সহকারী অধ্যাপক
০৭ আগস্ট, ২০২৬ ০৫:০৩ পূর্বাহ্ণ
আল্লাহভীতি: সকল ভয়ের মুক্তি -মোঃ মুজিবুর রহমান
|
|
আল্লাহভীতি: সকল ভয়ের মুক্তি
মোঃ মুজিবুর রহমান
সহকারী অধ্যাপক
মোজাদ্দেদীয়া ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসা,কালিয়াকৈর, গাজীপুর।
ভয় যদি থাকে, থাকুক শুধু প্রভুরই ভয়,
তবেই হৃদয় পাবে শান্তির পরিচয়।
যে মাথা নত করে এক আল্লাহর তরে,
সে আর নত হয় না দুনিয়ার কারও দ্বারে।
তাকওয়ার আলো জ্বলে অন্তরের গভীরে,
অন্ধকার মুছে যায় সত্যের আলোকনীরে।
লোভের মরুভূমি হয় শিশিরস্নাত বন,
ঈমানের সুবাসে ভরে ওঠে জীবন।
ক্ষমতার অহংকার ভেঙে যায় নিমেষে,
মানুষ ফিরে আসে বিনয়ের পরিবেশে।
স্বার্থের দেয়াল সব ধুলায় মিশে যায়,
রহমতের ছায়াতলে নতুন সকাল গায়।
যে ভয় পায় আল্লাহকে, অন্যায় সে ত্যাগে,
সত্যের পতাকা তুলে দাঁড়ায় সাহস জাগে।
মিথ্যার প্রাসাদ যত আকাশ ছুঁতে চায়,
হকের একটি বাণী সব অহং ভেঙে যায়।
ঝড় যদি আসে তবু হৃদয় কাঁপে না,
তাওয়াক্কুলের শক্তি তাকে ভাঙতে দেয় না।
দুঃখের অন্ধ রাতে আশার দীপ জ্বলে,
রবের স্মরণে প্রাণ হাসিমুখে চলে।
রিজিকের চিন্তাতে যে অস্থির হয় প্রাণ,
তাকওয়া শেখায় তাকে—রবই মহাদান।
যিনি সৃষ্টি করেছেন আকাশ, ধরণী,
তিনি কি ভুলে যাবেন তাঁরই সৃষ্টিজনই?
অভাবের দিন এলেও ধৈর্য থাকে সাথে,
বিশ্বাসের প্রদীপ জ্বলে নীরব প্রতিরাতে।
দুনিয়ার প্রাচুর্য নয় হৃদয়ের আসন,
রবের সন্তুষ্টিই মুমিনের ভূষণ।
অন্যায়ের প্রলোভন যত কাছে ডাকে,
তাকওয়ার প্রাচীর তাকে নিরাপদে রাখে।
নিষিদ্ধের রঙিন পথে পা বাড়াতে গিয়ে,
বিবেক ডাকে নরম স্বরে কুরআনেরই দিয়ে।
অহেতুক ভয় যত কল্পনারই জাল,
আল্লাহভীতি কাটায় তার প্রতিটি কুয়াশাচ্ছন্ন কাল।
মৃত্যুকেও দেখে সে চিরজীবনের সেতু,
ঈমান তার হাতে রাখে আশার অমৃত।
ক্ষমতার ভয়ে নয়, সত্যের শক্তিতে,
ন্যায়ের পথে চলে সে দৃঢ় প্রত্যয়ে।
মানুষ যদি হাসে বা অবহেলা করে,
রবের সন্তুষ্টি খোঁজে অন্তরেরই ঘরে।
পাপ যখন ডাকে তাকে মধুর ছলনায়,
তাকওয়ার ডাক আসে আলোর আহ্বানায়।
চোখকে শেখায় সংযম, জিহ্বাকে সত্যবাণী,
হাতকে শেখায় সেবা, হৃদয় করে দানী।
মায়ের প্রতি শ্রদ্ধা, পিতার প্রতি মান,
স্বজনের অধিকারে রাখে অবিচল প্রাণ।
এতিমের চোখের জল মুছে দেয় যে হাত,
আল্লাহভীতির ফল সে মানবতার প্রভাত।
প্রতিবেশীর দুঃখে যার হৃদয় কেঁদে যায়,
তাকওয়ার ফুল তারই জীবনে সুবাস ছড়ায়।
ক্ষমা দিয়ে জয় করে রাগের আগুনখানি,
নম্রতার অলংকারে হয় সে মহামানী।
সত্যের ব্যবসায়ী সে, মাপে না প্রতারণা,
হালাল রুটির স্বাদে পায় অনন্ত প্রেরণা।
অল্প হলেও তাতে বরকতেরই হাসি,
হারামের ঐশ্বর্যে নেই প্রশান্তির বাসি।
যে যুবক নিজেকে রাখে পাপ থেকে দূরে,
তাকওয়ার দীপ্তি জ্বলে তার চরিত্রজুড়ে।
যে বৃদ্ধ সিজদাতে ভেজায় চোখের জল,
রহমতের বৃষ্টি নামে হৃদয়েরই তল।
শিক্ষক যদি শেখান ন্যায়, জ্ঞান আর ধর্ম,
তাকওয়ার পথ খুলে বদলায় জীবনের কর্ম।
শিক্ষার্থী গ্রহণ করে বিনয়ভরা মন,
জ্ঞান তখন আলোকিত করে প্রতিক্ষণ।
পরিবারে তাকওয়া হলে ভালোবাসা বাড়ে,
কলহের কালো মেঘ দূর আকাশে সরে।
স্বামী-স্ত্রী হাতে হাত রেখে চলে সত্যপথে,
সন্তান শেখে আদর্শ মায়ার স্নিগ্ধ রথে।
রাষ্ট্র যদি গড়ে ওঠে ন্যায়ের ভিত্তিপ্রস্তর,
তাকওয়ার আলোয় জ্বলে উন্নতিরই ঘর।
বিচারে থাকে সমতা, দুর্বল পায় স্থান,
মানবতার জয়ধ্বনি ছড়ায় অবিরাম।
ভয় নয়, সাহসই ঈমানের পরিচয়,
রবের প্রেমে জাগে জীবনের মহিমাময়।
যে হৃদয়ে তাকওয়া থাকে অটুট দীপশিখা,
সে হৃদয়ে মিথ্যার নেই কোনো অধিকার লেখা।
কবরের নিস্তব্ধতা তাকে করে না ভীত,
আমলের আলোয় থাকে তার অন্তর সঞ্জীবিত।
হাশরের ময়দানে সে রাখে এক আশ্রয়—
রহমানের দয়ার ছায়া, অনন্ত পরিচয়।
এসো তবে গড়ি আজ তাকওয়ারই ঘর,
সত্য হোক জীবনের প্রতিটি অঙ্গনভর।
আল্লাহর ভয় হোক হৃদয়ের অলংকার,
তাতেই মিলবে মুক্তি, শান্তি অপরিসীম অপার।
ভয় যদি থাকে, থাকুক শুধু রবেরই ভয়,
তবেই জীবন পাবে চিরমুক্তির পরিচয়।
তাকওয়ার পথেই লুকায় কল্যাণের আলো,
এই পথেই মানুষ হয় সত্য, সুন্দর, ভালো।
***
আল্লাহভীতি: সকল ভয়ের মুক্তি
ভয় যদি থাকে, থাকুক শুধু আল্লাহরই ভয়,
সেই ভয়েই লুকিয়ে থাকে জীবনের পরিচয়।
যে নত হয় কেবল তাঁরই মহিমার দুয়ারে,
সে আর মাথা নত করে না দুনিয়ার কারও দ্বারে।
তাকওয়ার প্রদীপ জ্বলে হৃদয়ের গভীর তলে,
সন্দেহের কালো মেঘ মিলায় আলোর দলে।
লোভের মরুভূমিতে রহমতের বৃষ্টি নামে,
ঈমানের সবুজ শাখা দোলে নব আবহাওয়ায় থামে।
আল্লাহভীতি মানুষকে করে অটল, অবিচল,
বিপদের ঝড় এলেও থাকে না হৃদয় বিকল।
রাজদণ্ড, ক্ষমতা, ধন কিংবা পৃথিবীর জোর,
রবের ভয়ে ক্ষুদ্র হয়, মুছে যায় সব গর্ব-ঘোর।
যে হৃদয়ে তাকওয়া আছে, অন্যায় থাকে দূর,
সত্য তার সঙ্গী হয়, বিবেক থাকে ভরপুর।
মিথ্যার রঙিন প্রাসাদ যতই হোক মহান,
হকের একটি উচ্চারণেই ভেঙে যায় তার মান।
দুঃখ যদি আসে নেমে অশ্রুভেজা রাতে,
তাওয়াক্কুল শেখায় তাকে দাঁড়াতে দৃঢ় হাতে।
ঝড়ের মুখে ঈমান তার নোঙরেরই মতো,
রবের ওপর ভরসায় সে থাকে নির্ভয় যত।
রিজিক নিয়ে ব্যাকুল কেন? রাব্বুল আলামীন আছেন,
সকল প্রাণের আহারদাতা তিনিই ব্যবস্থা রাখেন।
পাখিরা তো ভোরে উড়ে ফিরে আসে ভরে,
বান্দার রিজিকও আসে প্রভুরই ইশারায় ঘরে।
তাকওয়া শেখায় সংযম, নম্রতা আর লাজ,
অহংকারের মুকুট খুলে বিনয় করে সাজ।
চোখকে শেখায় পবিত্রতা, মুখে সত্যের বাণী,
হাতে তুলে দানের আলো, হৃদয় করে দানী।
পিতা-মাতার সেবায় যে খুঁজে নেয় সুখধারা,
প্রতিবেশীর কষ্ট দেখে যার অশ্রু ঝরে সারা—
এতিমের মুখে হাসি ফোটায়, ক্ষুধার্তকে দেয় অন্ন,
তাকওয়ারই সুবাসে ভরে তার জীবন অনন্য।
ক্ষমা যার অলংকার, ধৈর্য যার বল,
ক্রোধের আগুন নিভিয়ে রাখে শান্তির শীতল জল।
অল্পে থাকে সন্তুষ্ট সে, হালালে খোঁজে মান,
হারামের ঐশ্বর্য দেখে ফিরিয়ে নেয় প্রাণ।
যুবকের শক্তি যদি তাকওয়ার পথে চলে,
জাতির ভবিষ্যৎ জাগে জ্ঞানের দীপ জ্বলে।
বৃদ্ধের কাঁপা হাতে যখন তাসবীহ দোলে নীর,
রহমতের ফেরেশতারা নামে ধরণীর তীর।
শিক্ষক যদি আদর্শ বোনেন জ্ঞান-ফুলের ক্ষেতে,
শিক্ষার্থীও ফুটে ওঠে সত্য-সুন্দরের রথে।
পরিবারে তাকওয়া এলে ভালোবাসা বাড়ে,
অশান্তির কালো মেঘ নীল আকাশে হারে।
রাষ্ট্র যদি ন্যায়ের পথে তাকওয়ার আলো জ্বালে,
দুর্নীতির অন্ধকার আর টিকতে পারে না কালে।
বিচারের পাল্লা থাকে সমতারই হাতে,
শান্তির সুবাতাস বয়ে যায় জনপদের প্রাতে।
মৃত্যু তার কাছে ভয়ের নয়, জান্নাতেরই দ্বার,
আমলের পাথেয় নিয়ে সে হয় প্রস্তুত বারবার।
হাশরের বিশাল ময়দানে থাকবে যার আলো,
তাকওয়ার জীবনই হবে তার সর্বশ্রেষ্ঠ ভালো।
তাই এসো, হৃদয়ে জ্বালাই তাকওয়ার প্রদীপখানি,
সত্য হোক জীবনের পথ, পবিত্র হোক প্রাণই।
আল্লাহর ভয়ই মানুষকে মুক্তি দেয় সব ভয়,
এই শিক্ষা যুগে যুগে চিরঅমলিন, চিরমহিমাময়।
লোভের কাছে নয় পরাজয়, নয় অন্যায়ের দাস,
তাকওয়ার ডানায় ভর করে উড়ুক জীবনের আকাশ।
রবের সন্তুষ্টিই হোক আমাদের শ্রেষ্ঠ পরিচয়—
আল্লাহর ভয়েই লুকিয়ে আছে সকল ভয়ের ক্ষয়।
***
আল্লাহভীতি: সকল ভয়ের মুক্তি
"যে হৃদয়ে জাগে তাকওয়ার দীপ,
সে হৃদয়ে নিভে যায় সকল ভয়ের নীপ।"
ভয় যদি থাকে, থাকুক শুধু আল্লাহরই ভয়,
তাতেই লুকিয়ে থাকে জীবনের সত্য পরিচয়।
যে নত হয় কেবল তাঁরই মহিমার দ্বারে,
সে মাথা নত করে না দুনিয়ার কারও দ্বারে।
তাকওয়ার আলো জ্বলে অন্তরের গহীনে,
অন্ধকার হারিয়ে যায় সত্যের সোনালি দিনে।
লোভের মরুভূমিতে করুণার নদী বয়,
ঈমানের সুবাসে জীবন সুধাময় হয়।
ক্ষমতার অহংকার ধূলিসাৎ হয়ে যায়,
বিনয়ের সৌন্দর্যে হৃদয় ভরে রয়।
স্বার্থের প্রাচীর ভেঙে ভালোবাসা জাগে,
রহমতের ছায়া নামে মানবতার বাগে।
যে আল্লাহকে ভয় করে, অন্যায় ছুঁতে পারে না,
প্রলোভনের আগুনও তাকে পোড়াতে পারে না।
সত্য তার পতাকা, ন্যায় তারই বল,
তাই তার জীবনে জাগে বিজয়েরই ফল।
ঝড় যদি গর্জে ওঠে আকাশের বুকজুড়ে,
তবু সে দাঁড়িয়ে থাকে ঈমানেরই ঘরে।
তাওয়াক্কুলের শক্তি তাকে রাখে অটল,
বিপদের পাহাড়ও হয় ধূলিকণার দল।
রিজিকের দুশ্চিন্তা তাকে গ্রাস করতে চায়,
সে হাসিমুখে বলে—"আমার রবই তো জোগায়।"
যিনি পাখির খাদ্য দেন, সাগরের মাছ বাঁচান,
তিনি কি তাঁর বান্দাকে অভাবে ফেলে রাখেন?
অভাবের দীর্ঘ রাতে ধৈর্য জ্বালে দীপ,
প্রার্থনার অশ্রুতে হৃদয় হয় স্নিগ্ধ সীপ।
দুনিয়ার ঐশ্বর্য নয় মুমিনের কামনা,
রবের সন্তুষ্টিতেই তার সকল বাসনা।
পাপের ডাক আসে রঙিন স্বপ্ন সাজিয়ে,
তাকওয়া ডাকে তাকে কুরআনের আলো নিয়ে।
চোখে শেখায় লজ্জা, মুখে সত্য বাণী,
হাতে তুলে দান, হৃদয় করে দানী।
মায়ের সেবায় জান্নাতের সুবাস মেলে,
পিতার সম্মানে রহমত নেমে আসে ঢেলে।
এতিমের মুখে হাসি ফোটায় যে প্রাণ,
সেই তো আল্লাহভীতির উজ্জ্বল নিদর্শন।
প্রতিবেশীর দুঃখে যার অশ্রু ঝরে নীর,
তারই হৃদয় ভরে রহমতের সমীর।
ক্ষমা যার অলংকার, ধৈর্য যার ঢাল,
আল্লাহর প্রিয় সে, মহিমান্বিত কাল।
সত্যের ব্যবসায়ী মাপে ন্যায়ের পাল্লায়,
প্রতারণার পথ সে কখনোই না চালায়।
হালালের অল্প রুটি জান্নাতের সুবাস,
হারামের ঐশ্বর্যে নেই শান্তির আভাস।
যুবকের চরিত্রে যখন তাকওয়ার দীপ্তি,
সমাজ পায় নতুন আলো, জাগে শুভ সৃষ্টি।
বৃদ্ধের সিজদাভেজা কপালের প্রতিচ্ছবি,
ফেরেশতারা দেখে তাতে রহমতের ছবি।
শিক্ষক যদি শেখান কুরআনেরই জ্ঞান,
শিক্ষার্থীর হৃদয়ে জাগে ঈমানের গান।
জ্ঞান তখন চরিত্র গড়ে, আলোকিত মন,
মানুষ হয় সত্যবাদী, শ্রেষ্ঠ মানবজন।
পরিবারে তাকওয়া এলে হাসি ফিরে আসে,
কলহের অন্ধকার মিলায় ভালোবাসায় ভাসে।
স্বামী-স্ত্রী একসাথে চলে রবের পথে,
সন্তান বড় হয় নৈতিকতার রথে।
রাষ্ট্রে যদি ন্যায় আর তাকওয়ার শাসন,
শান্তিতে ভরে ওঠে জনপদের জীবন।
অত্যাচারের রাত ভেঙে সুবিচারের ভোর,
মানবতার বাগানে ফোটে কল্যাণের ডোর।
ভয় নয়—ঈমানই সাহসের পরিচয়,
রবের প্রেমে ধন্য হয় জীবনেরই বিজয়।
যে হৃদয়ে তাকওয়া থাকে জ্বলন্ত প্রদীপ,
সেখানে শয়তানের অন্ধকার হয় ক্ষীণ, ক্ষীপ্র।
মৃত্যুও তার কাছে আর ভয়ের নাম নয়,
এ তো চিরজীবনের নতুন এক পরিচয়।
কবরের নিস্তব্ধতায় আমল হবে সাথি,
হাশরের ময়দানে দেবে মুক্তির গাঁথি।
যে ভয় করে আল্লাহকে, সে মুক্ত সব ভয়,
তার হৃদয়ে জাগে শুধু প্রশান্তির পরিচয়।
সে জানে—রবই যথেষ্ট, তিনিই অভিভাবক,
তাঁরই দয়ায় জীবন পায় সঠিক আলোক।
এসো তবে গড়ি আজ তাকওয়ার সমাজ,
সত্যে হোক আলোকিত প্রতিটি কর্মরাজ।
হৃদয়ে থাকুক কুরআনের অমল বাণী,
সুন্নাহ হোক জীবনের শ্রেষ্ঠ পথের টানি।
লোভ নয়, হিংসা নয়, নয় ক্ষমতার মোহ,
আল্লাহভীতির আলোয় কাটুক জীবনের দোহ।
মানুষ হোক মানুষে প্রেম, ন্যায়ের হোক জয়,
আল্লাহর ভয়েই লুকিয়ে সকল ভয়ের ক্ষয়।
যে হৃদয়ে তাকওয়ার ফুল, সে হৃদয় পবিত্র,
সেই হৃদয়েই ফুটে ওঠে জান্নাতের চরিত্র।
দুনিয়া ক্ষণিকের পথ, আখিরাত চিরময়—
আল্লাহর ভয়ই মানুষকে সকল ভয় হতে মুক্তি দেয়।
৬৪
১০০ মন্তব্য