Loading..

ব্লগ

রিসেট

০৪ আগস্ট, ২০২৬ ০৩:৫৭ অপরাহ্ণ

জুলাই গণঅভ্যুত্থান ২০২৪ ও বাংলাদেশ ২.০

জুলাই গণঅভ্যুত্থান ২০২৪; বাংলাদেশের ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়

মনিরুল হক,

 

ভূমিকাঃ

ইতিহাসের পাতায় এমন কিছু মুহূর্ত আসে, যা একটি জাতির ভাগ্যকে আমূল বদলে দেয়। ১৯৫২-এর ভাষা আন্দোলন, ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান, ১৯৭১-এর মুক্তিযুদ্ধ এবং ১৯৯০-এর স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের মতো ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানও বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি অবিস্মরণীয় অধ্যায় হিসেবে স্থান পেয়েছে। সরকারি চাকরিতে বৈষম্যমূলক কোটা পদ্ধতির সংস্কারের দাবিতে শুরু হওয়া এই আন্দোলন ধীরে ধীরে পরিণত হয় এক ব্যাপক গণজাগরণে। শিক্ষার্থী থেকে সাধারণ মানুষ, রাজপথ থেকে অলিগলি, সব জায়গায় একটাই কণ্ঠস্বর উঠেছিল: বৈষম্য নয়, ন্যায়বিচার চাই। এই রচনায় জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পটভূমি, ঘটনাপ্রবাহ, তাৎপর্য এবং বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এর সুদূরপ্রসারী প্রভাব নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

 

পটভূমি ও কারণ: কোটার বৈষম্যঃ

বাংলাদেশের সরকারি চাকরিতে কোটা পদ্ধতি বহু পুরনো। স্বাধীনতার পরপরই মুক্তিযোদ্ধা, নারী, জেলা ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর জন্য মোট ৫৬ শতাংশ কোটা বরাদ্দ ছিল, যার মধ্যে মুক্তিযোদ্ধা কোটা একাই ৩০ শতাংশ। ২০১৮ সালে ব্যাপক আন্দোলনের মুখে সরকার একটি পরিপত্রের মাধ্যমে নবম থেকে ত্রয়োদশ গ্রেডের সরকারি চাকরিতে কোটা পদ্ধতি বাতিল ঘোষণা করে। কিন্তু ২০২৪ সালের ৫ জুন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ সেই ২০১৮ সালের পরিপত্রটিকে অবৈধ ঘোষণা করে কোটা ব্যবস্থা পুনরুদ্ধার করার রায় দেয়। এই রায়ের পরিপ্রেক্ষিতেই নতুন করে শুরু হয় শিক্ষার্থীদের বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন।

প্রশ্নটি শুধু কোটার ছিল না। গত দেড় দশকে দেশে বেকারত্ব ক্রমাগত বাড়ছিল। বিশ্ববিদ্যালয় পাস করা লক্ষ লক্ষ তরুণ কর্মসংস্থানের আশায় সরকারি চাকরির দিকে তাকিয়ে থাকতেন। এই প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশে মোট আসনের ৫৬ শতাংশ বিভিন্ন কোটায় সংরক্ষিত রাখা মেধাবীদের কাছে চরম বৈষম্যমূলক বলে মনে হত। তার উপর ছিল দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি এবং রাজনৈতিক পরিচয়ের ভিত্তিতে নিয়োগ পাওয়ার সংস্কৃতি। দীর্ঘদিনের এই ক্ষোভ ও হতাশাই ২০২৪ সালের আন্দোলনকে দিয়েছিল এক অসাধারণ জনশক্তি।

 

আন্দোলনের সূচনা ও বিস্তারঃ

হাইকোর্টের রায়ের পরপরই দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে প্রতিবাদে নামেন। 'বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন' নামে একটি অরাজনৈতিক ছাত্র প্ল্যাটফর্ম গঠিত হয় এবং নাহিদ ইসলাম, আসিফ মাহমুদ, মাহফুজ আলম, সারজিস আলম, হাসনাত আব্দুল্লাহসহ কয়েকজন তরুণ নেতার নেতৃত্বে আন্দোলন সংগঠিত হতে থাকে। ১ জুলাই থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বুয়েট, জাহাঙ্গীরনগর, চট্টগ্রাম, রাজশাহীসহ দেশের প্রায় সকল উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীরা ক্লাস বর্জন করে রাজপথে নামেন। ৭ জুলাই থেকে শাহবাগ, রমনা, কার্জন হল চত্বরে জমায়েত শুরু হয়।

আন্দোলনকে সবচেয়ে বেশি জ্বালিয়ে দিয়েছিল তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একটি মন্তব্য। ১৪ জুলাই তিনি এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, মুক্তিযোদ্ধাদের নাতি-নাতনিরা যদি কোটা না পান, তাহলে কি রাজাকারের নাতি-নাতনিরা পাবে? এই মন্তব্যটি আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের জন্ম দেয়। সারাদেশে 'তুমি কে আমি কে রাজাকার রাজাকার' স্লোগানে উত্তাল হয়ে ওঠে রাজপথ। বিষয়টি আর শুধু কোটা সংস্কারের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকেনি, এটি পরিণত হয় রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার বিরুদ্ধে এক ব্যাপক গণরোষে।

 

দমন-পীড়ন ও জুলাই গণহত্যাঃ

১৫ জুলাই থেকে পরিস্থিতি হিংসাত্মক রূপ নেয়। ক্ষমতাসীন দলের ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ বিভিন্ন স্থানে আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা চালায়। পুলিশ, র‍্যাব এবং বিজিবি বিক্ষোভকারীদের ওপর টিয়ার গ্যাস, রাবার বুলেট এবং সরাসরি গুলিবর্ষণ করে। ১৬ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত চলা এই দমন-পীড়নকে ইতিহাসে 'জুলাই গণহত্যা' হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

সরকার সারাদেশে কারফিউ জারি করে, মোবাইল ইন্টারনেট বন্ধ করে দেয় এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম অবরুদ্ধ করে রাখে। তবু আন্দোলন থামানো যায়নি। বুলেটের সামনে দাঁড়িয়ে শিক্ষার্থীরা বুক পেতে দেন। রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সায়ীদ পুলিশের সামনে বুক পেতে দিয়ে যেভাবে শহীদ হন, সেই দৃশ্য সারা বিশ্বের মানুষের হৃদয় কাঁপিয়ে দেয়। সামগ্রিকভাবে এই আন্দোলনে প্রায় দেড় হাজারের বেশি মানুষ প্রাণ হারান, যার মধ্যে শিশুও ছিল। জাতিসংঘের শিশু সংস্থা ইউনিসেফ জানায়, আন্দোলন চলাকালে কমপক্ষে ৩২ জন শিশু নিহত হয়েছে।

 

আন্দোলনের রূপান্তর: এক দফা দাবিঃ

২১ জুলাই সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ কোটা সংক্রান্ত রায় দিয়ে ৯৩ শতাংশ মেধা-ভিত্তিক নিয়োগের নির্দেশ দেয়। কিন্তু ততক্ষণে আন্দোলনের চরিত্র পাল্টে গিয়েছিল। শত শত মানুষের রক্ত ঝরেছে, হাজার হাজার শিক্ষার্থী গ্রেফতার হয়েছেন  শুধু কোটা সংস্কারের রায়ে তাঁদের ক্ষোভ প্রশমিত হওয়ার প্রশ্নই ছিল না। ৩ আগস্ট শিক্ষার্থীরা এক দফা দাবি ঘোষণা করেন: তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পদত্যাগ এবং সরকারের পতন। ৪ আগস্ট শুরু হয় অসহযোগ আন্দোলন। দেশের সচিবালয় থেকে শুরু করে কলকারখানা, ব্যবসা-বাণিজ্য  সবকিছু কার্যত অচল হয়ে পড়ে।

 

৫ আগস্ট: ইতিহাসের '৩৬ জুলাই'ঃ

৫ আগস্ট ২০২৪  বাংলাদেশের ইতিহাসে এই দিনটি চিরস্মরণীয়। সেদিন সকাল থেকেই দেশের সব প্রান্ত থেকে লাখ লাখ মানুষ ঢাকার দিকে মিছিল করে আসতে থাকেন। বিকেলের মধ্যে জনতা সংখ্যায় এতটাই বেড়ে যায় যে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবন এবং জাতীয় সংসদ ভবন ঘেরাও হয়ে পড়ে। সেদিন বিকেলে সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে ঘোষণা করেন যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদত্যাগ করেছেন এবং একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করা হবে। পনেরো বছরের শাসনের ইতি টেনে শেখ হাসিনা ভারতের উদ্দেশ্যে দেশ ত্যাগ করেন।

এই দিনটিকে বাংলাদেশের সংস্কৃতিতে '৩৬ জুলাই' বলে চিহ্নিত করা হয়। কারণ জুলাই মাসে শুরু হওয়া আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় আগস্টের ৫ তারিখটি যেন জুলাইয়েরই ৩৬তম দিন হয়ে ওঠে। বাংলাদেশের ইতিহাসে ১৯৭১-এর পর এটিই সম্ভবত সবচেয়ে বড় গণজাগরণ এবং এই আন্দোলনকে বিশ্বব্যাপী 'জেন-জি বিপ্লব' বা 'বর্ষা বিপ্লব' হিসেবেও আখ্যায়িত করা হয়েছে।

 

অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ও নতুন যাত্রাঃ

শেখ হাসিনার পদত্যাগের তিন দিনের মধ্যে নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হয়। আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক নাহিদ ইসলাম এবং আসিফ মাহমুদ এই অন্তর্বর্তী সরকারে উপদেষ্টা হিসেবে যোগ দেন। নতুন সরকার রাষ্ট্রীয় সংস্কারের রূপরেখা তৈরি শুরু করে নির্বাচন ব্যবস্থা, বিচার বিভাগ, দুর্নীতি দমন এবং মানবাধিকার রক্ষায় একাধিক সংস্কার কমিশন গঠন করা হয়। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের 'জাতীয় বীর' ঘোষণা করা হয় এবং ৫ আগস্টকে জাতীয় দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়

 

গণঅভ্যুত্থানের তাৎপর্য ও বহুমাত্রিক প্রভাবঃ

জুলাই গণঅভ্যুত্থান বাংলাদেশের রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক জীবনে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলেছেঃ

তরুণ প্রজন্মের উত্থানঃ এই আন্দোলন প্রমাণ করেছে যে রাজনৈতিক দলের ব্যানার ছাড়াও সাধারণ শিক্ষার্থীরা ঐক্যবদ্ধ হলে ইতিহাস পরিবর্তন করতে পারে। স্মার্টফোন, সোশ্যাল মিডিয়া এবং ডিজিটাল সংগঠনের মাধ্যমে পরিচালিত এই আন্দোলনকে বিশ্ব মিডিয়া 'বিশ্বের প্রথম সফল জেন-জি বিপ্লব' হিসেবে চিহ্নিত করেছে।

গণতান্ত্রিক চেতনার পুনর্জাগরণঃ দীর্ঘ স্বৈরাচারী শাসনের বিরুদ্ধে জনগণের প্রতিরোধ গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির গভীর শিকড়ের কথা মনে করিয়ে দিয়েছে। এই আন্দোলন ১৯৫২ ও ১৯৭১-এর চেতনার সাথে একই সূত্রে গাঁথা।

শিক্ষা ব্যবস্থায় পরিবর্তনঃ জুলাই গণঅভ্যুত্থান এখন বাংলাদেশের পাঠ্যক্রমের অংশ হয়েছে। ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির 'বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়' বইয়ে এই আন্দোলনের ইতিহাস অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যা ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে এই ঐতিহাসিক ঘটনা সম্পর্কে অবহিত করবে।

রাষ্ট্র সংস্কারের সূচনাঃ বিচার বিভাগ, নির্বাচন কমিশন, দুর্নীতি দমন কমিশনসহ রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর কাঠামোগত সংস্কারের দাবি সামনে এসেছে এবং সেই লক্ষ্যে কাজ শুরু হয়েছে।

আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি ও মনোযোগঃ বাংলাদেশের এই আন্দোলন বিশ্বব্যাপী ব্যাপক মনোযোগ আকর্ষণ করেছে। ইন্টারনেট বন্ধ রেখে আন্দোলন দমনের প্রচেষ্টা সত্ত্বেও তরুণরা নানা উপায়ে তথ্য ছড়িয়ে দিয়েছেন এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সংহতি অর্জন করেছেন।

 

শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও সমাজের ভূমিকাঃ

জুলাই আন্দোলনে শুধু শিক্ষার্থীরা নয়, দেশের সর্বস্তরের মানুষ অংশ নিয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা 'শিক্ষক সমাবেশ' করে শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়িয়েছেন। ২৯ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে 'নিপীড়নবিরোধী শিক্ষক সমাবেশ' অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে নিহত শিক্ষার্থীদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। চিকিৎসক, আইনজীবী, সাংবাদিক, শ্রমিক  সবাই এই আন্দোলনের সাথে একাত্ম হয়েছেন। মা-বাবারা নিজ সন্তানদের পাশে রাস্তায় নেমেছেন। এই বিরল ঐক্যই প্রমাণ করে যে এটি ছিল একটি সত্যিকারের গণঅভ্যুত্থান।

 

ভবিষ্যৎ প্রত্যাশাঃ

জুলাই গণঅভ্যুত্থান একটি পরিসমাপ্তি নয়, বরং একটি নতুন সূচনা। শিক্ষার্থীরা যে স্বপ্ন নিয়ে রাজপথে নেমেছিলেন  বৈষম্যহীন, দুর্নীতিমুক্ত এবং ন্যায়সংগত বাংলাদেশ গড়ার সেই স্বপ্ন এখনো অধরা। রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রকৃত সংস্কার, মুক্ত ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি, দুর্নীতির বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ এবং শহীদ পরিবারগুলোর জন্য যথাযথ ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করা  এগুলো এই আন্দোলনের অর্জনকে স্থায়ী রূপ দেবে। স্মার্ট বাংলাদেশ ২০৪১-এর স্বপ্ন পূরণ হবে তখনই, যখন প্রতিটি নাগরিক তার মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারবেন।

 

উপসংহারঃ

জুলাই গণঅভ্যুত্থান ২০২৪ বাংলাদেশের ইতিহাসে এমন একটি ঘটনা, যা আসবে কিন্তু মুছবে না। শত শত তরুণের রক্ত এই মাটিকে পবিত্র করেছে। তাঁরা কোনো দলের জন্য, কোনো ব্যক্তির জন্য নয়  বুকের রক্ত দিয়ে মেধার অধিকার, ন্যায়বিচারের অধিকার এবং একটি বৈষম্যমুক্ত দেশের স্বপ্নকে রক্ষা করতে গিয়েছেন। ১৯৫২-র ভাষা শহীদদের মতোই এই শহীদরা বাংলাদেশের ইতিহাসে 'জাতীয় বীর' হিসেবে চিরকাল বেঁচে থাকবেন। তাঁদের স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ার দায়িত্ব এখন আমাদের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং প্রতিটি সচেতন নাগরিকের। জুলাই কেবল একটি মাস নয়, জুলাই এখন একটি চেতনার নাম।

 

 

 

লেখকঃ মনিরুল হক

সহকারী শিক্ষক, আমলাবাড়ী মাধ্যমিক বিদ্যালয়

খোকসা, কুষ্টিয়া।

০১৭২২ ২৭৩২৭২

 

মন্তব্য করুন

ব্লগ