সহকারী শিক্ষক
১৮ আগস্ট, ২০২৬ ০৩:৪৮ অপরাহ্ণ
শ্রেণিকক্ষ ব্যবস্থাপনা কিভাবে করবেন ?
জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০-এর আলোকে শ্রেণিকক্ষ ব্যবস্থাপনা
পদ্ধতি, বাস্তবতা ও করণীয়
মনিরুল হক | সহকারী শিক্ষক, আমলাবাড়ি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, খোকসা, কুষ্টিয়া
একটা ক্লাসের দরজা খুলে ঢুকলেই বোঝা যায় সেখানে কেমন পড়াশোনা হয়। কোথাও শিক্ষার্থীরা মাথা নিচু করে চুপচাপ বসে থাকে, শিক্ষকের কণ্ঠস্বর ছাড়া আর কিছু শোনা যায় না। কোথাও আবার হইচই, প্রশ্ন, হাত তোলা একধরনের জীবন্ত অস্থিরতা, যেটা আসলে শেখারই লক্ষণ। এই পার্থক্যটা তৈরি হয় মূলত শ্রেণিকক্ষ ব্যবস্থাপনার ধরন থেকে। গ্রামীণ বাংলাদেশের একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পঞ্চাশ-ষাট জন শিক্ষার্থীর একটি ক্লাসে একজন শিক্ষক যখন পাঠদান করেন, তখন শুধু বিষয়বস্তু শেখানো নয়—শৃঙ্খলা রক্ষা, মনোযোগ ধরে রাখা, প্রত্যেক শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা এসবই একধরনের আলাদা দক্ষতা দাবি করে, যাকে আমরা শ্রেণিকক্ষ ব্যবস্থাপনা বলি।
বাংলাদেশের জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০ এই ব্যবস্থাপনার একটা দিকনির্দেশনা দেয়। নীতিমালায় সরাসরি "ক্লাসরুম ম্যানেজমেন্ট" শব্দবন্ধ নেই, কিন্তু এর অন্তর্নিহিত দর্শন, লক্ষ্য এবং সুনির্দিষ্ট নির্দেশনাগুলো একত্র করলে একটি স্পষ্ট কাঠামো দাঁড়িয়ে যায়। এই লেখায় সেই কাঠামোটাই খুঁজে দেখা হয়েছে—নীতির ভাষ্য কী বলে, বাস্তবে তার প্রয়োগ কেমন হতে পারে, এবং কোথায় নীতি ও বাস্তবতার মধ্যে ফারাক থেকে যাচ্ছে।
১. জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০-এ শ্রেণিকক্ষ সম্পর্কিত মূল দর্শনঃ
ক) মুখস্থনির্ভরতা থেকে সক্রিয় শিখনেঃ
নীতিমালার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য অংশে স্পষ্টভাবে বলা আছে, শিক্ষার্থীদের মুখস্থবিদ্যা থেকে সরিয়ে এনে তাদের নিজস্ব চিন্তাশক্তি, কল্পনাশক্তি ও কৌতূহলকে কাজে লাগানোর কথা। এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য শিশুর সৃজনশীল চিন্তা ও দক্ষতা বিকাশে সক্রিয় শিক্ষণ পদ্ধতি অনুসরণের নির্দেশনাও নীতিতে রয়েছে। এর মানে হলো, শ্রেণিকক্ষে শিক্ষক শুধু বক্তৃতা দেবেন না—শিক্ষার্থীরা প্রশ্ন করবে, আলোচনা করবে, সমস্যার সমাধান খুঁজবে। এই একটি নির্দেশনাই আসলে শ্রেণিকক্ষ ব্যবস্থাপনার দর্শন বদলে দেয়, কারণ একজন সক্রিয়, প্রশ্নকারী শিক্ষার্থীকে সামলানো আর নীরব, শ্রবণকারী শিক্ষার্থীকে সামলানো সম্পূর্ণ আলাদা দুটো দক্ষতা দাবি করে।
খ) আনন্দময়, সৃজনশীল ও সুরক্ষিত পরিবেশঃ
নীতিতে স্পষ্টভাবে বলা আছে, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য এমন একটি নিরাপদ ও আনন্দদায়ক পরিবেশ ধরে রাখতে হবে, যেখানে তাদের সৃজনশীলতা ও স্বাভাবিক বিকাশ সম্ভব হয়। এই একটি নির্দেশনা শ্রেণিকক্ষ ব্যবস্থাপনার একেবারে কেন্দ্রে বসে আছে। কারণ ব্যবস্থাপনা মানে শুধু নিয়ন্ত্রণ নয়, বরং এমন একটি পরিবেশ তৈরি করা, যেখানে শিক্ষার্থী ভয় না পেয়ে প্রশ্ন করতে পারে, ভুল করলে সেখান থেকে শিখতে পারে।
গ) বৈষম্যহীন ও অন্তর্ভুক্তিমূলক শ্রেণিকক্ষঃ
নীতিমালা ভৌগোলিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক অবস্থান নির্বিশেষে সব শিক্ষার্থীর জন্য সমান সুযোগের কথা বলে, একইসঙ্গে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর শিক্ষার্থীদের নিজস্ব ভাষা ও সংস্কৃতি বিকাশের এবং শারীরিক ও মানসিক প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের শিক্ষা নিশ্চিত করার কথাও তুলে ধরে। ফলে একজন শিক্ষকের শ্রেণিকক্ষ ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনায় প্রতিটি শিক্ষার্থীর ভিন্নতাকে বিবেচনায় নেওয়ার তাগিদ নীতির গোড়া থেকেই থেকে যায়।
২. নীতির আলোকে বাস্তব শ্রেণিকক্ষে প্রয়োগযোগ্য পদ্ধতিসমূহঃ
এই দর্শনগুলোকে একজন শিক্ষক দৈনন্দিন ক্লাসে কীভাবে রূপ দিতে পারেন, সেটাই এখন আলোচনার মূল বিষয়।
ক) স্পষ্ট নিয়ম ও রুটিন নির্ধারণঃ
প্রতিটি ক্লাসের শুরুতেই কয়েকটি সহজ, স্পষ্ট নিয়ম বেঁধে দেওয়া দরকার—কে কখন কথা বলবে, খাতা জমা দেওয়ার নিয়ম কী, অনুপস্থিতির ক্ষেত্রে কী হবে। নিয়ম যত অস্পষ্ট থাকে, শ্রেণিকক্ষে বিশৃঙ্খলার সুযোগ তত বাড়ে। শিক্ষাবর্ষের প্রথম সপ্তাহেই এই নিয়মগুলো শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনা করে ঠিক করলে তারা নিজেরাই সেগুলো মেনে চলার দায়িত্ব অনুভব করে; তখন এটা আর কেবল শিক্ষকের চাপিয়ে দেওয়া নিয়ম থাকে না।
খ) আসন বিন্যাস ও দলগত শিখনঃ
পঞ্চাশ-ষাট জনের ক্লাসে গতানুগতিক সারিবদ্ধ বেঞ্চ ব্যবস্থায় পেছনের শিক্ষার্থীরা প্রায়ই আড়ালে পড়ে যায়। ছোট ছোট দলে ভাগ করে বসানো, রোল নম্বর অনুযায়ী নয় বরং সক্ষমতার ভিন্নতা মিলিয়ে দল গঠন করা—এই ধরনের কৌশলে প্রতিটি শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা তুলনামূলক সহজ হয়। জাতীয় শিক্ষানীতির সক্রিয় শিখনের নির্দেশনা বাস্তবে রূপ পায় এই ধরনের আসন বিন্যাসেই।
গ) ইতিবাচক শৃঙ্খলাঃ শারীরিক শাস্তির জায়গায় বিকল্প পথঃ
এই জায়গাটা বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। ২০১১ সালের ১৩ জানুয়ারি হাইকোর্ট এক রায়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শারীরিক শাস্তি নিষিদ্ধের নির্দেশনা দেয়, এবং একই বছরের ৯ আগস্ট শিক্ষা মন্ত্রণালয় একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে, যেখানে হাত-পা বা কোনো বস্তু দিয়ে আঘাত, শিক্ষার্থীর দিকে চক বা ডাস্টার ছুড়ে মারা, রোদে দাঁড় করিয়ে রাখাসহ মোট এগারো ধরনের শাস্তি সুনির্দিষ্টভাবে নিষিদ্ধ করা হয়। এই নির্দেশনা জাতীয় শিক্ষানীতির আনন্দময় ও নিরাপদ পরিবেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যেরই একটি সম্প্রসারণ বলা যায়। বাস্তবে এর মানে হলো, শিক্ষককে শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য ভয়ের বদলে অন্য কৌশল বেছে নিতে হবে—ভালো কাজের প্রশংসা ও স্বীকৃতি, অভিভাবকের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ, শ্রেণিকক্ষে ছোট ছোট দায়িত্ব ভাগ করে দেওয়া। দুঃখজনকভাবে, নিষেধাজ্ঞার এক দশকের বেশি সময় পরও অনেক বিদ্যালয়ে শারীরিক শাস্তির চর্চা এখনও রয়ে গেছে, বিশেষত এমন পরিবারে যেখানে অভিভাবকরাও একে শাসনের বৈধ উপায় বলে মনে করেন। "মাইরের ওপর ওষুধ নাই"—এই পুরনো ধারণা এখনও অনেকের মধ্যে গভীরভাবে প্রোথিত। তাই এই আইনি নির্দেশনা পুরোপুরি কার্যকর করার জন্য শুধু আইন নয়, শিক্ষক ও অভিভাবক উভয়ের মানসিকতা বদলানোর কাজটাও সমান জরুরি।
ঘ) ধারাবাহিক মূল্যায়নের মাধ্যমে পর্যবেক্ষণঃ
একবারের পরীক্ষার বদলে ধারাবাহিক মূল্যায়নের ওপর জোর দেওয়া জাতীয় শিক্ষানীতির আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক। ক্লাসে ছোট ছোট কাজ, উপস্থাপনা কিংবা দলগত প্রকল্পের মাধ্যমে প্রতিদিনের অগ্রগতি নজরে রাখলে শিক্ষক সহজেই বুঝতে পারেন কোন শিক্ষার্থী পিছিয়ে পড়ছে, কার মনোযোগ কোথায় সরে যাচ্ছে। এটা কার্যকর শ্রেণিকক্ষ ব্যবস্থাপনার একটি হাতিয়ার—সমস্যাটা বড় হওয়ার আগেই তা ধরা পড়ে।
ঙ) তথ্যপ্রযুক্তির সীমিত অথচ কার্যকর ব্যবহারঃ
নীতিমালায় গণিত, বিজ্ঞান ও ইংরেজির পাশাপাশি তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে, ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যকে সামনে রেখে। গ্রামীণ বিদ্যালয়ে প্রতিটি ক্লাসে মাল্টিমিডিয়া সুবিধা না থাকলেও একটি স্মার্টফোন বা প্রজেক্টরের মাধ্যমে মাঝেমধ্যে ভিডিও বা ছবি দেখানো, ছোট কুইজ নেওয়া—এই ধরনের ছোট উদ্যোগও শ্রেণিকক্ষের একঘেয়েমি কাটিয়ে শিক্ষার্থীর মনোযোগ ধরে রাখতে সাহায্য করে।
চ) অন্তর্ভুক্তিমূলক শ্রেণিকক্ষঃ প্রান্তিক ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীঃ
নীতিতে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী, প্রতিবন্ধী এবং শিক্ষায় পিছিয়ে থাকা এলাকার শিক্ষার্থীদের বিশেষভাবে বিবেচনায় নেওয়ার কথা বলা আছে। একজন শিক্ষকের জন্য এর ব্যবহারিক অর্থ হলো, একই পাঠ সবার জন্য একইভাবে না দিয়ে প্রয়োজনে ভাষা সহজ করা, দৃষ্টি বা শ্রবণ প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীর জন্য বসার জায়গা সামনে রাখা, পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীকে বাড়তি সময় ও মনোযোগ দেওয়া।
ছ) শিক্ষার্থীর নেতৃত্ব বিকাশঃ
অনেক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ক্লাস ক্যাপ্টেন বা শ্রেণি প্রতিনিধি নির্বাচনের চর্চা আছে, যা শিক্ষার্থীদের মধ্যে দায়িত্ববোধ তৈরি করে এবং শিক্ষকের একার কাঁধে থাকা ব্যবস্থাপনার চাপ কিছুটা ভাগ করে নেয়। হাজিরা নেওয়া, খাতা বিতরণ, শ্রেণিকক্ষ পরিষ্কার রাখার তদারকির মতো ছোট ছোট দায়িত্ব শিক্ষার্থীদের মধ্যে ভাগ করে দিলে গোটা ক্লাসটাই একধরনের যৌথ মালিকানার জায়গা হয়ে ওঠে।
৩. নীতি ও বাস্তবতার ফারাকঃ শিক্ষক-শিক্ষার্থী অনুপাতের সংকট
এতক্ষণ যা বলা হলো, তার প্রায় সবটাই ধরে নেয় যে শিক্ষক তুলনামূলক কম সংখ্যক শিক্ষার্থী নিয়ে কাজ করছেন। কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন। জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০-এ ২০১৮ সালের মধ্যে শিক্ষক-শিক্ষার্থী অনুপাত ১:৩০-এ নামিয়ে আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছিল। সেই লক্ষ্যমাত্রা এখনও অর্জিত হয়নি; সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোতে বর্তমানে গড়ে প্রতি সাঁইত্রিশ জন শিক্ষার্থীর বিপরীতে একজন শিক্ষক আছেন, আর অনেক বিদ্যালয়ে পরিস্থিতি আরও কঠিন। প্রধান শিক্ষকসহ বহু পদ দীর্ঘদিন শূন্য থাকায় সংকট আরও গভীর হয়েছে।
এই ফারাকটা শ্রেণিকক্ষ ব্যবস্থাপনার আলোচনায় উপেক্ষা করার মতো নয়। দলগত শিখন, ধারাবাহিক মূল্যায়ন, ব্যক্তিগত মনোযোগ—এই সবকিছুই তুলনামূলক সহজ হয় যখন একজন শিক্ষক ত্রিশ জনের ক্লাস সামলান। কিন্তু ষাট জনের ক্লাসে একই কৌশল প্রয়োগ করতে গেলে শিক্ষককে আরও বেশি সৃজনশীল হতে হয়—যেমন প্রতিদিন সবাইকে নয়, পালাক্রমে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা, কিংবা ছাত্র নেতৃত্বের ব্যবহার বাড়িয়ে দেওয়া।
৪. চ্যালেঞ্জ ও সীমাবদ্ধতা
নীতির ভাষা আর শ্রেণিকক্ষের বাস্তবতার মধ্যে দূরত্ব তৈরি করে মূলত তিনটি জায়গা—প্রশিক্ষণের ঘাটতি, অবকাঠামোর সীমাবদ্ধতা এবং সামাজিক মানসিকতা। সক্রিয় শিক্ষণ পদ্ধতি বাস্তবায়নে শিক্ষকদের দক্ষতা ও পূর্বপ্রস্তুতির ঘাটতি নিয়ে শিক্ষা বিশ্লেষকরা বারবার প্রশ্ন তুলেছেন; নীতিতে যা লেখা আছে আর ক্লাসরুমে বাস্তবে যা করা সম্ভব, তার মধ্যে ফারাক তৈরি হয় মূলত এই কারণেই। এছাড়া গ্রামীণ বিদ্যালয়ে পর্যাপ্ত বেঞ্চ, আলো-বাতাস কিংবা মাল্টিমিডিয়া সুবিধার অভাব ব্যবস্থাপনাকে আরও কঠিন করে তোলে। আর সামাজিক দিক থেকে দেখলে, শাসনের একমাত্র কার্যকর উপায় হিসেবে শাস্তিকে দেখার পুরনো মানসিকতা এখনও অনেক অভিভাবক ও শিক্ষকের মধ্যে রয়ে গেছে, যা শারীরিক শাস্তি নিষিদ্ধকরণের আইনি নির্দেশনা সত্ত্বেও তার পুরোপুরি অবসান ঘটাতে বাধা দেয়।
জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০ শ্রেণিকক্ষ ব্যবস্থাপনার জন্য একটি স্পষ্ট নৈতিক ও শিক্ষাতাত্ত্বিক ভিত্তি দিয়েছে—মুখস্থবিদ্যার বদলে সক্রিয় শিখন, ভয়ের বদলে নিরাপত্তা, বৈষম্যের বদলে অন্তর্ভুক্তি। কিন্তু একটি নীতিমালা নিজে থেকে ক্লাসরুম বদলে দেয় না। বদলটা ঘটে যখন একজন শিক্ষক প্রতিদিন সকালে ক্লাসে ঢুকে সিদ্ধান্ত নেন—আজ তিনি কীভাবে শিক্ষার্থীদের বসাবেন, কীভাবে প্রশ্ন করবেন, ভুল করা শিক্ষার্থীর সঙ্গে কেমন ব্যবহার করবেন। বাংলাদেশ সরকার বর্তমানে ধাপে ধাপে নতুন কারিকুলাম সংস্কারের পরিকল্পনা করছে, যেখানে ২০২৭ ও ২০২৮ শিক্ষাবর্ষ থেকে দক্ষতাভিত্তিক ও প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষার ওপর আরও জোর দেওয়ার কথা বলা হচ্ছে। নীতি যতই বদলাক, শ্রেণিকক্ষ ব্যবস্থাপনার মূল কথাটা একই থেকে যায়—প্রতিটি শিক্ষার্থীকে একজন মানুষ হিসেবে দেখা, এবং তার শেখার জন্য এমন একটি জায়গা তৈরি করা, যেখানে সে নিরাপদ বোধ করে, প্রশ্ন করতে পারে, ভুল করতে পারে।
মোঃ মনিরুল হক
সহকারী শিক্ষক (ইংরেজি)
আমলাবাড়ী মাধ্যমিক বিদ্যালয়
০১৭২২ ২৭৩২৭২
৭
৬ মন্তব্য