এই সিদ্ধান্ত কনো ভাবেই বাস্তবায়ন করতে পারবেন না।
কারণ এই শিক্ষা কাঠামোতে যে সমস্যার বীজ পুতে রাখা আছে সেইগুলা দূর করা হয় নাই। ক্লাসটাইম বনাম সিলেবাস সমস্যা, বিভিন্ন শিক্ষার্থীদের মেধা ও শেখার গতির ভিন্নতা, ক্লাসে শিক্ষক শিক্ষার্থী অনুপাত ঠিক না থাকা, সকল শিক্ষকের পড়ানোর যোগ্যতা ও দক্ষতা না থাকা এবং শিক্ষকদের পর্যাপ্ত বেতন এবং প্রাতিষ্ঠানিক সুবিধার মতো সমস্যা গুলোর সমাধান না করে শুধু এইসব পপুলিস্ট আলাপ দিয়ে কোনো লাভ নাই। প্রাইভেট বা কোচিংয়ের চাহিদা তৈরি হচ্ছে শিক্ষা কাঠামোর এই দুর্বলতা গুলোর জন্য। দুর্বলতাগুলো চিহ্নিত করে তা দূর করার চেষ্টা করুন শিক্ষকদের প্রাতিষ্ঠানিক সুযোগ সুবিধা বৃদ্ধি করুন তাদের জীবন-মানের উন্নয়ন করুন, শিক্ষকদের থিসিস, রিসার্স, গবেষণায় ব্যস্ত রাখুন। দেখবেন শিক্ষকগণ আর প্রাইভেট কিংবা কোচিং করাবেন না কিং বা সেই সময়ই পাবেন না। আপনাদেরকে আর ঘোষণা দিয়ে শিক্ষকদের এমপিও বন্ধের হন্য হুশিয়ারী দিতে হবে না।
তাই আগে স্কুলের শিক্ষা কাঠামোর এই দুর্বলতাগুলো দূর করতে হবে ও প্রয়োজনভিত্তিক অতিরিক্ত শিক্ষা নিশ্চিত করতে হবে, তারপর ব্যক্তিগত কোচিং/টিউশনের ওপর কঠোর বিধিনিষেধ কার্যকর করা যৌক্তিক। বর্তমান শিক্ষামন্ত্রীর প্রস্তাবেও দুর্বল শিক্ষার্থীদের জন্য স্কুলেই remedial support দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। একদিকে শিক্ষামন্ত্রী বলবেন remedial support দেওয়া জায়েজ আর অন্যদিকে প্রতিমন্ত্রী বলবেন যে remedial support (প্রাইভেটও একপ্রকার রেমিডিয়াল সাপোর্ট) দিলেই এমপিও বন্ধ শিক্ষকরা যাবে কোনদিকে?
৭
৬ মন্তব্য