Loading..

ব্লগ

রিসেট

২০ আগস্ট, ২০২৬ ০৬:৩৭ পূর্বাহ্ণ

বাদশা নমরুদ মূলত দুটি উপায়ে উপরে (আকাশে) যাওয়ার চেষ্টা করেছিল
ঐতিহাসিক তাফসির ও প্রাচীন উপকথা অনুসারে, বাদশাহ নমরুদ মূলত দুটি উপায়ে উপরে যাওয়ার চেষ্টা করেছিল: [1]
১. উঁচু টাওয়ার বা ইমারত তৈরি করে: পবিত্র কুরআনের সুরা নাহলের ২৬ নম্বর আয়াতের ব্যাখ্যায় মুফাসসিরগণ (কোরআনের ব্যাখ্যাকাররা) উল্লেখ করেছেন, নমরুদ আসমানে ওঠার জন্য একটি অত্যন্ত উঁচু ইমারত বা টাওয়ার তৈরি করেছিল। কিন্তু আল্লাহর আদেশে সেই ইমারতটি গোড়া থেকে ভেঙে পড়ে। ইহুদি ও খ্রিস্টানদের প্রাচীন ধর্মগ্রন্থেও এটিকে 'বাবেল টাওয়ার' (Tower of Babel) হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। [1, 2, 4]
২. শকুন-বাহন বা বিশেষ খাঁচার মাধ্যমে: প্রাচীন বিভিন্ন ইসরাঈলি ও তাফসিরি রেওয়ায়েত (যেমন: তাফসিরে তবারি) অনুযায়ী, টাওয়ার ভেঙে যাওয়ার পর সে একটি নতুন বুদ্ধি খাটায়। সে চারটে শক্তিশালী বড় শকুনকে বিশেষভাবে প্রশিক্ষণ দেয় এবং একটি বড় কাঠের বাক্স বা খাঁচার চার কোণায় শকুনগুলোকে বেঁধে দেয়। খাঁচার উপরে ও নিচে মাংস ঝুলিয়ে রাখার ব্যবস্থা করা হয়। যখন শকুনগুলো উপরের মাংস খাওয়ার লোভ করত, তখন তারা ডানা ঝাপটে খাঁচাটিকে টেনে অনেক উপরে নিয়ে যেত। এই অভিনব জান বা বাহনে চড়েই নমরুদ আকাশের দিকে উঠেছিল বলে লোককাহিনী ও তাফসিরে বর্ণনা করা হয়েছে। [1, 2]
সতর্কতা: ইসলামি পণ্ডিতদের মতে, শকুনে চড়ে আকাশে ওড়ার এই বিবরণটি মূলত একটি 'ইসরাঈলি বর্ণনা' (পূর্ববর্তী কিতাব ও লোকমুখের কাহিনী), যার কোনো সরাসরি উল্লেখ কুরআন বা সহিহ হাদিসে নেই। [1]
মন্তব্য করুন