দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থার (সার্ক) ধারণার প্রবক্তা বাংলাদেশ। ১৯৭০-এর দশকের শেষ ও ১৯৮০-এর শুরুতে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের উদ্যোগে আঞ্চলিক ঐক্যের মাধ্যমে শান্তি ও সমৃদ্ধি অর্জনের যে স্বপ্ন দেখা হয়েছিল, তা ১৯৮৫ সালে ঢাকায় প্রথম শীর্ষ সম্মেলনের মাধ্যমে বাস্তবে রূপ নেয়। কূটনৈতিক উদ্যোগ ও আঞ্চলিক সহযোগিতায় বাংলাদেশ সবসময় এই সংস্থায় গুরুত্বপূর্ণ ও অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে।
সার্ক গঠনে বাংলাদেশের ভূমিকা
উদ্যোগ গ্রহণ: দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক মেলবন্ধন ও যৌথ উন্নয়নের লক্ষ্যে বাংলাদেশ প্রথম আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব পেশ করে।
প্রতিষ্ঠা ও প্রথম সম্মেলন: ১৯৮৫ সালের ৮ ডিসেম্বর ঢাকায় প্রথম সার্ক শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়, যা এই জোটের যাত্রাকে স্থায়ী ভিত্তি দেয়।
সক্রিয় নেতৃত্ব: বিভিন্ন সময়ে বাংলাদেশ আঞ্চলিক সংকট উত্তরণে এবং সার্কের লক্ষ্য বাস্তবায়নে জোরালো কূটনৈতিক তৎপরতা চালিয়েছে।
বর্তমান প্রেক্ষাপট ও অগ্রগতি
সচিব পদ অলংকরণ: বাংলাদেশি অভিজ্ঞ কূটনীতিক গোলাম সারওয়ার সার্কের মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন, যা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের পেশাদারিত্ব ও মর্যাদার প্রতীক।
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক প্রসার: সদস্য দেশগুলোর সাথে দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় বাণিজ্যে বাংলাদেশ ক্রমান্বয়ে নিজেদের অবস্থান সুদৃঢ় করছে।
পুনরুজ্জীবনের তাগিদ: আঞ্চলিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এবং দক্ষিণ এশিয়ার দুইশ কোটি মানুষের কল্যাণে বাংলাদেশ বরাবরই নিষ্ক্রিয় বা মন্থর হয়ে পড়া সার্ক প্রক্রিয়াকে পুনরুজ্জীবিত করার ওপর জোর দিয়ে আসছে।
১৩
১৮ মন্তব্য