Loading..

ব্লগ

রিসেট

০১ আগস্ট, ২০২৬ ০৪:০৬ অপরাহ্ণ

চুলকানি একটি অত্যন্ত অস্বস্তিকর অনুভূতি।

চুলকানি একটি অত্যন্ত অস্বস্তিকর অনুভূতি। চর্মরোগ, এলার্জি, শুষ্ক ত্বক বা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার অভাবসহ নানা কারণে চুলকানি হতে পারে। এটি থেকে সাময়িক ও দীর্ঘমেয়াদি স্বস্তি পেতে নিচে কিছু কার্যকর স্বাস্থ্য টিপস দেওয়া হলো:

​চুলকানি থেকে বাঁচার উপায়

​ত্বক আর্দ্র (Moisturized) রাখুন: শুষ্ক ত্বকে চুলকানি বেশি হয়। তাই গোসলের পর এবং ত্বক শুষ্ক মনে হলেই ভালোমানের লোশন, ময়েশ্চারাইজার বা নারিকেল তেল ব্যবহার করুন।

​হালকা গরম পানিতে গোসল: অতিরিক্ত গরম পানি ত্বকের প্রাকৃতিক তেল নষ্ট করে ফেলে। তাই হালকা গরম বা স্বাভাবিক পানিতে গোসল করুন। গোসলের পানিতে সামান্য বেকিং সোডা বা ওটমিল মিশিয়ে নিলে চুলকানি কমে।

​সুতি ও ঢিলেঢালা পোশাক পরুন: সুতি ও ঢিলেঢালা কাপড় ত্বককে শ্বাস নিতে সাহায্য করে। সিন্থেটিক বা উলের পোশাক ত্বকে ঘর্ষণ তৈরি করে চুলকানি বাড়িয়ে দিতে পারে।

​নখ ছোট রাখুন: নখ দিয়ে ত্বক আঁচড়াবেন না। এতে ত্বকে ক্ষত তৈরি হতে পারে এবং সেকেন্ডারি ইনফেকশন ছড়িয়ে পড়তে পারে। চুলকানি বেশি হলে আলতো করে চেপে ধরুন বা সেঁক দিন।

​অ্যালার্জিযুক্ত খাবার ও জিনিস এড়িয়ে চলুন: আপনার যদি নির্দিষ্ট কোনো খাবার (যেমন: চিংড়ি, ইলিশ, গরুর মাংস, বাদাম ইত্যাদি), ডাস্ট বা কেমিক্যালযুক্ত সাবান/ডিটাজেন্টে অ্যালার্জি থাকে, তবে তা এড়িয়ে চলুন।

​ঠান্ডা সেঁক (Cold Compress): চুলকানির জায়গায় আইস প্যাক বা ঠান্ডা পানিতে ভেজানো তোয়ালে ১০–১৫ মিনিট ধরে রাখলে তাৎক্ষণিক স্বস্তি পাওয়া যায়।

​দৈনন্দিন জীবনের জন্য প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য বার্তা

​পর্যাপ্ত পানি পান করুন: প্রতিদিন অন্তত ৮–১০ গ্লাস (২–২.৫ লিটার) পানি পান করুন। পানি আপনার ত্বক সুস্থ রাখে এবং শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ বের করে দেয়।

​ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখুন: প্রতিদিনের ব্যবহৃত পোশাক, তোয়ালে এবং বিছানার চাদর নিয়মিত ধুয়ে পরিষ্কার রাখুন। নিজের ব্যবহারের জিনিসপত্র অন্যদের সাথে ভাগাভাগি না করাই ভালো।

​মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ করুন: অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা বা স্ট্রেস অনেক সময় ত্বকের সমস্যা ও চুলকানি বাড়িয়ে দেয়। পর্যাপ্ত ঘুমান এবং নিয়মিত হালকা ব্যায়াম বা যোগব্যায়াম করুন।

​অপ্রয়োজনীয় অ্যান্টিবায়োটিক বা স্টেরয়েড এড়িয়ে চলুন: চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া যেকোনো ধরনের মলম বা ওষুধ ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন।

মন্তব্য করুন