সহকারী শিক্ষক
১৮ আগস্ট, ২০২৬ ১২:২০ অপরাহ্ণ
প্রাথমিকে প্রশ্নপত্র প্রণয়নে সরকারি নির্দেশনা উপেক্ষিত

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সব শিক্ষক তিন প্রান্তিকের পরীক্ষার প্রশ্নপত্র প্রণয়ন করার সুযোগ পান না। তাই তাদের অনভ্যাসের ফলে শিশু শিক্ষার সঙ্গে শিক্ষকের মূল্যায়ন সার্বিকভাবে হচ্ছে না। অন্যদিকে সব প্রাথমিক শিক্ষক প্রশ্নপত্র করা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। ফলে শিক্ষকদের এ বিষয়ে জ্ঞান লোপ পাচ্ছে। পুরো উপজেলায় গুটিকয়েক শিক্ষক প্রশ্নপত্র প্রণয়ন করে থাকেন। অনেক ক্ষেত্রে উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তারা প্রশ্নপত্র বিক্রি করে আর্থিক সুবিধা লাভ করে থাকেন।
প্রশ্নপত্রের পরিপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, সব বিদ্যালয় আলাদাভাবে প্রশ্নপত্র প্রণয়ন করবে। তবে, শিক্ষার্থীর কম হলে একাধিক বিদ্যালয়ের সঙ্গে সংযুক্ত হয়ে প্রশ্নপত্র প্রণয়ন করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অথচ সারা দেশের বেশিরভাগ উপজেলায় এ বিষয়টি উপেক্ষিত। প্রশ্নপত্র প্রণয়ন সঠিক হচ্ছে কি না, বিষয়টি উপজেলা শিক্ষা অফিসাররা নিশ্চিত করবেন। কোনো অবস্থায় নোট গাইড যাতে অনুসরণ না করে সে ব্যাপারে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে। বাংলা, ইংরেজি, বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, প্রাথমিক বিজ্ঞান, ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষাবিষয়ে রিডিং স্কিল যাচাইয়ের নাম্বার থাকলে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের এ বিষয়ে অনেকটা সচেতনতা তৈরি হবে। শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীর সমবেত প্রচেষ্টায় সমৃদ্ধ হোক রিডিং স্কিল। এ বিষয়ে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, সচিব ও মহাপরিচালকসহ সংশ্লিষ্টদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
লেখক: সাবেক সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি

৬৪
১০০ মন্তব্য