Loading..

ব্লগ

রিসেট

০৫ আগস্ট, ২০২৬ ১২:১৮ পূর্বাহ্ণ

এম এড প্রশিক্ষণ (মাস্টার অভ এডুকেশন)



আপনি কেন এমএড করবেন?


শিক্ষকতা মহান পেশা। এ পেশার কারিগরগণ উন্নত শিক্ষাদান পদ্ধতি শেখার, শিক্ষাগত নেতৃত্বে যাওয়ার ও দক্ষতা অর্জন এবং পেশাগত মানোন্নয়নের জন্য একজন সহকারি শিক্ষক/সহকারি প্রধান শিক্ষক/প্রধান শিক্ষক এম.এড (মাস্টার অব এডুকেশন) প্রোগ্রামে ভর্তি হন।


প্রধান কারণসমূহঃ

  • দক্ষতা বৃদ্ধি: আধুনিক শিক্ষণ কৌশল, শিশু মনস্তত্ত্ব এবং শ্রেণিকক্ষ ব্যবস্থাপনার ওপর গভীর জ্ঞান অর্জন করা।

  • নেতৃত্ব ও পদোন্নতি: প্রধান শিক্ষক, শিক্ষা প্রশাসক বা নীতি নির্ধারক হওয়ার সুযোগ তৈরি করা।

  • গবেষণা সুযোগ: শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে গবেষণামূলক কাজ করার দক্ষতা অর্জন।
আর্থিক সুবিধাঃ
এম এড (M.Ed) বা মাস্টার অব এডুকেশন ডিগ্রি অর্জনকারী শিক্ষকরা উচ্চতর শিক্ষাগত যোগ্যতার ভিত্তিতে অগ্রিম বর্ধিত বেতন বা ইনক্রিমেন্ট সুবিধা পেয়ে থাকেন। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ২০১৫ সালের ১ জুলাই  প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী এই আর্থিক সুবিধার মূল বিষয়গুলো নিচে দেওয়া হলো:

আর্থিক সুবিধার বিবরণ
  • একটি ইনক্রিমেন্ট: দ্বিতীয় শ্রেণির এম এড বা সমমানের মাস্টার্স ডিগ্রি থাকলে শিক্ষকগণ একটি অগ্রিম বর্ধিত বেতন পান।

  • দুটি ইনক্রিমেন্ট: প্রথম শ্রেণির এম এড বা সমমানের মাস্টার্স ডিগ্রি থাকলে শিক্ষকগণ দুটি অগ্রিম বর্ধিত বেতন বা ইনক্রিমেন্টের সুবিধা পান।

  • বিঃদ্রঃ তবে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের জন্য পেশাগত দক্ষতার বাইরে আর কোন আর্থিক সুবিধা নাই। 

  • কোথায় এমএড করতে পারবেন?


    বাংলাদেশেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আওতায় সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজগুলোতে এম.এড (Master of Education) করতে পারেন।

    সেরা প্রতিষ্ঠানসমূহ

    • ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়: শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (IER)

    • বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় (BOU): দূরশিক্ষণ পদ্ধতিতে ঘরে বসে পড়ার সুযোগ(এক বছর মেয়াদী দুইটি সেমিস্টার)

    • সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজ: ঢাকা, রাজশাহী, ময়মনসিংহসহ বিভিন্ন টিচার্স ট্রেনিং কলেজ


    ভর্তির মূল শর্ত

    • বি.এড (B.Ed) বা সমমানের ডিগ্রি থাকতে হবে

    • ন্যূনতম স্নাতক পাস হতে হবে 




মন্তব্য করুন