Loading..

ব্লগ

রিসেট

১৩ আগস্ট, ২০২৬ ১০:৪৩ পূর্বাহ্ণ

১১ শিক্ষকের স্কুলে ১২ পরীক্ষার্থী, তবুও পাস একজন

পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলার মৈশানী বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এ বছরের এসএসসি পরীক্ষায় দেখা গেছে এক হতাশাজনক চিত্র। প্রতিষ্ঠানটিতে ১১ জন শিক্ষক কর্মরত থাকা সত্ত্বেও ১২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হতে পেরেছে মাত্র একজন। এমনকি সাফল্য অর্জনকারী সেই একমাত্র শিক্ষার্থীর নাম কিংবা প্রাপ্ত ফলাফলও তাৎক্ষণিকভাবে জানাতে ব্যর্থ হন বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা।

সোমবার (১০ আগস্ট) প্রকাশিত এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে এ চিত্র উঠে আসে।

বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, মৈশানী বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বর্তমানে ১১ জন শিক্ষক, একজন ক্লার্ক ও একজন চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী রয়েছেন।শিক্ষক-কর্মচারী মিলিয়ে মোট ১৩ জন। তাদের বেতন-ভাতা বাবদ সরকারের প্রতি মাসে তিন লাখ টাকারও বেশি ব্যয় হচ্ছে বলে বিদ্যালয় সূত্র জানা যায়।

স্থানীয়দের অভিযোগ, বছরের পর বছর বিদ্যালয়টির শিক্ষার মান নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। শিক্ষার্থীদের নিয়মিত ক্লাসে উপস্থিতি যেমন কম, তেমনি শিক্ষকদের উপস্থিতি ও পাঠদান নিয়েও রয়েছে নানা প্রশ্ন।

কাগজ-কলমে বিদ্যালয়ে অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থীর কথা বলা হলেও বাস্তবে নিয়মিত পাঁচ-ছয়জনের বেশি শিক্ষার্থীকে ক্লাসে দেখা যায় না বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। সমুদয়কাঠি ইউনিয়নে অবস্থিত বিদ্যালয়টি দীর্ঘ এক যুগেরও বেশি সময় ধরে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দিয়ে পরিচালিত হয়ে আসছে। দীর্ঘদিন ধরে এমন ব্যবস্থাপনার মধ্যেও শিক্ষার মানের দৃশ্যমান উন্নতি না হওয়ায় বিদ্যালয়টির সার্বিক শিক্ষা কার্যক্রম নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা।

এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা পর্ষিয়া রানী হালদার বলেন, চলতি বছর বিদ্যালয় থেকে ১২ জন শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে। তাদের মধ্যে একজন পাস করেছে। গত বছর আটজন পরীক্ষা দিয়ে একজন পাস করেছিল।

এ বছর পাস করা শিক্ষার্থীর নাম ও কোন গ্রেডে পাস করেছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এখন মনে নেই, পরে জানাব। তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের চেষ্টা করেও স্কুলে আনা যাচ্ছে না। তারা ঠিকমতো না পড়লে আমাদের দোষ কী? তারা পড়াশোনা করে না বিধায় ফেল করে।

#পরীক্ষার্থী #এসএসসি পরীক্ষা #এসএসসির ফল #স্কুল


মন্তব্য করুন