সহকারী শিক্ষক
১৬ আগস্ট, ২০২৬ ১২:৩২ অপরাহ্ণ
সহকারী শিক্ষক
লালন সংগীতের মরমী সুর ও আধ্যাত্মিকতার নিগূঢ় হাতছানি
এই ভাবনাটি মূলত বাউল সাধনার অন্তর্লোক, আত্মঅন্বেষণ এবং মানবতাবোধের এক গভীর প্রকাশ।
লালনের গানে বাহ্যিক ধর্মাচারের চেয়ে মানুষের অন্তরের মানুষকে খোঁজার আকুলতা বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তাঁর মরমী সুরে প্রেম, বিরহ, দেহতত্ত্ব, আত্মপরিচয় ও পরমসত্তার সন্ধান একাকার হয়ে যায়। সহজ-সরল কথার আড়ালে তিনি এমন সব প্রশ্ন ছুড়ে দেন—আমি কে, কোথায় সেই অচিন মানুষ, আর কেন মানুষ নিজের ভেতরের সত্যকে না চিনে বাইরে তাকে খুঁজে ফেরে?
লালনের সুরে তাই এক ধরনের নিগূঢ় হাতছানি আছে। সেই হাতছানি শ্রোতাকে শুধু গান শোনায় না, নিজের অন্তর্জগতে প্রবেশ করতে আহ্বান জানায়। তাঁর গান কখনো বিরহের বেদনায়, কখনো প্রেমের আকর্ষণে, আবার কখনো মানবমুক্তির আকাঙ্ক্ষায় মনকে স্পর্শ করে। এ কারণেই লালন সংগীত কেবল লোকসংগীত নয়; এটি আত্মজিজ্ঞাসা ও আধ্যাত্মিক উপলব্ধির এক অনন্য পথ।
১
১ মন্তব্য