Loading..

ব্লগ

রিসেট

১৭ আগস্ট, ২০২৬ ০৭:১০ অপরাহ্ণ

দীর্ঘ অপেক্ষার পর অবসরের টাকা পাচ্ছেন শিক্ষকেরা...............

বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের অবসর ও কল্যাণসুবিধার অর্থের আংশিক ছাড় এবং বাকি অর্থ পরিশোধের সম্ভাবনা

সংক্ষেপে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

  • অবসরসুবিধা: ৭০,১১৯ জন শিক্ষক-কর্মচারীর জন্য প্রায় ১,৫৫০ কোটি টাকা ছাড় করা হয়েছে।
  • আবেদনের সময়কাল: অবসরসুবিধার ক্ষেত্রে ২০২২ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের জুলাই পর্যন্ত আবেদনকারীরা অন্তর্ভুক্ত।
  • কল্যাণসুবিধা: ৫৩,৪৭৭টি আবেদনের বিপরীতে প্রায় ৬৪৭ কোটি টাকা ছাড় করা হয়েছে।
  • এটি পুরো পাওনা নয়: শিক্ষক-কর্মচারীরা আপাতত তাঁদের প্রাপ্য অর্থের একাংশ পাচ্ছেন।
  • অবসরসুবিধার মোট প্রয়োজন: ৭০,১১৯ জনের পুরো পাওনা দিতে প্রায় ৯,৭৩০ কোটি টাকা প্রয়োজন।
  • বোর্ডে থাকা অর্থ: প্রায় ১,৭৫৫ কোটি টাকা, যার মধ্যে প্রায় ১,৫৫০ কোটি টাকা এবার দেওয়া হচ্ছে।
  • কল্যাণসুবিধার বাকি প্রয়োজন: আবেদনকারীদের পুরো অর্থ দিতে প্রায় ৩,০০০ কোটি টাকা প্রয়োজন।
  • টাকা দেওয়ার পদ্ধতি: ‘iBAS++’-এর মাধ্যমে সরাসরি ব্যাংক হিসাবে পাঠানো হচ্ছে।
  • সমস্যা হলে: জাতীয় পরিচয়পত্র, ব্যাংক হিসাব বা মনোনীত ব্যক্তির তথ্যের ভুল থাকলে টাকা আটকে যেতে পারে; সংশোধনের পর পুনরায় পাঠানোর কথা বলা হয়েছে।
  • চাঁদা: ২০১৯ সাল পর্যন্ত অবসরসুবিধার জন্য মূল বেতনের ৬% এবং কল্যাণসুবিধার জন্য ৪% চাঁদা কাটা হয়েছে।
  • শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে: বছরে ১০০ টাকা—এর মধ্যে ৭০ টাকা অবসর ও ৩০ টাকা কল্যাণ তহবিলে যায়।
  • বর্তমানে অবসরসুবিধা তহবিলে মাসে প্রায় ১০৪ কোটি টাকা জমা হলেও পুরো পাওনা পরিশোধে গড়ে মাসে প্রায় ২১০ কোটি টাকা প্রয়োজন—অর্থাৎ নিয়মিত ঘাটতি রয়েছে।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কথা

এবার টাকা ছাড় হওয়া মানেই অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা তাঁদের সম্পূর্ণ পাওনা পেয়ে গেছেন—এমন নয়। এটি মূলত প্রাপ্য অর্থের একটি অংশ। বাকি অর্থ পরিশোধের জন্য সরকারের বিশেষ বরাদ্দ প্রয়োজন বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

মন্তব্য করুন