শিক্ষার্থীদের অনলাইন গেম আসক্তি বর্তমান সময়ের একটি বড় মানসিক ও সামাজিক সমস্যা। অতিরিক্ত গেম খেলার ফলে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় মনোযোগ কমে যায়, শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য নষ্ট হয় এবং সামাজিক দূরত্ব তৈরি হয়।
নেতিবাচক প্রভাব
পড়াশোনায় অবনতি: ক্লাসে অনুপস্থিতি ও পরীক্ষার ফলাফল খারাপ হওয়া।
স্বাস্থ্য ঝুঁকি: নিয়মিত ঘুম না হওয়া, চোখের দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়া এবং শারীরিক ওজনের ভারসাম্য নষ্ট হওয়া।
আচরণগত পরিবর্তন: অতিরিক্ত রাগ, জেদ ও সহিংস আচরণ বৃদ্ধি পাওয়া।
সামাজিক বিচ্ছিন্নতা: বাস্তব জীবন থেকে দূরে সরে গিয়ে ভার্চুয়াল জগতে বুঁদ হয়ে থাকা।
সময় নির্ধারণ: প্রতিদিন স্ক্রিন টাইম বা গেম খেলার জন্য নির্দিষ্ট ও স্বল্প সময় বেঁধে দেওয়া।
বিকল্প কার্যক্রম: খেলাধুলা, বই পড়া বা সৃজনশীল কাজে শিক্ষার্থীদের ব্যস্ত রাখা।
পারিবারিক সচেতনতা: বাবা-মাকে সন্তানদের সময় দেওয়া এবং তাদের অনলাইন কার্যক্রমের ওপর নজর রাখা।
কাউন্সিলিং: আসক্তি তীব্র হলে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের বা কাউন্সেলরের পরামর্শ নেওয়া।
১৩
১৮ মন্তব্য