ম অধ্যায়: অন্যায়ের প্রতিরোধ (অসৎকাজে বাধা)
> **হাদীসের অংশ:** *"রাসূলুল্লাহ (সা.) বললেন: রাস্তার পঞ্চম হক হলো অসৎকাজে নিষেধ করা (মুনকার কাজে বাধা দেওয়া)।"*
>
### ৫.১ মূল কবিতা: অন্যায় রুদ্ধ হোক
চোখের সামনে অন্যায় যখন মাথা তোলে ওই পথে,
নিস্তব্ধ হয়ে রবো না তো মোরা অনাচারের সাথে।
প্রজ্ঞা ও প্রেমে রুখে দেব আজ অন্ধকার ওই কালো,
পথের মাঝে ফুটিয়ে তুলব সুন্দরেরই আলো।
জুলুমের হাত থমকে দাঁড়াক, থামুক গালি ও গ্লানি,
মোদের শক্ত অবস্থান আনবে পরম শান্তি।
নীতি ও সত্যের ঢাল হাতে নিয়ে মুমিন তো অবিচল,
অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোই শৌর্যের শ্রেষ্ঠ বল।
### ৫.২ সহায়ক কবিতা: প্রতিবাদের আলো
ইভটিজিং বা অন্যায়ের ছায়া যদি পড়ে জনপথে,
মুমিনের বুক আগলে দাঁড়াবে সততা আর সত্যে।
চুপ করে থাকা কাপুরুষতা, ঈমানের দুর্বলতা,
হেকমত দিয়ে রুখতে হবে সমাজের যত শঠতা।
শান্ত ও দৃঢ় সাহসের সাথে অন্যায় করো দূর,
তবেই তো পথে বাজে শান্তির অনুপম সুর।
> 💡 **জীবনশিক্ষা:** সমাজ ও জনপথকে উপদ্রবমুক্ত রাখা মুমিনের ঈমানি দায়িত্ব। রাস্তায় কোনো অন্যায়, অত্যাচার, ইভটিজিং বা অসামাজিক কার্যকলাপ ঘটতে দেখলে নীরব না থেকে প্রজ্ঞা, সাহসিকতা ও সুকৌশলে তার প্রতিবাদ করা এবং অসৎ কাজ থেকে বিরত রাখা সমাজ সুরক্ষার অন্যতম স্তম্ভ।
>
## 📍 ৬ষ্ঠ (সম্পূরক) অধ্যায়: রাহবার (পথপ্রদর্শন ও সাহায্য)
> **হাদীসের অংশ:** *"অন্য বর্ণনায় এসেছে: বিপদগ্রস্তকে সাহায্য করা এবং পথভ্রষ্টকে সঠিক পথ প্রদর্শন করাও রাস্তার হকের অন্তর্ভুক্ত।"*
>
### ৬.১ মূল কবিতা: মমতার হাত
অচেনা পথিক দিশাহারা হলে, বাড়াও তোমার হাত,
অন্ধকার এই পথের বুকে জ্বালাও আলোর রাত।
বৃদ্ধ বা অন্ধ, যে-ই আসুক না কেন সহসা সামনে,
পৌঁছে দাও গো লক্ষ্যে তারে পরম স্নেহের টানে।
বিপদে যেজন আটকে পড়ে পথের কোনো এক বাঁকে,
মুমিন তো ভাই সদাই থাকে তার পাশে ও ডাকে।
পথের রহম, পথিকের হাসি—প্রভুর বড়ই দান,
এমন পন্থেই ধন্য হয় যে মানবতা ও প্রাণ।
### ৬.২ সহায়ক কবিতা: পথের আলো
একটু থামো, বাড়িয়ে দাও সমবেদনার হাত,
অসহায় ওই পথিক যেন না পায় যাতনাত।
ঠিকানা অচেনা যার, তাকে দাও সঠিক নির্দেশনা,
ভারী বোঝা টানতে গিয়ে যে পায় বড্ড যন্ত্রণা—
তার পাশে গিয়ে একটু দাঁড়াও, ভাগ করো তার ভার,
আল্লাহর রহম ঝরবে তোমার জীবনে বারংবার।
> 💡 **জীবনশিক্ষা:** জনপথে কেবল নিজের সুবিধার চিন্তা করা নয়, বরং অন্যের উপকারে আত্মনিয়োগ করাই প্রকৃত মুমিনের পরিচয়। অন্ধ, বৃদ্ধ বা শিশুদের পথ পার হতে সাহায্য করা, পথভোলা মানুষকে ঠিকানা দেখিয়ে দেওয়া এবং দুস্থ পথচারীর সাহায্যে এগিয়ে আসা সর্বশ্রেষ্ঠ মানবিক ও ঈমানি আমল।
>
### 📚 রেফারেন্স ও তথ্যসূত্র
* **সহীহ বুখারী:** হাদীস নং ২৪৬৫ (কিতাবুল মাজালিম)
* **সহীহ মুসলিম:** হাদীস নং ২১২১ (কিতাবুল লিবাস ওয়াল জীনাহ)
* **সুনানে আবু দাউদ:** হাদীস নং ৪৮১৫ (কিতাবুল আদাব)
১৪
২১ মন্তব্য