প্রভাষক
১৮ আগস্ট, ২০২৬ ০৭:৪৯ পূর্বাহ্ণ
প্রভাষক
চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পাশের হার গত ১৯ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন হওয়ায় রেকর্ড ১৩ লাখ শিক্ষার্থী ফলাফল চ্যালেঞ্জ করে খাতা পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করেছে, যা বোর্ডকে ভাবিয়ে তুলেছে। এ ব্যাপারে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, মনে হচ্ছে, সবাই খাতা পুনর্মূল্যায়ন করাতে চায়। জিপিএ-৫ বা গোল্ডেন এ প্লাস পাওয়ার পরও খাতার পুনর্মূল্যায়ন করাতে চাইছে। কারণ নম্বর ভবিষ্যতে পড়ালেখায় মূল্য যোগ করে। এই বিপুলসংখ্যক উত্তরপত্র পুনর্মূল্যায়ন করা অত্যন্ত কষ্টসাধ্য। এ কারণে উত্তরপত্র পুনর্মূল্যায়নের ক্ষেত্রে নতুন নীতিমালা প্রণয়নের পরিকল্পনা করছে সরকার। নতুন নীতিমালায় কোন ধরনের উত্তরপত্র পুনর্মূল্যায়নের আওতায় আসবে, সেই বিষয়টি নির্দিষ্ট করে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
গতকাল সোমবার সকালে রাজধানী ঢাকার বনানীতে শেরাটন হোটেলে আয়োজিত ‘কিউএস বাংলাদেশ ফোরাম ২০২৬’- অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। জানা গেছে, এযাবত্কাল পুনর্নিরীক্ষার ক্ষেত্রে মাত্র চারটি বিষয় দেখা হলো। এগুলো হলো, সব প্রশ্নের নম্বর দেওয়া হয়েছে কি না, প্রাপ্ত নম্বরগুলোর যোগফল ঠিক আছে কি না, খাতার ভেতরের নম্বর মূল কভার বা ওএমআর শিটে ঠিকভাবে তোলা হয়েছে কি না এবং ওএমআর শিটে নম্বর অনুযায়ী বৃত্ত সঠিকভাবে ভরাট করা হয়েছে কি না। এই চারটি পর্যায়ে কোনো অসংগতি থাকলে তা সংশোধন করে নতুন ফল প্রকাশ করা হয়। খাতাকে কখনোই পুনরায় মূল্যায়ন করা হয়নি। নতুন পদ্ধতিতে এবার পুনর্নিরীক্ষার পুরো খাতা তৃতীয় পরীক্ষকের মাধ্যমে পুনরায় নতুন করে যাচাই বা মূল্যায়ন করার পরিকল্পনা রয়েছে।
১৩
১৮ মন্তব্য